সিরাজদিখানে বিষাক্ত সাপের উপদ্রব : স্কুলে যাচ্ছে না শিক্ষার্থীরা

সিরাজদিখানের জৈনসার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাপের উপদ্রপ বৃদ্ধি পেয়েছে। সাপের দংশনে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ওই বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী। এছাড়াও সাপের আনাগোনায় সাপ আতঙ্ক বিরাজ করছে। অভিভাবকরা ছেলে-মেয়েকে স্কুলে পাঠাতে ভয় পাচ্ছে। সাপে কামড়াবার ভয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর হাজিরা অর্ধেকে নেমে এসেছে।

গত সোমবার স্কুল চলাকালে প্রথম শ্রেণীর ছাত্র আকাশ বাড়ৈকে সাপে দংশন করে। তাকে মিটফোর্ট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্কুল পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ইউনুছ চাকলাদার জানান, বেশ কিছুদিন যাবত সাপের উপদ্রবে শিক্ষার্থীরা ঠিকমত স্কুলে আসছে না। এ পর্যন্ত ছোট-বড় ৫/৬টি সাপ মারা হলেও এখনও সাপের আনাগোনা বন্ধ হয়নি। তিনি জানান, বাহ্যিক দিক দিয়ে বিদ্যালয়ের ভবনটি সুন্দর দেখালেও আসলে এটি একটি পুরোনো জরাজীর্ণ ভবন। জরাজীর্ণ এই ভবনের কোণাকানছির গর্তে সাপের বাসা থাকতে পারে। আর ওই গর্তে সাপ বংশ বিস্তার করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অভিভাবকরা সাপ আতঙ্কে তাদের ছেলে মেয়েদের বিদ্যালয়ে পাঠাতে অনীহা প্রকাশ করছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বেলায়েত হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “বিদ্যালয়টি এর আগে কমিউনিটি স্কুল ছিল। বছরখানেক আগে এটিকে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে বিদ্যালয়ের একজন ছাত্র সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়েছে। বিদ্যালয়ের ভেতরে অনেক ইঁদুরের গর্ত রয়েছে। ঘটনা সরেজমিনে তদন্ত করতে একজন সহকারী শিক্ষা অফিসারকে মঙ্গলবার বিদ্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। আমি নিজেও ওই বিদ্যালয়টি পরিদর্শনে যাচ্ছি।”

জনকন্ঠ