শিমুলিয়া ঘাটে দুর্ভোগের শেষ নেই : ৬ কিমি জুড়ে যানযট

মাওয়ার স্থানাস্তরিত অস্থায়ী শিমুলিয়া ঘাটে আজ ও যানবাহন পরাপারের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা গেছে । সংযোগ সড়কে ইট সুরকি না ফেলে কাঁচা রাস্তা রেখে ঘাট চালু করায় এ সমস্যার সৃষ্টি হয়। এতে ফেরি লোড ও আনলোড গাড়ীগুলোকে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয়। এ সময় যাত্রী হয়রানি চরম আকার ধারণ করে। ফেরি ঘাটরে সংযোগ সড়কগুলো কাঁচা বালু দিয়ে তৈরী রাস্তা। এসময় ফেরি থেকে মাল বোঝাই ট্রাক বাস নামতে ও উঠতে গিয়ে বালুতে ফেসে য়ায়।

পরে ট্রাকের চাকা রেকার দিয়ে এসব ফেসে যাওয়া ট্রাককে টেনে তোলা হয়। ফেরিতে উঠার ঠিক আগের সংযোগ সড়কে এসব ট্রকাগুলো ফেসে গেলে অন্যান্য যানবাহন ফেরি থেকে নামতে পারছিলনা। একইভাবে ঘাট থেকে গাড়ীগুলো ফেরিতে উঠতে পারছিলনা। এতে যাত্রী বাহি বাস ও প্রাইভেট গাড়ীগুলোকে ঘন্টার পর ঘন্টা শিমুলিয়ার ঘাটে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। এসময় যাত্রী সাধারণ চরম দুর্ভোগের শিকার হন। এতে করে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয় তাদের। এসময় ফেরি অনলোডের অপেক্ষায় নদীতে ভাসতে থাকতে হয়। দুর্ভোগের যেন নেই শেষ।

২/৩ ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয় ফেরীতে উঠার জন্য । নতুন এই ঘাটে পায়খানা প্রসাব খানারও ব্যবস্থা এখন হয়নি। পাশের এক বাড়িতে একবার টয়লেট ব্যবহার সেরেছি।

বিআইডব্লিউটিসির এজিএম আশিকুজ্জামান জানান, আমারা তিনটি ফেরি ঘাট চালু করেছি। তবে ফেরির পল্টুনের সাথে সংযোগ সড়কটি কাঁচা থাকায় গাড়ীগুলো ফেসে গেলে ফেরিতে যানবাহন উঠা-নামায় মারাত্মক অসুবিধার সৃষ্টি হয়। তিনি বলেন, সাধারণত নতুন ঘাটে এমনটি হয়েই থাকে। তবে মাটি বসে গেলে তা ঠিক হয়ে যাবে।

এদিকে মাওয়া ঘাট শিমুরিয়ায় স্থানন্তর করায় মাওয়া চৌরাস্তা থেকে নতুন ঘাটের দিকে প্রায় ৩ কিমি সরু ব্যস্ত সড়ক যানজটের সৃষ্টি হয়। এ যানজটের পিছনে মূল কারণ ছিল রাস্তার দু’পাশের বড় বড় গাছ কাটা নিয়ে। রাস্তা বন্ধ করে মাওয়া-লৌহজং রাস্তাার দু’পাশে গাছ কাটাতে ঘন্টার পর ঘন্টা যাত্রীবাহি বাসগুলোকে এখানে অপেক্ষা করতে দেখা যায়।অন্য দিকে মাওয়া চৌরাস্তা থেকে শ্রীনগরের দিকে দোগাছী খানবাড়ী পযর্ন্ত প্রায় ৬ কিমি যানবাহন পারাপারের অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। অনেক যাত্রী ২/৩ কিমি পায়ে হেটে ঘাট এলাকায় আসতে দেখা গেছে। মাওয়ার পুরোনো ফেরি ঘাটে পদ্মা সেতুর একটি পিলার পড়েছে। পদ্মা সেতুর কাজের সুবিদার্থে মাওয়া ঘাটকে দ্রত সরিয়ে নেয়া ।

বিডিলাইভ

Comments are closed.