শিল্পায়ন-আবাসনের চাপে কুঁকড়ে গেছে কেরানীগঞ্জ

একদার দিগন্তজোড়া সবুজের ক্ষেতে এখন ঝুলছে অসংখ্য রিয়েল এস্টেট কোম্পানির সাইনবোর্ড
রাজন ভট্টাচার্য: এক সময়ে কেরানীগঞ্জের চারপাশ জুড়ে ছিল কৃষিজমি, খাল-বিল, নদী জলাভূমি আর ছোট-বড় ডোবা। এলাকার মানুষের জীবন-জীবিকা ছিল কৃষিনির্ভর। দিগন্ত জোড়া ছিল সোনালি ধান। উৎপাদনও ছিল ব্যাপক। পর্যাপ্ত জলাশয় থাকায় মাছের অভাব ছিল না। প্রায় ২০ বছরের ব্যবধানে বদলে গেছে এলাকার মানচিত্র। অপরিকল্পিত শিল্পায়ন, জমি দখল, হাজার গুণ অর্থের বিনিময়ে জায়গা বিক্রি, নদীভাঙ্গা মানুষের বসতিসহ নানা কারণে আশঙ্কাজনক হারে হ্রাস পেয়েছে জমি। এলাকায় রয়েছে অর্ধশতাধিকেরও বেশি বাড়ি নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের দৌরাত্ম্য। আছে শতাধিক জমির দালাল ও জালিয়াতি চক্রের বিশাল সিন্ডিকেট। যাদের কাজই হলো সাধারণ মানুষকে ভুলিয়ে ভালিয়ে জমি বিক্রীতে রাজি করানোসহ নানা কায়দায় জমি হাতিয়ে নেয়া। প্রতিবাদ করলে মামলা হয়। নয়তো হত্যার হুমকি। নদীর বুকেও ঝোলানো হয়েছে রিয়েল এস্টেট কোম্পানির অসংখ্য সাইনবোর্ড। রাজধানীর কাছাকাছি হওয়ায় গোটা কেরানীগঞ্জজুড়েই এখন জমি কেনা, দখল ও শিল্প-প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। অথচ জমি কেনা/অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে কোন আইনই মানা হচ্ছে না। এ সব বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনও নির্বিকার।

সব মিলিয়ে ধ্বংস হয়ে গেছে এলাকার জীববৈচিত্র্য। ভরাট হয়ে গেছে প্রায় ৭০ ভাগ জলাশয়। প্রায় ৫০ হাজার হেক্টর জমির মধ্যে কৃষিজমির পরিমাণ মাত্র সাড়ে ১৬ হাজার হেক্টর। এর মধ্যে অন্তত এক ভাগের বেশি বেহাত হয়ে গেছে। এছাড়া দুই হাজার ১০০ একর সরকারী খাস কৃষিজমিও পুরোটাই বেদখলে। সেতুই নদীর ১০ কিলোমিটার কৃষিজমি দখলে নিয়েছে স্থানীয় ভূমিদস্যুরা। বারোটি ইউনিয়নের গ্রামে গ্রামে এখন কৃষিজমি কেনার হিড়িক পড়েছে। এক সময়ে রাজধানীর চার ভাগের একভাগেরও বেশি সবজি ফলন হতো এ এলাকায়। তাও হ্রাস পেয়েছে। সঙ্গতকারণেই পেশা পরিবর্তন করছেন কৃষকরা। সব মিলিয়ে জমি, ফসল আর প্রকৃতির স্মৃতিচিহ্ন মুছে যাচ্ছে এলাকা থেকে। স্থানীয়দের আশঙ্কা এভাবে বেহাত হতে থাকলে আগামী পাঁচ বছর পর কেরানীগঞ্জ থানায় কৃষিজমির স্মৃতিচিহ্নও মুখে যাবে।

কৃষিজমি রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগ প্রসঙ্গে কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল বাশার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান জনকণ্ঠকে বলেন, উপজেলায় দুই হাজার ১০০ একর সরকারী খাস জমি রয়েছে। এর বেশিরভাগই ফসলি জমি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জরিপ শেষে সরকারী খাস জমি ইতোমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে। বেহাত হওয়া এসব জমি উদ্ধারে অভিযান চলমান। আশা করি, দ্রুত সময়ের মধ্যে দখল হওয়া সকল সরকারী খাস জমি উদ্ধার করতে পারব। সার্বিকভাবে কৃষিজমি কিভাবে রক্ষা করা যায় সে ব্যাপারেও প্রশাসন সচেষ্ট।

কেরানীগঞ্জ উপজেলা রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ডিটেইল্ড এরিয়া প্ল্যানের (ড্যাপ) আওতায় হলেও নতুন নতুন বসতি আর ভূমিদস্যুদের থাবায় এরই মধ্যে অধিকাংশ কৃষিজমি রূপান্তরিত হয়েছে আবাসিক ভূমিতে। বাদ যাচ্ছে না পতিত জমিও। প্রশাসনের নীরবতায় হাউজিং কোম্পানিগুলো বেপরোয়া। বাহারি নামে গড়ে ওঠা এ সব হাউজিং কোম্পানিগুলো একের পর এক জলাশয় ভরাট করছে। দখল করে নিচ্ছে সরকারী খাস জমি। আইন অমান্য করে জমি ভরাট ও অপরিকল্পিতভাবে বহুতল ভবন নির্মাণ করায় মাঝারি ভূমিকম্পে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

আবদুল্লাহপুরের হাজী আবদুল হান্নান শৈশব থেকে শুরু করে যৌবন শেষে এখন বয়সে বৃদ্ধ। ৭০ বছরের বেশি সময় কাটিয়েছেন কেরানীগঞ্জে। তিনি জনকণ্ঠকে বলেন, চোখের সামনে দেখলাম অনেক কিছু। এক সময়ে পুরো এলাকায় কৃষিপণ্য উৎপাদিত হতো। দেখলে দেখতে কেমন করে বদলে গেল সবকিছু। যেন ঘুমের পর সকাল হলো। চোখ মেলে দেখলাম সবকিছু পরিবর্তন আর পরিবর্তন। মুক্ত মাঠ, খোলা বাতাস, দিগন্তজোড়া সর্ষেক্ষেত কোন কিছুই এখন আর নেই। এখন পুরান দিনে ফিরে গেলে বিশ্বাস হয় না এক সময়ে জমিগুলোতে ধান হতো। নবান্ন উৎসবে মেতে উঠত এলাকার মানুষ। ফাঁকা জমিতে বসত মেলা।

উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, কেরানীগঞ্জ উপজেলায় মোট জমির পরিমাণ ৪১ হাজার ৩ শ’ ৪৭ একর। এর মধ্যে কৃষিজমির পরিমাণ- ১৬ হাজার ১ শ’ ৯৮ হেক্টর। পতিত জমি ৭ শ’ ৩৫ হেক্টর হলেও বর্তমানে কমে এসেছে কৃষিজমি। এক সময়ে যে জমিগুলোতে ফলত সোনালি ফসল এ এখন তা রূপ নিচ্ছে বহুতল ভবনে। এরই মধ্যে আবাদি জমি দখল করে সবুজ ছায়া, রাজউকের ঝিলমিল, বসুন্ধরা, জমিদার সিটি, আনোয়ার রিয়েল এস্টেট, সুমনা হাউজিং, স্টার পাস, নবধারা, কিংডম, নিরাপদ সিটি, নিউ ভিশন, সর্দার ডেভেলপ, প্রিয় প্রাঙ্গণসহ বিভিন্ন নামে গড়ে তোলা হয়েছে অর্ধ শতাধিক আবাসিক প্রকল্প।

এ বিষয়ে আলাপ কালে এলজিইডির সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী শেখ তুহিন জানান, ঢাকা জেলার এ উপজেলাটিকে সরকার ড্যাপের আওতায় নিলেও কেউ আইন মানছে না। সেই সঙ্গে নেই রাজউকের নজরদারি। যে কারণে বেপরোয়া আবাসিক কোম্পানিগুলো। বালু দিয়ে নিচু জমি ও জলাশয় ভরাট করে সেখানে স্থাপন করা হচ্ছে ঝুকিপূর্ণ বহুতল ভবন। এখনই যদি এ বিষয়ে নজর দেয়া না হয় তাহলে ভবিষতে দেখা দেবে চরম বিপর্যয়। মাঝারি ভূমিকম্পে ঘটতে পারে প্রাণনাশের ঘটনা।

ঢাকার অতি সন্নিকটে ও বুড়িগঙ্গায় একাধিক ব্রিজ হওয়ায় সকলের নজর কেরানীগঞ্জের দিকে। কেরানীগঞ্জে নতুন নতুন বসতিদের জমির চাহিদার কারণে অনেকেই বিভিন্ন ব্যবসা ছেড়ে ঝুঁকেছেন জমি ব্যবসার দিকে। এ ব্যবসা করে অনেকেই রাতারাতি অঙ্গুল ফুলে কলাগাছে রূপান্তরিত হলেও থেমে নেই জমি জালিয়াতি চক্র। এ চক্রটি একই জমি একাধিক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে লুটে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। প্রতারিতরা শেষ আশ্রয় হিসেবে ছুটছে থানায়। আগতদের অভিযোগ রেকর্ড না করে বিবাদী পক্ষকে ডেকে আনা হয় থানায়। থানার বড়কর্তা থেকে শুরু করে উপপরিদর্শকরা দিনের বেশির ভাগ সময় ব্যয় করেন জমিসংক্রান্ত বিচার সালিশে। যে কারণে এ উপজেলায় দেখা দিয়েছে আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি। বেড়েছে হত্যার ঘটনাও। যার বেশির ভাগই ঘটছে জমিসংক্রান্ত বিবাদের জের ধরে।

এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাহারি নামে গড়ে ওঠা এ সকল হাউজিং কোম্পানি জমি ক্রয় না মাসিক ভাড়ায় জমিতে সাইনবোর্ড লাগিয়ে তা গ্রাহকদের কাছে প্রতারণার মাধ্যমে প্লট বিক্রি করছে। প্রশাসনিক ঝামেলা এড়াতে অনেকেই রাজনৈতিক নেতা, প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তা ও কথিত সাংবাদিকদের বিনামূল্যে প্লটও দিয়েছে। ফলে হাউজিং কোম্পানিগুলোর বেশিরভাগ অপকর্মই থেকে যাচ্ছে অজানা।

বাসতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামসুল হক জনকণ্ঠকে বলেন, এলাকার সিতুই নদী কোন এক সময় সিংহের মতো গর্জন করত। স্বাধীনতার পর থেকে কতিপয় ভূমিদস্যু প্রভাব খাটিয়ে নদীর বুক পর্যন্ত দখল করতে শুরু করে। সরকারের নিয়ম নীতির কোন তোয়াক্কা করেন না তারা। বলতে গেলে নদীর বেশিরভাগ অংশই ছিল কৃষিজমি। নদীর তীরে ধান, পাট, আলুসহ বিভিন্ন রকম রবি শস্য উৎপাদন হতো। এখন প্রায় নদীয় ১০ কিলোমিটার জুড়ে নদীর জমির কোন স্মৃতিচিহ্ন নেই। বন্ধ হয়ে গেছে কৃষি উৎপাদন। নানা খাতে বেহাত হয়েছে বিশাল জমি। অথচ প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে।

শুভাঢ্যা ইউনিয়নের চরকুতুবপুর গ্রামের বাসিন্দা হাজী আবদুল করিম (৯০) জানান, ছোটবেলায় শুভাঢ্যার খরস্রোতা নদীতে গোসল করা, মাছ ধরার ইতিহাস মনে হলে কষ্ট হয়। অল্প সময়ের ব্যবধানে প্রাকৃতিক সবকিছুই বদলে গেছে। নগরায়নে প্রকৃতি চলে গেছে নাগালের বাইরে। এলাকার ধানক্ষেতে ঘুড়ি উড়ানো এখন স্বপ্ন। যেদিকেই তাকাই শুধুমাত্র দখল আর দখল। আগের মতো কিছু নেই। জমি নেই, জলা নেই, নদী নেই সবকিছুকে গলাটিপে যেন হত্যা করা হয়েছে। ধ্বংস হয়ে গেছে প্রকৃতি। এলাকার জলাশয় ধ্বংসের কারণে বিলুপ্ত হয়ে গেছে মাছ। কমেছে সবজি চাষ।

এলাকাবাসী জানিয়েছেন, ঢাকা মাওয়া সড়কের দুই পাশের রাস্তায় এখন আর এক ইঞ্চিও খালি জমি নেই। এক সময় রাস্তার দুই পাশের সবই ছিল কৃষিজমি। সিরাজদিখান, শ্রীনগর, লৌহজং, মুন্সীগঞ্জ রাস্তার পাশে এখন সাইনবোর্ড আর সাইনবোর্ড। রিয়েল এস্টেট, শিল্প কারখানাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে এসব জমি অকৃষিখাতে চলে গেছে। নির্মাণ করা হচ্ছে বহুতল ভবন। এক সময়ে কেরানীগঞ্জসহ আশপাশের এলাকায় এক হাজার ২০০ টাকা শতক জমি বিক্রি হতো। এখন প্রতিশতক জমি বিক্রি হচ্ছে ১০ লাখ টাকারও বেশি। চলমান অবস্থায় আগামী পাঁচ বছর পর কেরানীগঞ্জ জেলার আর কোন কৃষিজমি থাকবে না বলে মনে করেন এলাকাবাসী।

নদীভাঙ্গা মানুষের নীরব বসতি ॥ শিল্পায়ন ও নগরায়নের কারণে এ এলাকার জমি যেমন দখল হয়েছে তেমনি নদীভাঙ্গনের শিকার আশপাশের জেলার মানুষ আশ্রয় নিয়েছে কেরানীগঞ্জে। মূলত জমির দাম কম হওয়ায় সহজেই বসতি স্থাপন করেছেন তারা। এ সুযোগ কাজে লাগিয়েছে ভূমিহীন মানুষ। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, উপজেলায় ১২টি ইউনিয়ন রয়েছে। প্রায় ১০ লাখ মানুষের বসবাস উপজেলায়। রাজধানীর খুব কাছাকাছি হওয়ার কারণে দ্রুত সময়ে জমির খাত পরিবর্তন হয়, শিল্পায়নের কারণে। সেই খরস্রোতা পদ্মার করাল গ্রাসে ভিটেমাটি হারিয়েছে- শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ফরিদপুর, মুন্সীগঞ্জসহ আশপাশের জেলার মানুষ। তখন অল্প টাকায় জমি কিনে তারা এখানে বসতি স্থাপন করে। কেউবা খাস জমিতে বসবাস শুরু করে। পরে এসব জমি ভূমিহীন মানুষদের বন্দোবস্ত দেয়া হয়। ফলে কৃষিজমি কমে যায়। বসতিছাড়া বেশিরভাগ মানুষই কৃষিজমিতে বাস করতে শুরু করেন। কেরানীগঞ্জ শহরের কালীগঞ্জ বাজারে ১০ সহস্রাধিক শিল্প-কারখানা যেখানে গড়ে উঠেছে এক সময় তা ছিল কৃষিজমি। তাছাড়া দক্ষিণাঞ্চলের অনেক মানুষ এ উপজেলায় এসে স্থায়ীভাবে বসবাস করছে। তারা এখন শিল্প-কারখানার শ্রমিক।

কৃষকের পেশা বদল ॥ এ উপজেলায় ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে এখন শুভাঢ্যা, আগানগর, জিঞ্জিরাসহ আংশিক কালিন্দি ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি কৃষিজমি রয়েছে। গেল দুই থেকে তিন বছরে ইউনিয়ন পর্যায়ে ছড়াচ্ছে গার্মেন্ট। বলতে গেলে এ সব ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে এখন গার্মেন্ট শিল্প স্থাপনের জন্য রীতিমতো জমি কেনার প্রতিযোগিতা চলছে। বেশি অর্থ লাভের আশায় ভূমি মালিকরাও হাজার গুণ বেশি দামে জমি বিক্রি করছে। অথচ এ সব বিষয় দেখভালের কেউ নেই বললেই চলে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্যÑ এক সময় আসবে এলাকায় কোন কৃষিজমি দেখা যাবে না। বাজার থেকে কিনে এনে ধান দেখতে হবে। এছাড়া উপজেলার কাউলিয়া ও হযরতপুর ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি সবজি উৎপাদন হয়ে থাকে।

বলা হয়ে থাকে রাজধানীতে সবজির মোট চাহিদার চার ভাগের এক ভাগ আসে এ এলাকা থেকে। আলু, মুলা, টমেটো, বেগুন, ধনেপাতা, ডাঁটা, লাউ, নানা প্রজাতির শাক, চিচিঙ্গা, ঝিঙ্গা এমন কোন সবজি নেই যা কেরানীগঞ্জে উৎপাদন হয় না। কিন্তু দিন দিন কৃষিজমি কমায় সবজি উৎপাদনও কমছে। কমছে কৃষকের আয়। এককালীন জমি বিক্রি করে সবাই নিজেদের গুটিয়ে নিচ্ছেন। জমি বিক্রি হওয়ায় বদলে যাচ্ছে কৃষকের পেশা। স্থানীয় বাসিন্দা আলাউদ্দিন জানান, ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি এই এলাকা সবজির জন্য প্রসিদ্ধ। সময়ের কারণে কৃষিজমি কেনার হিড়িক পড়েছে। হচ্ছে শিল্পায়ন। দ্রুত বেহাত হচ্ছে কৃষিজমি। এক সময় মাঠে আর সবজির দেখা মিলবে না।

জনকন্ঠ

Comments are closed.