গ্রেপ্তারকৃত কানা সুমনসহ ৩ যুবক কারাগারে

পুলিশের সঙ্গে যুবলীগ সন্ত্রাসীদের গোলাগুলির ঘটনায় আটক ৩ সন্ত্রাসীর নামে পৃথক ৩টি মামলা হয়েছে। জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মহিউদ্দিন সমর্থক যুবলীগ সন্ত্রাসী সুমন ওরফে কানা সুমন, তার ভাই শাহীন ও জুয়েলসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জনকে আসামি করে বুধবার রাতেই ৩টি মামলা নথিভুক্ত হয় মুন্সীগঞ্জ সদর থানায়। পুলিশ এ্যাসল্ট মামলায় সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল খায়ের ফকির, মাদক ও অস্ত্র মামলায় এসআই শাহিদুল ইসলাম বাদী হন। এরমধ্যে কানা সুমনকে ৩টি, জুয়েলকে ২টি ও শাহীনকে ২টি মামলায় আসামি করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। এরমধ্যে কানা সুমনকে ৭দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। আদালতে বিলম্বে পাঠানোর কারণে তার রিমান্ড শুনানী হয়নি। আগামী রোববার এ রিমান্ড শুনানী হওয়ার কথা।

এদিকে, গ্রেপ্তারকৃত কানা সুমনের বিরুদ্ধে মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় আগের ৩টি মাদক, ১টি অস্ত্র, ১টি হত্যা, ১টি অপহরণ, ও ১টি দাঙ্গা-হাঙ্গামাসহ ৭টি ও বুধবার রাতে ৩টি মিলিয়ে মোট ১০টি মামলা রয়েছে।

সূত্র মতে, বুধবার বিকেল ৩টার দিকে শহরের গণকপাড়াস্থ মিলন ক্লাবের সামনে সদর থানা পুলিশের তালিকাভূক্ত সন্ত্রাসী কানা সুমনকে গ্রেপ্তারে অভিযানে নামে পুলিশ। এ সময় সন্ত্রাসী কানা সুমন ও তার বাহিনী পুলিশের উপর গুলি চালায়। এতে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়ে যায়। এতে পুলিশ কনস্টেবল জিয়াউর রহমান জিয়া গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ঘটনার সময় পুলিশ ও সন্ত্রাসীদের মধ্যে অর্ধশতাধিক রাউন্ড গুলিবিনিময় হয়। এতে গনকপাড়া এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ পর্যায়ক্রমে কানা সুমন, তার ভাই শাহীন ও জুয়েলকে গ্রেপ্তার করে।

তবে, সদর থানার ওসি আবুল খায়ের ফকির ৩ রাউন্ড পিস্তলের গুলি ছোঁড়ার কথা স্বীকার করেন। পুলিশ বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে দ্বিতীয় দফায় সন্ত্রাসী কানা সুমনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বন্দুকের ৯ রাউন্ড তাজা গুলি ও ৬শ’ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করে।

মুন্সীগঞ্জ বার্তা

Comments are closed.