‘মইনুল হোসেন স্থাপনাশিল্পের মাইলস্টোন’

‘আমার সঙ্গে তাঁর খুব একটা স্মৃতি নেই। তবে আমি তাকে বাংলাদেশের একজন কিংবদন্তীশিল্পী হিসেবেই জানতাম। কখনও কখনও তাকে বাংলাদেশের স্থাপনাশিল্পের মাইলস্টোনও হিসেবেই ভেবেছি।’

দ্য রিপোর্টের সঙ্গে ফোনালাপে সোমবার প্রয়াত স্থপতি মইনুল হোসেন সম্পর্কে এমন মূল্যায়ন করেন ভাস্কর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হামিদুজ্জামান খান।

তিনি বলেন, একদিন আমি তাকে বাসা থেকে নিয়ে আসতে গিয়েছিলাম। তিনি এসেছিলেনও। আশ্চর্যের ব্যাপার হলো সারাদিন তিনি আমার সঙ্গে থাকলেন কিন্তু তেমন কোনো কথা বলেননি। শুধু আমার সঙ্গে বললে ভুল হবে কারও সঙ্গেই তেমন কোনো কথা বলেননি। তিনি কথা কম বললেও তাঁর অপূর্ব সৃষ্টি জাতীয় স্মৃতিসৌধ’র জন্যেই তিনি আমার কাছে আইডল হয়ে আছেন এবং থাকবেন।

অধ্যাপক হামিদুজ্জামান খান আরও বলেন, তিনি নেই বলে খুব বেশি করে মনে পড়ছে সেই দিনগুলোর কথা। এরপর বিভিন্ন সময় আমি তার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু বরাবরের মতোই তিনি নীরব থেকেছেন। অনেকে তাকে নিভৃতচারী বলে মন্তব্য করেছেন। কেউ হয়তো ভেবেছেন অভিমানী। কিন্তু আমি একদিনেই তার সত্ত্বাকে যেভাবে দেখেছি তাতে মনে হয়েছে মইনুল হোসেন মানসিক সমস্যায় ভুগেছেন আমৃত্যু।

তিনি বলেন, হয়তো এর কারণেই যৌবনের প্রারম্ভে যিনি স্মৃতি সৌধ তৈরি করেছিলেন। পরবর্তীতে উল্লেখ করার মতো তেমন কিছু স্মৃষ্টি করতে পারেননি। তবে একজন মানুষের সবকিছুই তো আর আলোচিত-সমালেচিত হয় না। স্মৃতিসৌধের মতো স্থাপনা ক’জনই বা নির্মাণ করতে পারেন।

দ্য রিপোর্ট