আটকের ২২ ঘণ্টা পর ছাড়া পেলেন লাইটার জাহাজের ২৭ জাহাজ শ্রমিক

মুন্সীগঞ্জ সদরের ধলেশ্বরী নদী সংলগ্ন শাহা সিমেন্ট ঘাট থেকে লাইটার জাহাজের ২৭ শ্রমিককে আটক করে মুন্সীগঞ্জ সদর থানা পুলিশ। রজনীগন্ধা-২ লাইটার জাহাজের মাস্টার মিজানুর রহমান জানান, কর্ণফুলী-৫ এর ডাকাতির ঘটনায় নৌপথে চাঁদাবাজি ও শ্রমিকদের নিরাপত্তার দাবিতে সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট চলছে। এ ধর্মঘটের অংশ হিসেবে আমাদের কর্মবিরতি চলাকালে রোববার রাত সাড়ে ৯ টায় শাহা সিমেন্ট ঘাট থেকে জসিম ড্রাইভার ও সিরাজ ড্রাইভারসহ ২৭ শ্রমিককে আটক করে পুলিশ।

তিনি আরো জানান, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা আসার পথে হাতিয়া জেলার রামগতি উপজেলার বাতিরখাল, চর গজারিয়া, বরিশালের কালীগঞ্জসহ মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়ার মেঘনা বয়া ও ধলেশ্বরী নদীতে ঢোকার সময় জাহাজ ডাকাতের কবলে পরে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় শ্রমিক। কিন্তু প্রশাসন ডাকাত না ধরে শ্রমিক ধরে হয়রানি করছে।

বাংলাদেশ নৌযান ফেডারেশনের সদস্য (আটকৃত শ্রমিক) মো. সিরাজ ড্রাইভার জানান, গত রাতে আমাদের ধর্মঘট থাকায় চর মুক্তারপুর শাহ সিমেন্ট ফেক্টরির ঘাটে নোঙ্গর করা জাহাজে ট্রলার যোগে উঠার সময় পুলিশ আমাদের ২৭ জনকে আটক করে থানার নিয়ে আসে। মধ্য রাতে ১৩ জনকে ছেড়ে দিলেও সোমবার পর্যন্ত আমাকে সহ ১৪ জনকে থানা হাজতে আটকে রাখে।

এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের ফকিরের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি প্রাথমিক কিছু জানাতে পারেননি।

তবে, সদর থানার সেকেন্ড অফিসার সফিকুল ইসলাম জানান, শ্রমিকদের সন্দেহজনক ভাবে আটক করা হয়েছিলো তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

শীর্ষ নিউজ

Comments are closed.