মাওয়ায় মাদকের অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে যুবসমাজ

মাদকের নীল ডংসনে জরজরিত হয়ে পরেছে মাওয়ার যুব সমাজ। লৌহজংয়ের পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাদকের ভয়াল গ্রাস থেকে রক্ষার জোর প্রচেষ্ঠা চালানো হলে ও প্রশাসনের চোখের আরালে সর্বনাসা মাদক বিস্তার করেছেন এক শ্রেনীর অসাদু মানুষ লৌহজংয়ের সান্তিপূর্ণ সমাজের রন্ধে রন্ধে আজ ভয়াল মাদকের বিস্তার। মাঝে মাঝে দেখা যায়, কিছু নিদিষ্ট জায়গায় ফেনসিডিল সেবনকে উৎসবে পরিনত করেন মুন্সীগঞ্জ জেলা শহরেও মাওয়ায় সবচেয়ে বেশি মাদকে সেবনে আশক্ত হয়ে পড়েছে উঠতী বয়সের তরুন যুব সমাজ।

মুন্সীগঞ্জ সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় পার্শবতী এলাকা মাওয়া ঘাট থেকে খুব সহজেই ফেনসিডিল পার করে নিয়ে আসেন এক শ্রেনীর অসাধু ব্যবসায়ী। গত কয়েক মাসের প্রায়ই লৌহজং থানা পুলিশ মাদক বিরোধী অভিযানে মাদক সহ অনেক মাদকসেবী ও ব্যবসায়ীকে আটক করলেও মাদক নিয়ন্ত্রনে কোন আশানুরুপ ফল পাওয়া যাচ্ছে না। সূত্রে জানা যায় অনেক মাদকসেবীকে সেবনের সময় পুলিশ হাতে নাতে ধরে নিয়ে আসলেও পরে তারা বিত্তসালী ও ক্ষমতাধর ব্যক্তির সন্তান হওয়ায় খুব সহজেই পার পেয়ে যায়।

ইতিমধ্যে গত কয়েকমাস আগে র‌্যাব পুলিশের ধাওয়া পাল্টে ও কমছে না মাদকের বিস্তার লৌহজংয়ের মাওয়ার এলাকার মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বিভিন্ন গোপন সূত্রে জানা যায় মাদক ব্যবসায়ীরা প্রশাসনকে মান্তি টাকা দিয়ে থাকে মাওয়ার বিভিন্ন সিমান্ত দিয়ে প্রতি নিয়ত ভারতীয় ফেনসিডিল আসছে বলে সূত্রে জানা যায়। সুধু ফেনসিডিল নয় গাজা ইয়াবা হিরোইন নেসা জাতীয় ইনজেকসন গ্রহনেও আসক্ত হয়ে পরেছে মাওয়ার যুব সমাজ নাম প্রকাশ না করা শর্তে এক গাজা সেবন কারির সাথে কথা বলে জানা যায় প্রতি রাতে গাজা সেবন না করলে ঘুমই আসে না তার উঠতী বয়সের ছেলে দের হাতে দেখা যায় গাজা সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জমাদী ও নেশা জাতীয় ইনজেকসন ইদানিং লৌহজং থানা পুলিশ গাজা ফেনসিডিল ও প্যাথেডিন গ্রহন কারি দের ধরছে না বলে সেবন কারিদের থেকে জানা জায় মাঝে মধ্যে দুই এক জন আটক করে টাকা খেয়ে ছেরে দেয় পুলিশ মনে করছে ন্যসা সেবন কারিরা লৌহজং থানার তদন্ত অফিসারদের থেকে জানা জায় কে বা কাহারা নেসা সেবন কারিদের ধরছে টাকা নিচ্ছে অভি বাবকদের মোবাইলে ফোন করছে কিছুই জানি না তবে আমাদের কাজ হচ্ছে মাদক বিরোধী যে অভিজান চালাচ্ছি বা চলছে সামনে আর কঠোর চিন্তা নিয়ে মাঠে নামব মাদক বিরোধী যে সমাজ তা আমরা গড়ে তোলব এতে ক্রেতাদের চেয়ে বিত্রেতাদেরই ধড়ার চেষ্টা আমাদেরই বেশি চালাচ্ছি এ ব্যপারে পুলিশের পাশা পাশি সমাজের সচেতন মহলের সহযোগিতা কামনা করছি।

বিক্রমপুর চিত্র