পদ্মা সেতু নির্মাণে ভুটান থেকে উন্নতমানের পাথর আনা হবে

পদ্মা সেতু নির্মাণ কাজে ভুটানের উন্নতমানের পাথর ব্যবহার করা হবে। চলতি বছরের নভেম্বর মাসের শেষ দিকে ভুটান হতে পদ্মা সেতুতে ব্যবহার উপযোগি উন্নতমানের পাথর বুড়িমারীতে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই উন্নতমানের পাথর ভুটান হতে লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে আসবে। পরে রেলওয়ের মাধ্যমে পদ্মা সেতুর স্থলে পাথর পরিবহন করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এতে পরিবহন খরচ হ্রাস পাবে।সেই সাথে পাথর পরিবহন করে বাংলাদেশ রেলওয়ে শতশত কোটি টাকা রাজস্ব আয় করতে পারবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

বুড়িমারী স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, ভূটান হতে বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে পদ্মাসেতুর নির্মানের পাথর আনার উদ্যোগ নিয়েছে দেশের কয়েকজন ব্যবসায়ী। মেসার্স রহমান ট্রেডার্স নামের বুড়িমারীর জনৈক সিএন্ডএফ এজেন্টের মাধ্যমে এই পাথর আমদানী করা হবে।

ভূটানের পাথর উত্তরাঞ্চলের বুড়িমারী ও হিলি স্থল বন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করবে। এই পাথর পরিবহনের সকল সম্ভাবতা যাচাই করা হয়েছে। পাথর পরিবহনের ব্যয় হ্্রাস করতে ও একই সাথে বিপুল পরিমান পাথর পরিবহন করতে রেলওয়ের পরিবহন ব্যবস্থার উপর ব্যবসায়ীরা জোর দিয়েছে। এতে করে রেলওয়ে রেললাইন সার্বক্ষনিক সংস্কার করতে হবে। পাথর পরিবহন করে রেলওয়ে শতশত কোটি টাকা রাজস্ব আয় করতে পারবে।

বুড়িমারী রহমান সিএন্ডএফ এজেন্টের স্বত্বাধিকারী সায়েদ জানান, ভুটান হতে পদ্মা সেতু নির্মান করতে কয়েক কোটি টন উন্নতমানের পাথর (বোল্ডার) আমদানী হবে। বুড়িমারী স্থলবন্দর ও হিলি স্থলবন্দর দিয়ে এই পাথর আমদানী হবে । এই দু’ বন্দরে পাথর পরিবহনের কাজে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে রেলওয়ের পরিবহন ব্যবস্থাকে ব্যবহার করা হবে। রেলওয়ে পাথর পরিবহনে জনদূর্ভোগ কম হবে। পাথর পরিবহনের ব্যয়ও অনেক হ্রাস পাবে।

লালমনিরহাট রেলওয়ে বিভাগীয় ম্যানেজার বিএম মজুমদার জানান, লালমনিরহাট রেলওয়ে বিভাগ রেলপথে পাথর পরিবহনে র্দীঘদিনের অভিজ্ঞতা আছে। দেশের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে ব্যবহারের পাথর স্বাধীনতার ৪৩ বছররে বুড়িমারী দিয়ে আসছে।

বাসস

Comments are closed.