রেজিস্ট্রেশনবিহীন মোটরসাইকেলের ছড়াছড়ি : সিরাজদিখান

সুব্রত দাস রনক: সিরাজদিখান উপজেলায় দাপটের সঙ্গে চলছে রেজিস্ট্রেশনবিহীন মোটরসাইকেল। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখের সামনে এসব চলাচল করলেও কোনো পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে না। সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের লোকজনসহ সাংবাদিক, পুলিশ পরিচয় দানকারীরাও লাইসেন্সবিহীন মোটরসাইকেল ব্যবহার করে দাপটে বেড়াচ্ছেন। জানা যায়, মোটরসাইকেল এর নম্বর প্লেট এ নম্বর ব্যতীত অন্য কিছু লিখা নিষেধ সত্ত্বেও পুলিশ, সাংবাদিক, এফআর, লিখে বছরের পর বছর এভাবেই দাপটে বেড়াচ্ছেন উপজেলার সর্বত্রই। বেপরোয়াভাবে মোটরসাইকেল চালানোর কারণে প্রতিনিয়তই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন নিরীহ শিশু ও পথচারীরা।

এ ব্যাপারে এক পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গাড়ি নতুন অবস্থায় লাইসেন্স না করলে পরে বছর গুনে নির্ধারিত ফির চেয়ে বেশি জরিমানা দিয়ে লাইসেন্স করতে হয় বলে পরে আর কেউ গাড়ির লাইসেন্স করতে চায় না, এতে করে সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়। মাঝে মাঝে এসব নম্বরবিহীন মোটরসাইলের অভিযান পরিচালনা করলে রাস্তায় গাড়ির সংখ্যা কমে যায়, আবার অভিযান থেমে গেলে দাপট বেড়ে যায়। সরজমিন দেখা যায়, রাস্তায় যে পরিমাণ গাড়ি চলাচল করে তার ৭০ ভাগই নম্বরবিহীন। এ জন্য সরকার প্রাপ্ত রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

জীবনদ্বীপ ড্রাগ হাউজের মালিক অরুণ কুমার মন্ডল(দর্পণ)বলেন, অনেক নম্বরবিহীন মোটরসাইকেল আমাারর প্রতিষ্ঠানের সামনে পার্ক করে রাখে যার অধিকাংশের নম্বর নেই। নম্বরবিহীন এসব মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক করতে চলমান অভিযান অব্যাহত রেখে থানায় নিয়ে গাড়ি আটকিয়ে রেজিস্ট্রেশনের টাকা জমার রশিদ দেখানোর পর গাড়ি ফেরত দিলে সরকার তার প্রাপ্ত রাজস্ব পেয়ে যেতো।

এ ব্যাপারে সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি প্রশাসন) আবুল বাসার জানায়; রেজিস্ট্রেশনবিহীন গাড়ি আটক করলে অনেকেই তদবির করে নিয়ে যায়, তথাপি বিষয়টি আমরা ভেবে দেখছি। গত পবিত্র ঈদের জন্য অভিযান কিছুটা শিথিল করা হয়েছিল এখন থেকে আবার নম্বরবিহীন এসব গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ফেছবুক প্রোফাইল থেকে

Comments are closed.