পদ্মা পাড়ির বিশ মিনিট এবং পিনাক-৬-এর ভূত

অজয় দাশগুপ্তঃ বরিশালের গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড থেকে ১৫ অক্টোবর দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে বিআরটিসি বাসে কাওড়াকান্দি ফেরিঘাটের পথে রওনা হই। পাশের আসনের যাত্রী আগৈলঝাড়া উপজেলার অফিসার ইনচার্জ সাজ্জাদ হোসেন। ইতিমধ্যে জাতিসংঘ মিশনে চৌকস অফিসার হিসেবে সাফল্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে এসেছেন। গৌরনদী দই-রসগোল্লার জন্য বিখ্যাত। ঢাকাগামী অনেক যাত্রী এখান থেকে এ দুটি উপাদেয় খাবার কিনতে আগ্রহী থাকেন। ফলে বাসস্ট্যান্ডে কিছুটা বাড়তি সময় বাসগুলো অবস্থান করে। আমাদের বাসটি কাওড়াকান্দি ফেরিঘাটে পেঁৗছে যায় দুই ঘণ্টারও কম সময়ে। স্পিডবোটে পদ্মা পাড়ি দেব, এটাই ঠিক ছিল। বর্ষা মৌসুম চলে যাওয়ায় এখন প্রমত্ত পদ্মা নদী অনেকটাই শান্ত। স্পিডবোটটিতে যাত্রী নেওয়া হয় ২৬ জন, কাউকেই লাইফ জ্যাকেট দেওয়া হয়নি। তবে একজন চেয়ে নিলেন।

বোটের চালক সবে কৈশোর অতিক্রম করেছে। একাধিক স্থূলকায় যাত্রী বোটের একদিকে বসায় তার ক্ষোভের প্রকাশ ঘটল একাধিকবার। যাত্রীরা গায়ে গায়ে লেপ্টে বসা। নড়েচড়ে বসার উপায় নেই। পদ্মার বুকে স্পিডবোটের ছড়াছড়ি। যাত্রীদের ওঠানামার জন্য কোনো ঘাট নেই। পা ফস্কালেই পদ্মার বুকে পড়ে যেতে হবে। শাড়ি পরা নারীও কেবল সময় বাঁচানোর জন্য ‘সময়ের চেয়ে জীবনের মূল্য বেশি’ প্রবাদকে উপেক্ষা করেন। আমাদের বহন করা বোটটি ২টা ৪০ মিনিটে কাওড়াকান্দি ছেড়ে যায় ঢাকার দিকের নদীতীর মাওয়ার উদ্দেশে, পেঁৗছায় ঠিক ২০ মিনিট পর। ঈদুল ফিতরের পর ৩ আগস্ট এই পদ্মায় ডুবে গিয়েছিল অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করা পিনাক-৬ নামের ছোট লঞ্চটি। সে স্থানটি অতিক্রমের সময় একাধিক যাত্রী ওই বিপর্যয়ের কথা স্মরণ করেন। কোথায় হারিয়ে গেল নৌযানটি! সলিলসমাধির ঘণ্টাখানেক আগেই যে তিনটি বোন মোবাইলে ছবি পাঠিয়েছিল রিকশাভ্যান থেকে, তারা এখন কেবলই দীর্ঘশ্বাসে স্মরণ হয়। কী যে কষ্ট স্বজনদের!

পদ্মার দুই তীরে এবং আশপাশের অনেক স্থানে পাথর, বালুসহ নির্মাণসামগ্রীর স্তূপ দেখা গেল। তাহলে স্বপ্নের সেতুটি হচ্ছেই? স্পিডবোটে থাকা যাত্রীদের বিস্ময়ের শেষ নেই। আমরা পদ্মা অতিক্রম করে যাই ২০ মিনিটে। পিনাক-৬ ডুবে যাওয়ার পর লঞ্চ-স্পিডবোটে চলাচল নিয়ে শঙ্কা বেড়েছে। আকাশে মেঘ দেখলেই শঙ্কা জাগে কী জানি কী হয়। তারপরও লঞ্চে যাত্রীদের ভিড় লেগে আছে।

ঢাকা থেকে বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা প্রভৃতি জেলার কয়েক কোটি মানুষের যাতায়াতে পদ্মা-মেঘনা পাড়ি দিতেই হবে। লঞ্চে সরাসরি যাওয়া যায় এসব জেলায়। সময় লাগে ৭-৮ ঘণ্টা। সড়কপথে যেতে হলে আরিচা-দৌলতদিয়া কিংবা মাওয়া-কাওড়াকান্দি রুটে ফেরিতে যেতে হবে। সময় লাগে ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা। ফেরিঘাটে ভিড় থাকলে আরও বেশি। গৌরনদী-আগৈলঝাড়া আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ বললেন তার নিজের অভিজ্ঞতা এভাবে_ ঢাকায় আওয়ামী লীগ কার্যনির্বাহী সংসদের জরুরি সভা। সেখানে সিদ্ধান্ত হবে আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর মন্ত্রিসভা থেকে অপসারণ এবং দল থেকে বাদ দেওয়ার বিষয়ে। স্থানীয় সরকার বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তিনি সভাপতি। এ কমিটির সভা রয়েছে সংসদ ভবনে। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সভাতেও অংশ নিতে হবে।

মুক্তিযোদ্ধাদের বিষয়ে এখন অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত এ সংস্থার নিতে হয়। কিছু স্বার্থান্বেষী লোক (যাদের মধ্যে সরকারের সচিবসহ গুরুত্বপূর্ণ কিছু কর্মকর্তাও রয়েছেন) মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সরকারের দেওয়া সুবিধা অন্যায়ভাবে ভোগ করার জন্য নিজেদের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দেখিয়েছেন এবং বাগিয়ে নিয়েছেন সনদ। আরও কয়েক হাজার ব্যক্তি রয়েছেন সন্দেহের তালিকায়, যারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে নানাভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা করেছেন। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞায় ঠিক পড়েন না। তিনি বলেন, ‘আমাকে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকা যেতে হবে, কিন্তু টেলিভিশনের পর্দায় দেখানো ব্রেকিং নিউজে বারবার জানানো হচ্ছে_ দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার জন্য ফেরি চলাচল বন্ধ। স্পিডবোট চলছে না। রাতে নৌযান চলার নিশ্চয়তা নেই। তাহলে জরুরি প্রয়োজনে বরিশাল বা দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলো থেকে ঢাকা কী করে যাব?’ প্রকৃতি কখন পুরোপুরি শান্ত হবে, কখন বিপদসংকেত উঠে যাবে তার জন্য আর কতকাল অপেক্ষায় থাকতে হবে? বাংলাদেশের এ অঞ্চলটি শস্যভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত। সমুদ্রতীরের কুয়াকাটা পর্যটনের জন্য আকর্ষণীয়। দেশের তৃতীয় সমুদ্রবন্দর গড়ে উঠছে পটুয়াখালীতে। নদী-সমুদ্রে মাছের জোগান মেলে অঢেল। বরিশাল ইলিশ মাছের বড় পাইকারি বাজার। স্বরূপকাঠির কুড়িয়ানায় মিষ্টি পেয়ারার সমারোহ। কিন্তু যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না হওয়া এবং সংরক্ষণ সুবিধা না থাকায় চাষিরা ‘ঢাকার কেজির দরে এক মণ পেয়ারা’ বিক্রি করে দিতে বাধ্য হন।

এসব প্রশ্ন তো দক্ষিণাঞ্চলের কয়েক কোটি মানুষের। তারা যেন একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপের বাসিন্দা। প্রাকৃতিক দুর্যোগ বারবার সেখানে হানা দেয়। ২০০৭ সালের সিডরের ক্ষত এখনও শুকায়নি। তারপর হানা দিয়েছে আইলা। কয়েকদিন আগে নতুন শঙ্কা হয়ে এসেছিল_ হুদহুদ। সবার মনে ভয়_ ফের প্রকৃতির রোষের শিকার হতে হবে না তো? ঝড়-বন্যা হলে ত্রাণসামগ্রী সহজে নিয়ে আসা যায় না।

বরিশালের সঙ্গে রেলপথ নেই। বিমান বাংলাদেশের সার্ভিস নেই। প্রাইভেট বিমান সার্ভিস অনিয়মিত। প্রকৃতি রুষ্ট হলে লঞ্চ-স্টিমার-ফেরি চলাচল দিনের পর দিন বন্ধ থাকে। স্বাভাবিক সময়েও সড়কপথে আরিচা ও মাওয়া ফেরিঘাটে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন পড়ে। দুই ঈদের লম্বা ছুটিতে ফেরিতে ওঠার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। এ সময়ে কেউ চাইলেও ফেরিঘাটে টয়লেট ব্যবহার করতে পারে না। কারণ, এমন সুবিধাই নেই। ঝড়-বৃষ্টি এলে ফেরিঘাটে নিরাপদ আশ্রয়ের সামান্যতম ব্যবস্থাও নেই। এই কি তবে দক্ষিণাঞ্চলের জনগণের নিয়তি?

১৫ অক্টোবর বরিশালের গৌরনদী থেকে ঢাকার গুলিস্তানে এসেছি মাত্র তিন ঘণ্টায়। গুলশান এক নম্বরে পেঁৗছেছি চার ঘণ্টারও কম সময়ে। এর পেছনে ম্যাজিক একটাই_ ফেরির পরিবর্তে স্পিডবোটে পদ্মা নদী অতিক্রম করা। তবে এ পথে চরম ঝুঁকি রয়েছে। পিনাক-৬ বিপর্যয়ের ভূত সর্বদা আমাদের তাড়া করে বেড়ায়। বাংলাদেশের একাধিক স্থানের সড়কপথে প্রতিদিন দুর্ঘটনা ঘটে। এতে মৃত্যু হয়, আহত হয়। সে তুলনায় নৌপথ অনেক নিরাপদ। যাত্রী ও মালামাল পরিবহনের জন্য ভাড়াও কম পড়ে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সচিবালয়ে শিপিং মিনিস্ট্রির কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠককালে সংশ্লিষ্ট সবার কাছে নদীপথ নিরাপদ করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি বলেন, ভৌগোলিক কারণে নদীপথ বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বুড়িগঙ্গা, কর্ণফুলী, সুরমা, কুশিয়ারা প্রভৃতি নদীতে যেন শহরের বর্জ্য ফেলা না হয়, সেটা নিশ্চিত করার কথা বলেন। বুড়িগঙ্গায় দূষণ ও দুর্গন্ধের প্রসঙ্গ তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।

আমরা নদ-নদীগুলোকে মরতে দিতে পারি না। বহু বছর কিছু লোকের মনে হয়েছে_ নদী শুকালে বা মরলেই লাভ। তাতে চর জাগে। কিছু লোকের থাকার ব্যবস্থা হয়। অনেক চরে লাঠিয়ালের কদর হয়। কিন্তু এখন আমাদের উপলব্ধি জোরালো হচ্ছে_ পরিবেশ রক্ষা, সেচের পানি, নৌযান চলাচল এবং মাছ চাষসহ আর কত কাজেই না নদ-নদীর প্রয়োজন। পানির এ প্রবাহ হ্রাস পেলে কিংবা শুকিয়ে গেলে বাংলাদেশের কী ভয়াবহ পরিণতি হবে, ভাবতেও শিউরে উঠতে হয়। এতে দক্ষিণাঞ্চলের ক্ষতি হবে সবচেয়ে বেশি। নদীপথ নিরাপদ না হওয়ায় আমাদের দুই-তিন ঘণ্টার পথ অতিক্রম করতে কয়েক গুণ বেশি সময় লাগে। পদ্মার বুকে যদি সেতু গড়ে ওঠে, তাতে যদি মোটরগাড়ির পাশাপাশি রেলগাড়ি চলাচলের ব্যবস্থা থাকে, তাহলে অনেকে গ্রামে থেকেও প্রতিদিন ঢাকায় অফিস করতে পারবেন। উপযুক্ত যানবাহনের ব্যবস্থা হলে যাতায়াতে লাগবে ৫-৬ ঘণ্টা। ঢাকার আশপাশের গাজীপুর-মানিকগঞ্জ থেকেও অনেকে প্রতিদিন ঢাকায় অফিস করেন। বরিশাল অঞ্চল থেকেও সেটা করায় সমস্যা হবে না, যদি পদ্মায় সেতু নির্মিত হয়। এ সেতুপথে মোটর ও রেলগাড়িতে বঙ্গবন্ধুর সমাধি এবং তার টুঙ্গিপাড়ার বাড়ি তখন শুধু ঢাকা নয়, অনেক জেলার মানুষের কাছে বাড়ির কাছের স্থানে পরিণত হবে। ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ, মাগুরা, ঝিনাইদহ এবং যশোর-খুলনা তখন পরিণত হবে ‘ঢাকার উপকণ্ঠে’। গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর এবং পশ্চিমবঙ্গে যাওয়ার প্রধান চেকপোস্ট বেনাপোল পরিণত হবে ‘ঘর হতে দুই পা ফেলিয়া’-এর মতো স্থানে।

বরিশাল অঞ্চলের শিল্পায়নের পথেও বাধা এই ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াত-যোগাযোগ ব্যবস্থা। ওই এলাকার একাধিক বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতা মনে করেন, ক্রমাগত অবহেলিত থাকায় তাদের মনে বঞ্চনাবোধ প্রবল। উন্নয়নের মূলধারা থেকে যেন বিচ্ছিন্ন তারা। বরিশাল বিমানবন্দরটি পূর্ণাঙ্গরূপে চালুর জন্য কত দেনদরবার করা হয়েছে। এ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বেও রয়েছেন বরিশালের সুপরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব রাশেদ খান মেনন। কিন্তু কাজে অগ্রগতি দৃশ্যমান নয়। এ অঞ্চলের মানুষকে একটি বিশ্ববিদ্যালয় পেতে কত বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। এখনও এটির হাঁটি হাঁটি পা পা অবস্থা চলছে। অথচ শিক্ষার হারে বাংলাদেশের মধ্যে এ অঞ্চলটিই এগিয়ে।

প্রধানমন্ত্রী নদী খননের কথা বলেছেন গুরুত্ব দিয়ে। নদী খনন যে হয় না, সেটা বলা যাবে না। মাওয়া ও আরিচায় পদ্মার বুকে দেখবেন ডেজিং কাজ চলছে প্রায় বছরজুড়ে। এ জন্য সরকারি অর্থের বরাদ্দও মিলছে। কিন্তু বাস্তবে কী কাজ হচ্ছে? ১২ অক্টোবর একটি নতুন ফেরিতে মাওয়া থেকে কাওড়াকান্দি যাই। সময় লাগে মাত্র এক ঘণ্টা ১৫ মিনিট। নদীর মধ্যেই অনেক চর। তাতে কাশফুলের সমারোহ দেখে প্রাণ জুড়িয়ে যায়। একাধিক ড্রেজার সেখানে খননকাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ফেরির এক কর্মী জানালেন, ‘এর অনেকটাই লোক দেখানো। প্রকৃতপক্ষে নদী কাটা হয় আবার কাটানোর জন্য।’ তিনি একটা গল্প শোনালেন, যা অনেকের অনেকবার শোনা। গল্পটা এরূপ :একটি পুকুর কাটা হলো জনদাবির কারণে। বলা হলো, মানুষের খাবার পানির বড় কষ্ট এবং তা দূর করতেই হবে। ‘পুকুর কাটা’ শেষে বিল পাস হলো এবং টাকা তুলে নেওয়া হলো যথারীতি। কিন্তু বাস্তবে একটি কোদালের কোপও সেখানে পড়েনি। অথচ সরকারি নথিতে সেখানে রয়েছে গভীর পুকুর। একদিন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কাছে আরেকটি আবেদন এলো_ পুকুরে এক শ্রমিকের ছেলে ডুবে মারা গেছে। শ্রমিকরা ক্ষেপে আছে। তারা এ পুকুর আর দেখতে চায় না। সরকার যদি জরুরি ভিত্তিতে পুকুরটি ভরাট না করে, তাহলে যে কোনো সময় বিপদ ঘটে যেতে পারে। অতএব, দেরি না করে পুকুরটি ভরাট করা দরকার।

এমন জনগুরুত্বপূর্ণসম্পন্ন প্রকল্প কি ফেলে রাখা যায়? দ্রুত সভা হলো বড় কর্তাদের এবং প্রকল্প উপস্থাপন ও পাস হলো। কাজ শেষ হওয়ার পর বিল পেশ ও পাস হয়ে টাকাও তুলে নেওয়া হলো। ‘পুকুরটি’ ভরাট হয়ে গেল এবং আর কোনো শ্রমিকের সেখানে ডুবে যাওয়ার শঙ্কা রইল না। জনবিক্ষোভের সম্ভাবনাও তিরোহিত। আর এ প্রক্রিয়ায় কিছু লোকের হাতে জমা পড়ল অনেক টাকা। যমুনা-পদ্মা-মেঘনায় পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখা এবং ফেরি ও লঞ্চ-স্টিমার চলাচল নির্বিঘ্ন রাখার জন্য নদী খনন করা হয় যে ফের কাটার জন্য!

সমকাল

Comments are closed.