মুক্তারপুরে শিশুপুত্র খুনের দায়ে বাবা গ্রেফতার

শিশুপুত্র ছাওয়াদ দেওয়ানকে (৬) খুনের ঘটনায় বাবা জুলহাস দেওয়ানকে (৩৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জেলার সদর থানা পুলিশ বুধবার রাত ৭টার দিকে নারায়ণগঞ্জের কয়লাঘাট এলাকার একটি ডোবা থেকে শিশুপুত্রের লাশ উদ্ধার করে।

মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের ফকির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শহরের উপকণ্ঠ মুক্তারপুর এলাকার বাসিন্দা জুলহাস সোমবার বিকেলে ঢাকায় চিকিৎসার কথা বলে শিশুপুত্র ছাওয়াদকে বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। ওই দিন রাতে ঢাকার গুলিস্তানে পৌঁছে শিশুপুত্র ছাওয়াদকে হারিয়ে ফেলেছে বলে বাবা জুলহাস মোবাইল ফোনে স্ত্রী তানিয়াকে জানায়। রাতেই ঢাকার পল্টন থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন জুলহাসের শ্বশুর আলী হোসেন।

এদিকে, স্বামী জুলহাসের প্রতি সন্দেহ প্রকট হওয়ায় বুধবার বিকেলে ৫টার দিকে স্ত্রী তানিয়ার স্বজনেরা জুলহাসকে সদর থানা পুলিশের হাতে তুলে দেন। থানা হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদে বাবা জুলহাস দেওয়ান শিশুপুত্রকে হত্যা করে লাশ গুমের কথা স্বীকার করে।

পরে জুলহাসকে সঙ্গে নিয়ে নারায়ণগঞ্জের কয়লাঘাট এলাকায় গিয়ে সদর থানা পুলিশ ছাওয়াদের লাশ উদ্ধার করে।

দ্য রিপোর্ট
=======

শিশুকে গলাটিপে হত্যা করলো পিতা

মুন্সীগঞ্জের পঞ্চসার ইউনিয়নের চরমুক্তারপুর এলাকার শিশু ছাওয়াদ দেওয়ান (৬) কে গলাটিপে হত্যা করেছে পাষণ্ড পিতা জুলহাস দেওয়ান (৩৫)।

পুলিশ জানায়, পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে জুলহাস দেওয়ানকে বিকেল ৫টায় সদর থানায় নিয়ে আসা হয়। এর পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রাথমিকভাবে হত্যার কথা স্বীকার করে। এবং তার তথ্য অনুযায়ী নিহত শিশু ছাওয়াদের মৃতদেহ বুধবার সন্ধ্যা সোয়া ৬ টার দিকে নারায়ণগঞ্জের কয়লাঘাট এলাকার একটি মুরগী ফার্মের কাছে ডোবা থেকে উদ্ধার করে নৌফাঁড়ি পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদে পাষণ্ড পিতা জুলহাস দেওয়ান জানান, আমার কিডনি দুটিই নষ্ট হয়ে গেছে, আমি প্রায়ই অসুস্থ থাকি। তাই আমার স্ত্রী এক ছেলের সাথে পরকীয়ায় লিপ্ত হয়ে যায়। এবং আমি তা জানায় সে আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে।

তাই পুত্রকে ঢাকায় চিকিৎসার কথা বলে সোমবার বাড়ি থেকে নিয়ে যাই এবং নারায়ণগঞ্জ সদরের কয়লাঘাট এলাকার এক নির্জন জায়গায় নিয়ে গলাটিপে হত্যা করি।

মুন্সীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের ফকির জানান, শিশুটির মৃতদেহ সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের কয়লাঘাট এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। শিশুর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো পক্রিয়া চলছে।

এ বিষয়ে একটি হত্যা মামলা রুজু করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

শীর্ষ নিউজ

Comments are closed.