নিউ ইয়র্কে ৩১ বছর পর কবি শহীদ কাদরীর সঙ্গে মিলন

দীর্ঘ ৩১ বছর পর বাংলাদেশের প্রখ্যাত প্রবাসী কবি শহীদ কাদরীর সঙ্গে দেখা হলো নন্দিত কথা সাহিত্যিক ও কালের কণ্ঠের সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলনের। গত শনিবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কস্থ সাহিত্য একাডেমি আয়োজিত প্রবাসী প্রবাসের পঙক্তিমালা কবিতা আবৃত্তির সিডির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে দুইজনের দেখা হয়। প্রথম দেখাতেই দুইজনই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

স্থানীয় জামাইকার একটি হলরুমে অনুষ্ঠিত প্রবাসী আবৃত্তিকার গোপন সাহার প্রবাসের পঙক্তিমালার সিডির মোড়ক উন্মোচন করেন কবি শহীদ কাদরী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নন্দিত কথা সাহিত্যিক ও কালের কণ্ঠের সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, সাপ্তাহিক বাঙালির সম্পাদক কৌশিক আহমেদ, গোলাম সারোয়ার হারুন, আবৃত্তিকার জিএইচ আরজু, মঞ্জুর কাদের ও নীরা কাদরী। নিউ ইয়র্কের সাহিত্য একাডেমির পরিচালক মোশারফ হোসেনের পরিচালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে আবৃত্তিকার গোপন সাহার জীবনী পাঠ করেন ক্লারা রোজারিও। প্রচুর সংখ্যক প্রবাসী সাহিত্যপ্রেমী ও সাংস্কৃতিক কর্মিরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।


বিশেষ অতিথি নন্দিত কথা সাহিত্যিক ও কালের কণ্ঠের সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন বলেন, কবি শহীদ কাদরী আমার বন্ধু। দীর্ঘ ৩১ বছর পর নিউ ইয়র্কে হঠাৎ করে এভাবে দেখা হওয়ায় আমি সত্যিই খুব আনন্দিত। কবি শহীদ কাদরীর সাথে তাঁর দীর্ঘদিনের নানা স্মৃতিচারণ করেন। তিনি বলেন, কবি শহীদ কাদরী আমাদের বাংলাদেশে অহংকার। প্রবাসে এমন একজন বিখ্যাত মানুষের পাশে বসার সুযোগ পেয়ে তিনি নিজেকে ধন্য মনে করেন।

নন্দিত কথা সাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন আরও বলেন, কবি শহীদ কাদরীর কবিতার মতো করে যদি দুইলাইনের কোন কবিতা লিখতে পারতেন তাহলে নিজেকে ধন্য মনে করতেন। কবির সম্পর্কে নানা স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে এক পর্যায়ে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। উদীয়মান তরুণ আবৃত্তিকার গোপন সাহার সিডির মোড়ক উন্মোচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অনুষ্ঠানে বসেই তাঁর একটি কবিতার আবৃত্তি শুনে মনে হয়েছে গোপন সাহা একজন ভালো মানের আবৃত্তিকার। তাঁর কণ্ঠে যেন জাদু রয়েছে। তিনি তাঁর ব্যতিক্রম নামের প্রশংসা করে বলেন, গোপন নামটি তিনি এই প্রথম শুনেছেন। তিনি উদীয়মান আবৃত্তিকার গোপন সাহার জীবনের সফলতা কামনা করেন।

কালের কন্ঠ

Comments are closed.