মাওয়ায় রাতের আধারেও চলছে লঞ্চ!

mawa tjঅতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন আবার ভয়বহ দুর্ঘটনার আশঙ্কা
নির্দেশ অমান্য করে উওাল পদ্মায় রাতের আধারে মাওয়া-কাওরাকান্দি নৌ-রুটে চলছে যাত্রীবাহি লঞ্চ। এতে যে কোন সময়ে ঘটে যেতে পারে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। মাওয়া-কাওরাকান্দি রুটের লঞ্চগুলোর বিআইডবিঊটিএ দেয়া সময়সূচি রয়েছে সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টা পযন্ত। কিন্তুু এ আদেশ আমান্য করে এক শ্রেণির আতিলোভি লঞ্চ মালিক ও চালকরা জনগনের জানমালের কথা চিন্তা না করে ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে রাতের আধারেই চালাচ্ছে লঞ্চগুলো।

মঙ্গলবার রাত ৭টায় মাওয়া লঞ্চ ঘাটে গিয়ে দেখা যায় পিন্সেস নামের একটি লঞ্চ ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে কাওড়াকান্দির উদ্যেশে ছেড়ে যাচ্ছে। জনি এক্সপ্রেস নামের আরেকটি লঞ্চ যাত্রী উঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। সে সময়ে লঞ্চ সংশ্লিষ্ট একজনের কাছে রাতে লঞ্চ চলাচলের ব্যাপারে জানতে চাইলে বলেন, এই লঞ্চে ওপারে ট্রিপ আছে খালি চালিয়ে যাবে তাই যাত্রী নিয়ে যাচ্ছে।

অপর দিকে মাওয়া পরিবহন লঞ্চ ঘাটে গিয়ে দেখা যায় ৩টি পরিবহনের যাত্রী নিয়ে সুতার পারা নামের লঞ্চটি মাওয়া ঘাট থেকে কাওড়াকান্দির উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। এ সময়ে সুপারভাইজার বাদলের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, এটাই পরিবহনের শেষ লঞ্চ। তাই যাত্রী বেশি। এদিকে এল আমজাত, এভভি ঐশ্বী খান, এমএল শাওন ও এভভি জুবলী অতিরিক্ত যাত্রী বহন করছিল। লঞ্চ চারটিতে তিল ধারণে জায়গা ছিল না।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্টরা জানান, পিনাক-৬ দুর্ঘটনার পরও টনক নড়েনি অর্থলোভী লঞ্চ মালিকদের। সর্তক না হলে যে কোন সময় পিনাক-৬ এর পরিনতি ঘটতে পারে। এ ব্যাপারে মাওয়া ঘাটের বিআইডবিঊটিএর ট্রাফিক ইনসপেক্টর রিয়াদ হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় লঞ্চের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়ে চলে যাই। এর পরে যদি লঞ্চ মালিকরা লঞ্চ চালায় তবে আমার কি করার আছে। তবে আমি বিষয়টি দেখবো।

মুন্সিগঞ্জেরকাগজ

Comments are closed.