মাওয়ায় পারাপারের অপেক্ষায় ৫ শতাধিক যানবাহন

gaz041014মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটের উভয়পাড়ে পারাপারের অপেক্ষায় ৫ শতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে আছে। শনিবার ভোর থেকে ঈদে ঘরমুখী মানুষদের প্রাইভেটকারসহ ছোট ছোট যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিস্থিতি সারিবদ্ধ যানজটের রূপ ধারণ করেছে।

নৌরুটের মাওয়া চৌরাস্তা ছাড়িয়ে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন এখন ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের সমষপুর পর্যন্ত বিস্তৃতি লাভ করেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মাওয়া প্রান্তে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার ঘরমুখো যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

শনিবার ভোর থেকেই বাসসহ অন্যান্য যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় আটকা পড়ায় শত শত যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েছেন।

মাওয়া নৌ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) খন্দকার খালিদ হোসেন জানান, শনিবার সকাল থেকেই ঈদ ও পূজার ছুটিতে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে মাওয়া ঘাটে। প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাসসহ ৫ শতাধিক যানবাহন এখন পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে।
gaz041014
এছাড়া ঢাকা থেকে আসা দক্ষিণাঞ্চলগামী নতুন নতুন গাড়ি যুক্ত হওয়ায় মাওয়া প্রান্তে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া কাওড়াকান্দি প্রান্তেও কয়েক শতাধিক যানবাহন আটকা পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়স্ত্রণ করতে পুলিশের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, ঈদ ও পূজার ছুটিতে ঘরমুখো মানুষের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় ও ফেরি পারাপারে বিলম্ব হওয়ায় পারাপারের অপেক্ষায় আটকা পড়ে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের সারিবদ্ধ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

বিআইডব্লিউটিসির মাওয়া কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক সিরাজুল হক জানান, ঈদ আর পূজার ছুটিতে মাওয়ায় যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও, পদ্মা পাড়ি দিতে ফেরিগুলোর দেড় থেকে দুই ঘণ্টা সময় লাগছে।

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর
=============

৫ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট মাওয়া-শ্রীনগরে

দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার প্রবেশপথ মাওয়া ঘাটে শনিবার ঈদে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। লৌহজং উপজেলার মাওয়া থেকে শ্রীনগর পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার রাস্তায় তৈরি হয়েছে দীর্ঘ যানজট।

মাওয়ার দিকে প্রায় ৮০০ গাড়ি পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। ৩টি রো রো ফেরিসহ ১৭ টি ফেরি সচল থাকলেও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

শুক্রবার ভোর রাত থেকেই মাওয়ায় ঘরমুখো মানুষের ঢল নামে। যানজটের কারণে অনেকে মাওয়া পর্যন্ত গাড়িতে এসে লঞ্চ বা স্পিডবোটে পার হয়ে আবার কাওড়াকান্দি থেকে বাসে উঠছে।

এছাড়া ঢাকা-মাওয়া রুটের অনেক যানও আটকা পড়ছে এ রাস্তায়।

পুলিশ সুপার বিপ্লব বিজয় তালুকদার বলেন, সুশৃঙ্খলভাবে যানবাহন পারাপারে নির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পন্যবাহী ট্রাকগুলো নিরাপদ দূরুত্বে রাখা হয়েছে। বাস ও ছোট যানবাহনগুলো আগে পার করা হচ্ছে।

এছাড়া যাত্রী নিরাপত্তা, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও চাঁদাবাজি রোধে ৪ শতাধিক পুলিশ কাজ করছে। এর মধ্যে সাদা পোশাকে পুলিশের তৎপরতা চলছে। এছাড়া র‌্যাব, আনসার, কোস্টগার্ড, রোভার স্কাউটসহ সেচ্ছাসেবক দল কাজ করছে।

জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল হাসান বাদল জানান, সার্বক্ষণিক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে মাওয়ায়। যাত্রীদের বিড়ম্বনা কমাতে সব রকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে প্রশাসন।

বাংলা ট্রিবিউন
========

মাওয়ায় তীব্র যানজট : পারাপারের অপেক্ষায় শত শত যানবাহন

দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ২১জেলার লোকজনের চলাচলের প্রধান পথ মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌ রুট। ঈদ উপলক্ষে যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ থাকায় এ রুটে দেখা দিয়েছে তীব্র যানজট। পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে দূর পাল্লার শত শত যানবাহন।

শনিবার সকালে মাওয়া ঘাট থেকে ছনবাড়ি পর্যন্ত দীর্ঘ ৮কিলোমিটার এলাকায় যানজট ছড়িয়ে পড়েছে।

এছাড়া মাওয়া ঘাটে ঘরমুখো যাত্রীদের বিড়ম্বনা চরম আকার ধারণ করেছে। উপচে পড়া ভীড় লক্ষ্য করা গেছে মাওয়া-কাওড়াকান্দি-মাঝিকান্দি রুটের লঞ্চ গুলোতে।

মাওয়া নৌ-ফাঁড়ির ইনচার্জ খন্দকার খালিদ হোসাইন জানান, অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। মাওয়া ঘাট এলাকায় ছোট-বড় চার শতাধিক দূরপাল্লার যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তায় ঘাট এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

মাওয়া ফেরি কর্তৃপক্ষ ম্যানেজার (বাণিজ্য) সিরাজুল হক জানান, ছোট-বড় প্রায় ১৬টি ফেরি চলমান রয়েছে মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌ রুটে। তবে ঈদের কারণে যানবাহনের চাপ অনেক বেশি। এরমধ্যে প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাসের সংখ্যা অনেক। একটু বিলম্ব হলেও সব যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে।

শীর্ষ নিউজ

Comments are closed.