মাওয়া নৌরুটে ২১ লঞ্চের স্থগিতাদেশ তুলে নিলো কর্তৃপক্ষ

mawa padma lমাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে পদ্মা উত্তাল থাকায় ২১ টি লঞ্চের সময় স্থগিত করার এক সপ্তাহ পর কর্তৃপক্ষের অনুমতিতে যাত্রী পারাপার শুরু হয়েছে। বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম-পরিচালক জয়নাল আবেদীনের স্বাক্ষরিত এক আদেশে অনুমতি পাওয়ার বুধবার বেলা ১২ টার দিকে লঞ্চ গুলো যাত্রী পারাপার শুরু করে। এর আগে গতকাল রাতে ঢাকার কার্যালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকতাদের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

স্থগিত লঞ্চ গুলো হলো- এম এল খালেক এক্সপ্রেস, এম এল হাঞ্জালা, এমএল তুষার খন্দকার, এম এল পূর্বানী, এমএল তানভির চান, এমএল সিয়াম, এমএল সিজান, এমএল বোরহান, এমএল কবির, এমএল শ্রেষ্ঠ, এমএল প্রিন্স অব শিবচর, এমএল প্রিন্স অব পদ্মা, এমএল রাকিব, এমএল শাহীন, এমএল সনিয়া-১, এমএল রাজিব এক্সপ্রেস-২, এমএল বিউটি অব মধ্যপারা, এমএল বিউটি অব সেলিমপুর, এমএল দূরদূরান্ত, এমএল ফাহিম ও এমএল প্রিন্স অব বিক্রমপুর।

এই ২১ টি লঞ্চ ছাড়াও আরো ছয়টি লঞ্চ মালিক পক্ষ বন্ধ রেখেছিল। সাতটি লঞ্চ মেরামতের জন্য ডকইয়ার্ডে রয়েছে। এ অবস্থায় ৮৬টি লঞ্চের মধ্যে গত এক সপ্তাহ মাওয়া কাওড়াকান্দি নৌরুটে ৫২ টি লঞ্চ চলাচল করছে। চলাচল বন্ধ ছিলো ৩৪ টি লঞ্চের। লঞ্চ সংকট থাকায় পূজা ও ঈদে বাড়ি ফেরার সময় যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ে ।

গত ৪ আগষ্ট এমএল পিনাক-৬ লঞ্চ ডুবির ঘটনায় পর ২৫ সেপ্টেম্বর ১৭ টি ও ২৬ সেপ্টেম্বর আরো ৪ টি নিয়ে সর্বমোট ২১ টি লঞ্চ পারাপারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে কর্তৃপক্ষ।

বিআইডব্লিউটিএ’র পরিবহন পরিদর্শক (ট্রাফিক ইন্সপেক্টর) রিয়াদ হোসেন জানান, ডিপার্টমেন্ট অফ শিপিং ফিটনেস সার্টিফিকেট দাতাদের শর্ত ছিলো, যে কোন আবহাওয়া সংকেত অথবা নদী উত্তাল থাকলে লঞ্চ চলাচল করতে পারবে না।

তিনি জানান, লঞ্চ বন্ধ করা হয়নি। ২১ টি লঞ্চের সময় স্থগিত করা হয়েছিল। গতকালের বৈঠকে স্থগিতাদেশের সিদ্ধান্ত তুলে নেয়া হয়।

শীর্ষ নিউজ

Comments are closed.