আলদীবাজারে ব্যবসায়ীরা সন্ত্রাসীদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ!

crime86মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ি উপজেলার আলদীবাজারের সহস্রাধিক ব্যবসায়ী চরাঞ্চলের সন্ত্রাসীদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তার স্বার্থে স্থাপিত পুলিশ ক্যাম্প প্রত্যাহার করা ও ঈদকে সামনে রেখে চরাঞ্চলের সন্ত্রাসীদের অত্যাচার আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় দাবি করা চাদাঁ না পেয়ে বৃহস্পতিবার রাতে ও শুক্রবার সকালে ৪ব্যবসায়ীকে মারধর করে ক্যাশবাক্স থেকে টাকা লুট করে সন্ত্রাসীরা।

এ ঘটনায় মৌখিক ভাবে টঙ্গিবাড়ি থানা পুলিশকে জানালেও শনিবার পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেয়নি বলে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন। এই সুযোগে সন্ত্রাসীরা ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে চাদাঁবাজিসহ নানা ভাবে অত্যাচার অব্যাহত রেখেছেন।

ব্যবসায়ীরা জানান, দাবি করা চাদাঁ না পেয়ে বৃহস্পতিবার রাতে আলদীবাজারস্থ ইকরা মেডিসিন কর্নারের ব্যবসায়ী সাব্বির হোসেনকে মারধর ও ৮ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায় মাকহাটি গ্রামের রুহুল ও রাজু নামের দুই সন্ত্রাসী।

এ ঘটনা পুলিশকে জানালে ব্যবসায়ী ডা: হাজী মো.কাননকে হত্যার হুমকি দেয়। এরপর থেকে ফার্মেসী ব্যবসায়ী ডা: হাজী মো.কানন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

ব্যবসায়ীরা আর জানান, এ ঘটনার পরদিন শুক্রবার সকালে আলদীবাজারে দাবি করা চাদাঁ না পেয়ে চরাঞ্চলের মাকহাটি গ্রামের রুইক্কা ও তার দলবল ৩ মাছ বিক্রেতাদের মারধর করে। বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী মধুসুদন দাস, শঙ্কর দাস, অজিত দাসসহ অপর মাছ ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে রয়েছে।

ব্যবসায়ীরা ও স্থানীয়রা জানান, আলদীবাজারের ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তার স্বার্থে কয়েক বছর আগে অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করেছিল। এতে ব্যবসায়ীরা নির্বিঘ্নে বেচাকেনা করেছে। এরপর অজ্ঞাত কারণে পুলিশ ক্যাম্প প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর চরাঞ্চালের সন্ত্রাসীদের উৎপাত বৃদ্ধি পায়।

আলদীবাজার বনিক সমিতির সভাপতি সেন্টু সিকদার জানান, এ ঘটনা নিরসনের জন্য বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে দেখা করে প্রয়োজণীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাতে উদ্যোগ নিয়েছে।

এ বিষয়ে টঙ্গিবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ মালেকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে থানার ডিউটি অফিসার এএসআই রফিক জানান, আলদীবাজারের বিষয়টি তিনি অবগত নন।

এটিএন টাইমস

Comments are closed.