লৌহজংয়ে ব্যবসায়ী ও যুবলীগ নেতা রফিকুল ‘অপহরণ’

LauRafiqমুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার যুবলীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকার ইসলামপুরের কাপরের ব্যবসায়ী মো. রফিকুল ইসলামকে (৪০) বৃহস্পতিবার অপহরণ করা হয়েছে বলে তার পরিবার অভিযোগ করেছেন। পুলিশ তার বাড়ি থেকে এক কিলোমিটার দুরে একটি পরিত্যেক্ত ধান ভাঙানোর মেইল ঘর থেকে অপহৃত রফিকুল ইসলামের একটি পাদুকা (সেন্ডেল) ও মুখে ব্যবহার করা হয় এমন ৩টি মাকস্ জব্দ করেছে। অপহৃত রফিকুলের বাড়ি উপজেলার মেদেনীমন্ডল ইউনিয়নের কাজিরপাগলা গ্রামে। তার পিতার নাম রকিবুল ইসলাম।

রফিকুলের পরিবার অভিযোগ করেন, প্রতিদিনের মত রফিকুল গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টা বাড়ি থেকে বাহির হয় ঢাকায় ইসলামপুরে কাপরের দোকানে যাওয়ার জন্য। এরপর থেকে তার আর কোন খোজ নাই। ঢাকায় দোকানের খোজ নিয়ে জানাযায় সেখানেও সে যায়নি। তাই তাদের সন্দেহ তাকে কেউ অপহরণ করছে। রফিকুলের ছোট ভাই নজরুল ইসলাম জানান, আমাদের এলাকার দুইজন রিকশা চালক রাজা মিয়া ও শাহাজাহান কাজিরপাগলার যে স্থান থেকে প্রতিদিন রফিক বাসে উঠে সেখান থেকে একজন লোককে ৪/৫ জন জোরকরে ধরে নিয়ে মাইক্রোতে তুলে নিতে দেখে। মাইক্রোটি এরপর মাওয়ামুখে যাচ্ছিল। নজরুল ইসলাম জানান, তার বড়ভাইকে অপহরনকারীরা সেখানে নিয়ে নির্যাতন করেছে সেই স্থানটিকে সনাক্ত করা গেছে। কাজিরপাগলা গ্রামের চিতাখোলা পাশেই একটি ধানের কারখানায় একটি ঘর থেকে তার ভাইয়ের একটি পাদুকা উদ্ধার করা হয়।
LauRafiq
কারখানার পাশেই প্রত্যদর্শী এক মহিলার বরাত দিয়ে নজরুল আরও বলেন, ওই মহিলা দেখেছে ৪/৫ জন পরিত্যেক্ত ওই কারখানার ঘর থেকে মুখ ও হাত বাধা একজনকে টেনে হিচরে একটি নৌকায় তুলে। তারপর তারা তাকে নিয়ে দণি দিকে চলে যায়। নজরুল জানায়, বিষয়টি পুলিশকে জানালে পুলিশ এসে পাদুকা (সেন্ডেল) ও কয়েকটি মাকস উদ্ধার করে। নৌকা নিয়ে আশপাশের খুজে কোথাও তাকে পাওয়া যায়নি। দেিন একটি ধনচে খেত আছে সেখানে খোজে লোক পাঠানো হয়।

রফিুকুলের পরিবারের সন্দেহ , রফিকের সঙ্গে এলাকায় প্রভাব বিস্তার নিয়ে একই গ্রামের একজনের বিরোধ রয়েছে। এই ঘটনায় তাকেই সন্দেহ করছেন রফিকের পরিবার। বিষয়টি তারা পুলিশকেও জানিয়েছে। অপহরণের ঘটনায় রফিকুলের বড় ভাই জহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে লৌহজং থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার বিপ্লব বিজয় তালুকদার প্রথম আলোকে জানান, রফিকুলকে দ্রুত উদ্ধারে বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি করা হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে শিগগিরই তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হবে।

বাংলাপোষ্ট
=========

লৌহজংয়ে ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা ‘অপহরণ’

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে মো. রফিক (৪০) নামে এক যুবলীগ নেতাকে অপহরণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তিনি উপজেলার মেদেনীমন্ডল ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। বৃহস্পতিবার নিজ গ্রাম কাজীর পাগলা থেকে মাইক্রোযোগে অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন নিখোঁজের স্বজনরা।

মেদেনীমন্ডল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে কাজীর পাগলা গ্রামের সড়ক থেকে ছয়/সাত জন লোক মাইক্রোযোগে অপহরণ করে নিয়ে যায় যুবলীগ নেতাকে। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

লৌহজং থানার পুলিশ সূত্র জানায়, ঘটনার পর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে একই গ্রামের একটি পরিত্যক্ত জমি থেকে অপহরণকারীদের ব্যবহৃত দুটি মুখোশ ও অপহৃত মো. রফিকের জুতা উদ্ধার করা হয়েছে।

জেলা পুলিশ সুপার বিপ্লব বিজয় তালুকদার জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত অপহৃত যুবলীগ নেতাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তবে তাকে উদ্ধারে পুলিশের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

শীর্ষ নিউজ
=======

মুন্সীগঞ্জে যুবলীগ নেতাকে অপহরন, ৩ টি মুখোশ, রক্তমাখা জামা-কাপড় উদ্ধার

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার কাজীর পাগলা গ্রামে বৃহস্পতিবার ইউনিয়ন যুবলীগের এক নেতাকে মাইক্রোযোগে অপহরন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অপহৃত মো: রফিক (৪০) লৌহজংয়ের মেদেনীমন্ডল ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। তার বাড়ি উত্তর কাজীর পাগলা গ্রামে। বিকেলে গ্রামের একটি পরিত্যক্ত জমি থেকে অপহরনকারীদের ব্যবহৃত ৩ টি মুখোশ ও আ’লীগ নেতার রক্তমাখা জামা-কাপড়, জুতা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

জেলা পুলিশ সুপার বিপ্লব বিজয় তালুকদার জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত পুলিশ অপহৃত যুবলীগ নেতাকে উদ্ধার করতে পারেনি। তবে তাকে উদ্ধারে পুলিশের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। অপহরনকারীদের শনাক্ত করা যায়নি।

মেদেনীমন্ডল ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারন সম্পাদক আশরাফ হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে কাজীর পাগলা গ্রামের সড়ক থেকে ৬-৭ জন লোক মাইক্রোযোগে অপহরন করে যুবলীগ নেতাকে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন- অপহরনকারীরা মুখোশ পরিহিত অবস্থায় জোরপূর্বক যুবলীগ নেতাকে অপহরন করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় স্থানীয় আ’লীগ-যুবলীগ নেতাদের মধ্যে অপহরন আতংক ছড়িয়ে পড়েছে।

বিডিলাইভ
======

যুবলীগ নেতা অপহৃত, মুখোশ ও রক্তমাখা জামা উদ্ধার

জেলার লৌহজং উপজেলার কাজীর পাগলা গ্রাম থেকে বৃহস্পতিবার সকালে অপহৃত ইউনিয়ন যুবলীগ নেতাকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উদ্ধার করা যায়নি। তবে বিকেলে একটি পরিত্যক্ত জমি থেকে অপহরণকারীদের ব্যবহৃত তিনটি মুখোশ ও যুবলীগ নেতার রক্তমাখা জামা-কাপড় ও জুতা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রফিককে (৪০) বৃহস্পতিবার সকালে অজ্ঞাতপরিচয় ৬/৭ ব্যক্তি মাইক্রোবাসে করে উত্তর কাজীর পাগলা গ্রামের নিজ বাড়ির সামনের সড়ক থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

জেলা পুলিশ সুপার বিপ্লব বিজয় তালুকদার জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত পুলিশ অপহৃত যুবলীগ নেতাকে উদ্ধার করতে পারেনি। তবে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। অপহরণকারীদের শনাক্ত করা যায়নি বলেও জানান তিনি।

মেদেনীমন্ডল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কাজীর পাগলা গ্রামের সড়ক থেকে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা তাকে মাইক্রোযোগে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি আরও জানান, অপহরণকারীরা মুখোশ পরিহিত অবস্থায় জোরপূর্বক যুবলীগ নেতাকে তুলে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় স্থানীয় আওয়ামী ও যুবলীগ নেতাদের মধ্যে অপহরণ আতঙ্ক বিরাজ করছে।

দ্য রিপোর্ট

Comments are closed.