লৌহজংয়ে অপহৃত যুবলীগ নেতার মৃতদেহ উদ্ধার

juboledeadমুন্সীগঞ্জে অপহরণের একদিন পর পরিত্যক্ত ক্ষেত থেকে যুবলীগ নেতা মো. রফিকের (৪০) মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মৃতদেহটি শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মেদেনীমণ্ডল ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রফিককে অপহরণ করা হয়। তার বাড়ি উত্তর কাজীর পাগলা গ্রামে।

জেলা সহকারী পুলিশ সুপার মিয়া কুতুবুর রহমান জানান, সকালে এলাকাবাসী চিতাখেলার পাশের একটি পরিত্যক্ত ক্ষেতে মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। মৃতদেহের হাত-পা বাঁধা ছিল। ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহ মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
srinagarJLdead
এদিকে বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই গ্রামের একটি পরিত্যক্ত জমি থেকে অপহরণকারীদের ব্যবহৃত তিনটি মুখোশ, রফিকের রক্তমাখা জামা-কাপড় ও জুতা উদ্ধার করে পুলিশ।

মেদেনীমণ্ডল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কাজীর পাগলা গ্রাম থেকে ৬-৭ জন মুখোশধারী ব্যক্তি রফিককে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। এরপর তাকে আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। অপহরণের পরদিন সকালে তার মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

দ্য রিপোর্ট
======

মুন্সীগঞ্জে নিখোঁজ যুবলীগ নেতার লাশ উদ্ধার

মুন্সীগঞ্জে নিখোঁজ যুবলীগ নেতা মো. রফিকের (৪০) অপহরণের ২৪ ঘণ্টা পর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার সকাল পৌনে ১০ টায় লৌহজং উপজেলার মেদেনীম-ল ইউনিয়নের কাজীর পাগলা এলাকার চিতাখোলার পাশের নিচু জমি থেকে যুবলীগ নেতার লাশ উদ্ধার করা হয়।

লৌহজং থানার এসআই সজল বাবু জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার নিখোঁজ হওয়া উপজেলার মেদেনীম-ল ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রফিককে সেখানে পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে।
LauRafiq
সহকারী পুলিশ সুপার মিয়া কুতুবুর রহমান জানান, নিহত রফিকের হাত-পা বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়। তাছাড়া মুখে ও শরীরে বিভিন্ন অংশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতও রয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর পক্রিয়া চলছে।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮ টায় নিজ গ্রাম কাজীর পাগলা থেকে ৬-৭ জন অপহরণকারী মাইক্রোযোগে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ ঘটনার পর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে একই গ্রামের একটি পরিত্যক্ত জমি থেকে অপহরণকারীদের ব্যবহৃত দুটি মুখোশ ও অপহৃত মো. রফিকের জুতা উদ্ধার করা হয়েছে।

শীর্ষ নিউজ
=======

লৌহজংয়ে যুবলীগ নেতাকে অপহরণের পর হত্যা

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলা যুবলীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও ঢাকার ইসলামপুরের কাপড় ব্যবসায়ী মো. রফিকুল ইসলামকে (৪০) অপহরণের পর হত্যা করা হয়েছে।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পুলিশ উপজেলার কাজীরপাগলা এলাকার একটি কৃষি জমি থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

পরে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

নিহত যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম লৌহজং উপজেলার মেদেনীমন্ডল ইউনিয়নের কাজির পাগলা গ্রামের রকিবুল ইসলামের ছেলে।

এদিকে, যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলামের লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে শত শত মানুষ কাজীরপাগলা গ্রামের চিতাখোলা এলাকায় ভিড় করে।
juboledead
পারিবারিক সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে কাজীরপাগলা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে ঢাকায় ইসলামপুরের কাপড়ের দোকানে যাওয়ার পথে যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলামকে ৪/৫ জনের একটি দল জোরপূর্বক মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে মাওয়া ঘাটের দিকে যায়। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়‍া যায়নি।

রফিকুলের ছোট ভাই নজরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, কাজিরপাগলা গ্রামের চিতাখোলা পাশে একটি ধানের কারখানায় রফিকুলকে নির্যাতন করা হয়েছে। ওই ঘর থেকে তার ভাইয়ের জুতা ও কয়েকটি মাস্ক উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে রফিকুল ইসলামকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এলাকায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।

লৌহজং থানার ডিউটি অফিসার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মিজান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাংলানিউজকে জানান, এ ঘটনায় রফিকুল ইসলামের বড় ভাই জহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে লৌহজং থানায় মামলা করেছেন।

ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের সনাক্ত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ বলেও জানান তিনি।

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর
==============

লৌহজংয়ে অপহৃত যুবলীগ নেতার লাশ উদ্ধার

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে মো. রফিকুল ইসলাম (৪০) নামে এক যুবলীগ নেতাকে অপহরণ করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিখোঁজ হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পর শুক্রবার সকালে নিজ বাড়ি থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে লৌহজংয়ের চর কাজির পাগলা গ্রামের একটি ধনচে ক্ষেত থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লৌহজং উপজেলা যুবলীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও ঢাকার ইসলামপুরের কাপড় ব্যবসায়ী মো. রফিকুল ইসলামকে বৃহস্পতিবার সকালে কাজীর পাগলা থেকে অপহরণ করা হয়।

সহকারী পুলিশ সুপার মিয়া কুতুবুর রহমান জানান, চর কাজির পাগলা গ্রামের একটি ধনচে ক্ষেতে পায়ের রগকাটা অবস্থায় পড়েছিল রফিকুল ইসলামের লাশ। তার মুখে ও শরীরে বিভিন্ন অংশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতও রয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মাইক্রোবাসযোগে ৫-৬ জন লোক এসে কাজির পাগলা গ্রামের সড়ক থেকে রফিককে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় রফিকুল ইসলামের বড় ভাই জহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে লৌহজং থানায় মামলা করেছেন।
laujdead
পুলিশ জানায়, মতিঝিলের ব্যবসায়ী কাদের হত্যা মামলার অন্যতম সাক্ষী আওয়ামী লীগ নেতা ও কাজির পাগলা গ্রামের মোবারক হোসেনকে ২০১২ সালে গুলি করে হত্যা করা হয়। যুবলীগ নেতা রফিক ওই হত্যাকাণ্ডে দায়ের করা মামলা পরিচালনায় সহায়তা করেন। এ কারণে মামলার আসামিরা বিভিন্ন সময়ে রফিককে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিল। এসব নিয়ে গত ঈদের পরদিনও আসামি পক্ষের তাজুল ইসলাম ব্যাপারীর সঙ্গে রফিকের ঝগড়া হয়। এ ঘটনার পর থেকে মোবারক হোসেন হত্যা মামলার অন্যতম এক আসামি তার পরিবারসহ গা ঢাকা দিয়েছে। রফিককে অপহরণ করার পেছনে ওই খুনের আসামিরা জড়িত থাকতে পারে বলে পুলিশ ধারণা করছে।

যুগান্তর

Comments are closed.