মুন্সীগঞ্জে বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের বাধা : গুলি

politicমুন্সীগঞ্জ শহর বিএনপির কার্যালয় থেকে হরতালের সমর্থনে কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করলে ছাত্রলীগকর্মীদের বাধার মুখে তা পণ্ডহয়ে গেছে। এসময় হরতাল বিরোধী মিছিল থেকে গুলি ছুঁড়ে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। গুলি বর্ষণের প্রতিবাদে দলীয় কার্যালয়ের সামনে তাৎক্ষণিক পথসভা করে বিএনপির নেতা-কর্মীরা।

রোববার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে থানারপুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিএনপির প্রতিবাদ সভা শুরু হলে সরকার দলীয় নেতা-কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মিছিল ও সমাবেশ করতে নিষেধ করে। এ সময় আতঙ্ক সৃষ্টি করতে দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে সরকারদলীয় সমর্থকরা। এতে শহরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ও শহর বিএনপির সভাপতি একে ইরাদত মানু বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল বের করি আমরা। কিন্তু পুলিশের উপস্থিতিতে মিছিলটি কয়েক গজ এগুতেই ছাত্রলীগের ২০-২৫ জন কর্মী অপর একটি মিছিল থেকে ৫-৬ রাউন্ড গুলি ছুঁড়ে আমাদের মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

সদর থানার এএসআই কাজল হোসেন জানান, ফাঁকা গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে এমন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে তদন্ত করছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল খায়ের ফকির (পিপিএম) জানান, সামান্য উত্তেজনা দেখা দিলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

তবে গুলি করার বিষয়টি এড়িয়ে যান তিনি।

শীর্ষ নিউজ
========

মুন্সীগঞ্জে বিএনপির সমাবেশে আওয়ামী লীগের ফাঁকা গুলি! শহরে আতঙ্ক

শহরের সুপার মার্কেট চত্বরে রবিবার বিএনপির সমাবেশে আওয়ামী লীগ কর্মীরা ফাঁকা গুলিবর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আওয়ামী লীগও বিএনপির বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তুলেছে। এ নিয়ে শহরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে, বিরাজ করছে আতঙ্ক। শহরে পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে।

রাত সোয়া এগারোটায় সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইমদাদ হুসাইন জানান, কোন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে দেয়া হবে না। তাই পুলিশ সতর্ক রয়েছে।

পৌর মেয়র ও শহর বিএনপির সভাপতি একেএম ইরাদত মানু বলেন, সোমবারের হরতালের সমর্থনে সন্ধ্যায় মিছিল ও সমাবেশের প্রস্তুতিকালে ক্ষমতাসীন দলের লোকজন বাধা দেয়। চর থেকে বিএনপির মিছিল আসার পথে তারা হামলা করে। পরে পুলিশের সঙ্গে কথা বলে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করা হয়। দু’জনের বক্তব্য শেষ হতে না হতেই কয়েক গজ দূরে অবস্থান নিয়ে ক্ষমতাসীন দলের চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা ২/৩ রাউন্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে। এ সময় পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে বলে অভিযোগ করেন তিনি। গুলির পর সমাবেশ পণ্ড হয়ে যায়।

অন্যদিকে শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি পিপি এ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের জন্য বিএনপির লোকজন পটকা বা গুলি ফুটিয়ে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করছে।

ঘটনাস্থল থেকে সদর থানার এসআই শফিকুল ইসলাম বলেন, দু’টি শব্দ শুনেছি। তবে কারা ফাঁকা গুলি করেছে তা বলতে পারছি না। কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

জনকন্ঠ

Comments are closed.