‘পিনাক দুর্ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন’

skতদন্ত প্রতিবেদন ওয়েবসাইটে প্রকাশ হবে
পিনাক-৬ দুর্ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান। সচিবালয়ে মঙ্গলবার সোমালি জলদস্যুদের কবল থেকে মুক্ত নাবিকদের অর্থ অনুদান প্রদান অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা জানান।

যাত্রীবাহী লঞ্চ পিনাক-৬ পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়ার ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটি গত রবিবার নৌপরিবহনমন্ত্রীর কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

শাজাহান খান বলেন, সবাই যাতে অবহিত হতে পারে এ জন্য শিগগিরই তদন্ত প্রতিবেদনটি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। তদন্ত প্রতিবেদন কোনোভাবেই আমরা ফ্রিজে ঢুকাবো না।

এ ছাড়া কমিটির আহ্বায়ক দু’একদিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদনের বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করবেন বলেও জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশ বাস্তবায়ন কিভাবে করা যায় তা নিয়ে আলাপ-আলোচনা করছি। সুপারিশ অনুযায়ী দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

গত ৪ আগস্ট মাদারীপুরের কাওড়াকান্দি ঘাট থেকে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া ঘাটের উদ্দেশে ছেড়ে আসা পিনাক-৬ নামের যাত্রীবাহী লঞ্চ পদ্মায় ডুবে যায়। লঞ্চটিতে দুই শতাধিক যাত্রী ছিল। শতাধিক যাত্রী সাঁতরে তীরে আসতে সক্ষম হয়। সর্বশেষ ৪৯ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হলেও লঞ্চটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

লঞ্চ ডুবে যাওয়ার দিনই নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় নূর-উর-রহমানকে প্রধান করে একটি ছয় সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে।

ডুবে যাওয়া লঞ্চটি উদ্ধার করতে না পারার বিষয়ে নৌমন্ত্রী বলেন, পিনাক-৬ উদ্ধার করতে না পারার ব্যর্থতা প্রযুক্তিগত নয়, প্রকৃতিগতভাবে আমরা লঞ্চটি উদ্ধার করতে পারিনি। লঞ্চ ডুবে যাওয়া স্থানে বিপজ্জনক স্রোতের কারণে ডুবুরিরা নামতেই পারেনি।

আগের তুলনায় নৌ-দুর্ঘটনা অনেক কমে এসেছে জানিয়ে শাজাহান খান বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সরকারের সময় বছরে সর্বোচ্চ ৩১ ও সর্বনিম্ন ২০টি নৌ-দুর্ঘটনা ঘটেছে। গত মহাজোট সরকারের সময়ে বছরে সর্বোচ্চ ১৬ ও সর্বনিম্ন ৫টি নৌ-দুর্ঘটনা ঘটেছে।

দ্য রিপোর্ট

Comments are closed.