সিরাজদীখানে ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগে প্রধান শিক্ষক বহিস্কার

faruqইমতিয়াজ বাবুল: সিরাজদীখানে এক স্কুল ছাত্রীর শ্লীলতা হানির কারণে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদ। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম ফারুকুল ইসলাম। সে লতুব্দী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।

জানা যায়, গত ১২ আগষ্ট নবম শ্রেনীর এক ছাত্রী প্রধান শিক্ষক ফারুকুল ইসলামের নিকট বিদ্যালয়ের একটি ক্লাস রুমে প্রইভেট পড়তে যায়। এসময় ছাত্রীটি গরীব বিধায় তাকে বিভিন্ন প্রকার সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দিয়ে পরের দিন একটু আগে আগে বিদ্যালয়ে আসতে বলে। ১৩ আগষ্ট ছাত্রীটি শিক্ষকের কথা মত বিদ্যালয়ে গেলে নির্জন বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে ছাত্রীটির শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর অঙ্গে শিক্ষক হাত দেন। পরে তাকে ৫ শত টাকা দিয়ে ঘটনা কেউকে না বলার জন্য বলেন এবং তাকে আরো টাকা পয়সা দিয়ে সহায়তা করা হবে বলে জানান।
faruq
বাড়িতে গিয়ে মেয়েটি তার মাকে বিষয়টি জানান। তখন তার মা মেয়েটির বাবাকে বিষয়টি জানিয়ে তাকে নিয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও লতুব্দী ইউপি চেয়ারম্যান হাফেজ ফজলুল হককে অবহিত করেন। পরে বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদ গত ৯ সেপ্টেম্বর এক সভা ডেকে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রাথমিকবাবে প্রমানিত হওয়ায় তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয় ও আগামী ৫ দিনের মধ্যে আনিত অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়।

এ ব্যাপরে বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান হাফেজ ফজলুল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, প্রথমিকভাবে শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে অপাতত এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ৫ দিনের মধ্যে সন্তোসজনক উত্তর না দিতে পারলে তাকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হবে।

এ ব্যাপরে স্থানীয় মুরব্বি আব্দুল রাজ্জাক ও মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হালিম জানান, এর আগেও কয়েকবার এ শিক্ষকের বিরুদ্ধে মেয়ে ঘটিত ব্যাপারে এ স্কুলে শালিস বৈঠক হয়েছে। এমন চরিত্রহীন শিক্ষক দিয়ে বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা নিরাপদে শিক্ষা নিতে পারবেনা। আমাদের মেয়েদের ইজ্জত রক্ষা করতে হলো এখনই এ চরিত্রহীন শিক্ষক বিদায় করতে হবে।

=======

সিরাজদিখানে ছাত্রীর শ্লীতাহানির অভিযোগে প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত

সিরাজদিখানে উপজেলার লতব্দী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে শ্লীতাহানির চেষ্টা করলো একই স্কুলের প্রধান শিক্ষক। এই অভিযোগে প্রধান শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়। ঘটনাটি জানাজানি হলে প্রধান শিক্ষক মোঃ ফারুক হোসেন পালিয়ে যায়।

স্কুল শিক্ষক ও অভিভাবক প্রতিনিধিরা জানান, ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। স্কুল কমিটি তাকে ৯ সেপ্টেম্বর বরখাস্ত করেছে। তার অফিস রুম ও পাশে আরেকটি রুম রয়েছে সেখানেই পড়ায়। এর আগেও তার বিরুদ্ধে ৫/৬ বার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সঠিক ভাবে অনেকটা প্রমান করতে না পারা এবং প্রধান শিক্ষক ফারুক হোসেন ৭ ধারা মামলা করায় সে ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়ে যায়। বর্তমান প্রধান শিক্ষকের শুন্য পদে সিনিয়র শিক্ষক মোঃ মোক্তার হোসেন স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে রয়েছেন।

ছাত্রীর মা জানান, আমার মেয়ে তিন মাস যাবৎ তার কাছে প্রাইভেট পড়ে। ৮ শত টাকা করে অন্যদের কাছ থেকে বেতন নেয়, আমরা গরীব বলে আমাদের কাছ থেকে ৫শত টাকা করে নেয়।

১২ আগষ্ট সকাল সারে ৬ টায় আমার মেয়ে পড়তে যায়। ৮ টায় চলে আসে। এসেই আমাকে জানায়, স্যারে আমার শরীরে হাত দিয়েছে আর আমাকে ৫ শত টাকা দিয়াছে, বলেছে কাউকে কিছু না জানাতে, আমি তার কাছে আর পড়ব না। তখন আমি ও ওর বাবা স্কুল কমিটির চেয়ারম্যান কে ঘটনাটি জানালে তারা এতদিন পরে ব্যবস্থা নেয়।

ছাত্রীর বাবা জানান, আমি কৃষি কাজ করি, মেয়েকে তো বিয়ে দিতে হবে, ব্যাপারটি নিয়ে বেশি বারাবারি করি নাই আমার ওতো মান সম্মান আছে।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের সাথে চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা যায়নি।

বাংলাপোষ্ট

Comments are closed.