মাওয়ায় স্বাভাবিকতা ফিরছে

mawaaaaমাওয়া-কাওড়াকান্দিতে ফেরি সার্ভিসের স্বাভাবিকা ফিরতে শুরু করেছে। গত ২৪ ঘন্টায় ৭ সেন্টিমিটার পানি হ্রাস পেয়ে মাওয়া পয়েন্টে বিপদ সীমার ৫৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে বইছে। স্রোতের তীব্রতা কমে কমতে থাকায় আগের চেয়ে ফেরিগুলো দ্রুত গন্তব্যে পৌছাতে পারছে।

শনিবার তিনটি রো রো ফেরিসহ ১৪টি ফেরি চলাচল করছে। দু’ পাড়ে পারাপারে অপেক্ষায় উল্লেখযোগ্য যানবাহন নেই। বরং গাড়ির জন্য ফেরিগলোর অপেক্ষা করতে হচ্ছে। গত কয়েক দিনে ৬শ’র বেশী যানও অপেক্ষা করতে হয়েছিল। বিআডিব্লিউটিসির মাওয়া অফিসের ম্যানেজার সিরাজুল হক এসব তথ্য দিয়ে বলেন, তবে উজানের পানি নেমে যেতে থাকায় সঙ্কট কমেছে। নদী ভাঙ্গন বা অন্য কোন সমস্যা না হলে আগামী ২/৪ দিনের মধ্যে ফেরি সার্ভিস পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে। তবে উজানের পানি থেকে চ্যানেলে অনেক পলি জমা হয়ে ডুবু চরের সৃষ্টি হয়েছে। পানি কমে যাওয়ার পর এসব ডুবো চর সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। তাই সার্ভে করে চ্যানেল থেকে এসব চর কেটে ফেরার প্রক্রিয়া চলছে। শিঘ্রই ড্রেজিং শুরু হবে।

তিনি জানান, কাওড়াকান্দি থেকে মাওয়ায় আসার পথে শুক্রবার মাঝ পদ্মায় রো রো ফেরি ‘আমানত শাহ’ বিকল হলেও এটি মেরামতের পর এখন স্বাভাবিক ভাবে চলছে। দু’পাড়েরর ৬টি ঘাটও সচল রয়েছে। তাই আপততঃ এই ফেরি সার্ভিসে কোন সমস্যা নেই। গত ১৯ আগস্ট থেকে নদী ভাঙ্গন ও ¯্রােতের কারণে দেশের অন্যতম প্রধান এই ফেরি সার্ভিস মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। টানা ১৮দিন ধরে ফেরি সার্ভিস বিঘিœত হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ। তবে ১৯তম দিনে স্বাভাবিকতা ফিরে আসায় স্বস্থি ফিরেছে এই রুটে চলাচলকারীদের মধ্যে।

বীর শ্রেষ্ঠ রুহুল, আমানত শাহ ও শাহ আলী এই ৩টি রো রো ফেরি ছাড়াও এখন চলাচল করছে টানা ফেরি থোবাল, রানীগঞ্জ, রানীক্ষেত রায়ুপুরা ও টাপলু। কে-টাইপ ফেরি কলমীলতা, করবী, কেতকি ও কাকলী। মিডিয়াম ফেরি ফরিদপুর এবং ছোট ফেরি কর্ণফুলী। টানা জাহাজের (আইটি) অভাবে বন্ধ রয়েছে টানা ফেরি লেন্টিং, ছোট ফেরি ঢাকা স্ট্যান্ড বাই রাখা হয়েছে। ফেরি রামশ্রীকে মেরামতের জন্য ডগে পাঠানো হয়েছে।

মুন্সিগঞ্জেরকাগজ

Comments are closed.