মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সোসাইটি জাপান’র সাধারণ সভা

z_429মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সোসাইটি জাপান’র সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩১ অগাষ্ট, সাইতামা প্রিফেকচার, মিসাতো সিটি, মিসাতো বুনকা সেন্টারে আয়োজিত সাধারণ সভায় দূর-দুরান্ত থেকে শতাধিক বিক্রমপুরবাসী উপস্থিত ছিলেন। সভা চলাকালীন সময়ে উপস্থিত হন জাপান শাখা আওয়ামী লীগের আমন্ত্রনে বর্তমানে জাপান সফররত আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য বিক্রমপুরের সন্তান নূহ আলম লেনিন।

সোসাইটির সভাপতি বাদল চাকলাদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন সাধারণ সম্পাদক এম ডি এস ইসলাম নান্নু এবং অতিথি নূহ আলম লেনিন।

নাজমুল ইসলাম রতনের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন যথাক্রমে, মানুনুর রশীদ, রাহমান মনি, শওকত হোসেন, শিবলু, মোবারক হোসেন হৃদয়, খন্দকার আসলাম হীরা, গোলাম ফারুক মেনন, মীর রেজাউল করিম রেজা, আলমগীর হোসেন মিঠু, দেলোয়ার হোসেন, নুর খান রনি, জুয়েল সিকদার, আলমগীর মোল্লা, মোল্লা দেলোয়ার হোসেন, দেলোয়ার হোসেন (মিসাতো), মাসুদ রানা, হাবিবুর রহমান, বিপ্লব, মকবুল মোল্লা, আজম খান, এম ডি এস ইসলাম নান্নু, মোল্লা অহিদুল ইসলাম এবং নূহ আলম লেনিন।

বক্তারা সংগঠনের কার্যক্রম পর্যালোচনার পাশাপাশি আগামী দিন গুলোতে সোসাইটিকে সঠিক পথে পরিচালনা করার জন্যে দিক নির্দেশনার উপর আলোকপাত করেন। সভায় সোসাইটিকে জাপানের এনজিও এবং এনপিও ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
z_429
এ ছাড়া, সভায় সোসাইটির সদস্য সংখ্যা বাড়ানো, চাঁদা প্রদান পদ্ধতি, উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে অংশ গ্রহণ এবং আসন্ন ঈদ উল আজহা পরবর্তী ঈদ পূনর্মিলনী আয়োজন নিয়ে আলোচনা হয়।

জনাব লেনিন তার শুভেচ্ছা বক্তব্যে বিক্রমপুর অঞ্চলের ১২০০ বছরের ইতিহাস তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, মহাজ্ঞানী শ্রীরাম অতিশ দীপাঙ্কর, স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু, ব্রজেন দাশ, সারোজিনি নাইডু, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ ও মানিক বন্দোপাধ্যায়ের মতো জ্ঞান তাপসদের জন্মভূমি বিক্রমপুর কেবল আলোকিত হয়নি তারা আলোকিত করেছেন বিশ্ব। তিব্বতের রাজা বলেছিলেন অতিশ দীপাঙ্করের জন্ম না হলে পুরো ভারতবর্ষ আজ অন্ধকারে ডুবে থাকতো। তিনি বলেন, ভারতবর্ষের প্রথম বাঙালীদের একজন সূর্য কুমার চক্রবর্তী ১৮৪৮ সালে প্রথম ইংল্যান্ডে চিকিৎসা শাস্ত্র পড়ার সুযোগ পান। তার জন্ম এই বিক্রমপুর এলাকাতেই। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের পিতামহ দারকানাথ ঠাকুর যে পাঁচজনকে নিয়ে বিলেত গমন করেন তাদের একজন ছিলেন এই সূর্য কুমার চক্রবর্তী।

সভা শেষে শিন মিসাতো’তে সবাই এক নৈশ ভোজে অংশ গ্রহণ করেন।

কমিউনিটি

Comments are closed.