মুন্সীগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি

padma flood5মুন্সীগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে এখনও শতাধিক গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি রয়েছে। এছাড়া পানির নিচে রয়েছে আগাম ফসলি জমি ও বীজতলা। এদিকে বন্যাদুর্গত এলাকায় নানা রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। ভাগ্যকূল পয়েন্টে পদ্মার পানি আরও ১০ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়ে সোমবার সকাল ৬টায় বিপদসীমার ১৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে বইছিল। এছাড়া মাওয়া পয়েন্টে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়ে বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পদ্মা প্রবাহিত হচ্ছে।

শ্রীনগর উপজেলার ভাগ্যকূল ও বাঘরা, লৌহজংয়ের মেদিনীমণ্ডল, হলদিয়া, কনকসার, কুমারভোগ, কলমা, গাঁওদিয়া সিরাজদিখানের চিত্রকোট, টঙ্গীবাড়ি উপজেলার পাঁচগাঁও, হাসাইল-বানারী, কামারখারা, মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার শিলই, বাংলাবাজারসহ নিম্নাঞ্চলের বিস্তৃর্ণ এলাকায় পানি কমেছে। তবে লৌহজং উপজেলার কুমারভোগ ও মাওয়া এবং টঙ্গীবাড়ি উপজেলার কামারখাড়ায় পদ্মার ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে।

সরকারি হিসেবে এখনও ৪৯টি পরিবারের বাড়িঘর পদ্মায় বিলীন হয়ে গেছে। ৮২৩ পরিবার আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সরকারিভাবে বন্যার্তদের মধ্যে ৩২ টন চাল ও ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে। অাংশিক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ৩০ কেজি চাল এবং সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্তদের ৫ হাজার করে টাকা বিতরণ করা হয়।

এদিকে ভাঙ্গনের মুখে এখনও টঙ্গীবাড়ি উপজেলার কামারখাড়া বড়াইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যায়লয়ের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ব্যহত হচ্ছে।

মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক সাইফুল হাসান বাদল জানান, পানি কমতে থাকায় দুর্গত এলাকায় বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

মুন্সীগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. কাজী শরিফুল আলম জানান, মেডিক্যাল টিম দুর্গত এলাকায় পর্যাপ্ত ওষুধ নিয়ে মানুষের সেবা দিচ্ছে। বন্যাবাহিত রোগের ওষুধ স্টকে রাখা হয়েছে।

বাংলাট্রিবিউন

Comments are closed.