‘ইনু জাতীয় বেঈমান’ – মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

fakmunshigonjতথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে জাতীয় বেঈমান হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ইনুকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনার নিজের চেহারাটা ভাল করে আয়নায় দেখুন। ৭২ থেকে ৭৫ পর্যন্ত আপনাদের ভূমিকা কি ছিল? আর এখন কি ? আপনারা সৈরাচারের সঙ্গে আপোস করে জাতীয় বেঈমান হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় মুন্সীগঞ্জের মুক্তারপুর এলাকার পুরাতন ফেরিঘাট সংলগ্ন মাল্টিপারপাস কোল্ডস্টোরেজের আঙ্গিনায় জেলা বিএনপিসহ ২০ দলীয় জোটের কর্মী সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ফখরুল বলেন, আপনারা জাসদ তৈরি করেছেন। পল্টন ময়দান থেকে সেদিন মিছিল নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যাপ্টেন মনছুর আলীর বাসভবনের দিকে যাচ্ছিলেন। ক্যাপ্টেন মনছুর আলীর বাসভবন থেকে মেশিনগানের গুলি ছুঁড়ে সেদিন আপনাদের শত শত নেতা-কর্মীকে ঝাজরা করে দেওয়া হয়েছিলো। আপনি সেই দিনের কথা ভুলে গেছেন?
fakmunshigonj
তথ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরো বলেন, এই স্বাধীন বাংলার সপ্নদ্রষ্টা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর বহুল প্রচলিত পত্রিকা ‘হক কথা’ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এমনকি তাকে গ্রেফতারও করা হয়েছিলো। হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে সেইদিন আওয়ামী লীগ হত্যা করেছিলো। আর আজকে আপনি বেমালুম সব ভুলে গেছেন।

মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে আমাদের নেত্রী পথে প্রান্তরে ঘুরে ৯ মাস আপোসহীন সংগ্রাম করে সৈরাচার দূর করেছিলেন। আর আপনারা সৈরাচারের সঙ্গে আপোস করে জাতীয় বেঈমান হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন।

এতে জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাই সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির কোষাধ্যক্ষ মিজানুর রহমান সিনহা, কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক সরফ আলী সপু, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর রিপন মল্লিক, শ্রীনগর বিএনপি সভাপতি ও উপজেলা সভাপতি মমিন আলী প্রমুখ।

শীর্ষ নিউজ
=========

‘দেশকে বাঁচানোর জন্য ২০ দলের ঐক্য’

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমাদের ঐক্য ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়, কোনো বিশেষ ব্যক্তিকে ক্ষমতায় বসানোর জন্যও নয়। দেশকে বাঁচানোর জন্য এ ঐক্য হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় মুন্সীগঞ্জের মুক্তারপুরে পুরাতন ফেরিঘাট এলাকায় জেলা বিএনপি ও ২০ দলীয় জোটের আয়োজনে কর্মিসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বন্দুকের জোরে যারা ক্ষমতায় এসেছে তাদের সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য আমাদের এ সংগ্রাম। ৯০ সালে গণতন্ত্র উদ্ধারের জন্য যেভাবে এ দেশের মানুষ সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন, সেভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ার সময় এসেছে।’

জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাইয়ের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির কোষাধ্যক্ষ মিজানুর রহমান সিনহা, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক সরফত আলী সফু, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর রিপন মল্লিক এবং শ্রীনগর বিএনপি সভাপতি ও উপজেলা সভাপতি মমিন আলী।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা চেম্বার অফ কমার্সের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম বাবু, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা আব্দুল আলিম, কেন্দ্রীয় জামায়াত নেতা আব্দুল আউয়াল জেহাদী, জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক এবি এম ফজলুল করিম, খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সদস্য শায়খুল হামিদ মাওলানা আহম্মদ আলী কাশেমী ও জেলা শাখার সভাপতি হাফেজ মাওলানা জাকির হোসেন প্রমুখ।

দ্য রিপোর্ট