শ্রীনগরে এবার যৌতুকের শিকার স্বামী!

crimeনারীদের পাশাপাশি এবার যৌতুকের শিকার হলো এক প্রবাসী ফেরত স্বামী। জানাযায়, ২০০৫ সালে উপজেলার দেউলভোগ দয়াহাটা গ্রামের মোঃ মোচেন মোড়লের ছেলে মোঃ মজনু মোড়লের সাথে একলক্ষ বিশ হাজার টাকা দেন মোহর ধায্য করে শ্রীনগর মনসা পাড়া গ্রামের শেখ দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে রুনা আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের এক বছরের মাথায় রুনার কোল জুরে আসে তিনটি জমজ কন্যা শিশু। জীবিকার প্রয়োজনে মজনু মোড়ল তখন সিঙ্গাপুরে চাকুরিতে কর্মরত ছিলেন।

প্রবাসে কর্মরত অবস্থায় মজনু ২ বছর পরপর দেশে আসতেন স্ত্রী আর সন্তানদের দেখাশোনা করতে। এক দুই মাস পর ছুটি শেষে আবার প্রবাসে পাড়ি জমাতেন স্ত্রী আর সন্তানের এক বুক ভালোবাসা নিয়ে। এ সময় তার স্ত্রী আর সন্তানদের দেখভাল করতে তাদেরকে মজনু তার বাবা – মার কাছে রেখে যান।

৩/৪বছর বেশ ভালই কাটছিল রুনা আর মজনুর সংসার। হঠাৎ করে ৪ মাস আগে রুনার ছোট বোনের বিয়ের অনুষ্টানের কথা বলে রুনা তার স্বামীর বাড়ি থেকে তার তিন কন্যা, নগত টাকা সহ ১০/১২ ভরি স্বর্ন অলংকার নিয়ে বাবার বাড়িতে গেলে আর ফিরে আসেনি।

মজনুর বাবা – মা এবং আত্মীয়স্বজন বহুবার চেষ্টা করেছে রুনাকে স্বামীর বাড়িতে ফিরিয়ে আনতে কিন্তু কোন মতেই তাকে ফিরিয়ে আনা যায়নি। এরই মধ্যে মজনু দেশে ফিরে আসে এবং স্ত্রী রুনা ও তিন কন্যাকে ফিরিয়ে আনতে রুনাদের বাড়ি যায় মজনু। রুনা তখনও মজনুর সাথে যেতে অস্বীকৃতি যানায় এবং মজনু বিদেশে থাকার সময় ৪ শতাংশ যে জমি ক্রয় করেছে তার নামে সে জমি যদি রুনার নামে রেজিষ্ট্রি করে দেন তবে সে স্বামীর বাড়িতে যাবে তানা হলে জমির দামের পরিামান মোট পনের লক্ষ টাকা তার নামে ব্যাংকে ডিপোজিট করে দিলে তবেই মজনুর সাথে সংসার করবে নচেত নয়।

চাহিদা অনুযায়ী যৌতুকের টাকা পেলে রুনা মজনুর সাথে সংসার করবে সাফ কথা জানিয়ে দেন মজনু কে। শত চেষ্টা করেও মজনু তার তিন সন্তানকে দেখতে পারেনি বলে অভিযোগ করেন। রুনার মা – বাবা কেউ চায়না রুনার সাথে মজনুর সম্পর্ক থাকুক এ অভিযোগ করেন মজনুর পরিবার।

বাংলাপোষ্ট