মাওয়া ঘাটে পুলিশের চাঁদাবাজি

mawatrafদক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলার রাজধানীতে মূল প্রবেশ দ্বার মাওয়া ঘাট! মাওয়া ঘাটে সার্জেন্ট সিন্ডিকেটরা ফিল্মি স্টাইলে প্রকাশ্য দিবালোকে ব্যাপক চাঁদাবাজি করছে। চাঁদা না দিলেই শুরু করেন ঘন ঘন মামলা। আর গাড়ির কোন পূর্বে মামলা থাকলে এ সুযোগে ৩ থেকে ৪ হাজার করে টাকা আদায় করা হচ্ছে। অন্যথায় ফেরি পারাপারের সুযোগ পাওয়া বড় কঠিন। জানিয়েছেন প্রতক্ষ্যদর্শী ও ভূক্তভূগী গাড়ি চালকরা।

তারা আরো জানান, বাংলাদেশের সকল রোডেই গাড়ি নিয়ে যাওয়া আসা হয়। এই মাওয়া ঘাট সার্জেন্টদের মতো এত সাধারণ ত্রুটির জন্য মামলা দিতে কোথাও দেখি নি। এই জন্য ঢাকা থেকে যাওয়া মালবাহী ট্রাকগুলো ভোলা, বরিশাল, পিরোজপুর, পটুয়াখালী, মদারীপুর গোপালগঞ্জ ও ফরিদপুরসহ দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের ২১ টি জেলার প্রতিদিন তিন শতাধিক লোড আনলোড গাড়ির মধ্যে প্রায় অর্ধশত যান – দৌলদিয়া ঘাট দিয়ে পাড়াপার করছে।

আসিশ এন্টারপ্রাইজ নামক পণ্যবাহী ট্রাকের ড্রাইভার আবদুর করিম জানান, মাওয়া ঘাটে সাজেন্ট সিন্ডিকেটরা চাঁদার কারণে ভোগান্তি, করে। যে কারনে মাওয়া ঘাট দিয়ে পার না হয়ে পারলে হই না। দৌলদিয়া ঘাট দিয়েই বেশির ভাগ সময় পার হই।

মাওয়া ঘাটের যানবাহনের সিরিয়াল ঠিক রাখার দায়িত্বে থাকা সার্জেন্ট শাহাদাত হোসেন মালবাহী ট্রাকগুলোকে ধরে ট্রাকের বা ড্রাইভারের লাইসেন্স সামান্য ত্রুটির জন্য সাধ্যেমতো চাঁদা আদায় করেন। চাঁদা ঠিক মতো না হলে মামলা দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া বেশকিছু পরিবহনের লোকজন ভোগান্তির কারনে মাওয়া ঘাট দিয়ে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন বলেও জানিয়েছেন গাড়ি চালকরা।

এবিষয় অভিযুক্ত মাওয়া ঘাটের ইনচার্জ সার্জেন্ট শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘ফেরিঘাটে মালবাহী গাড়ির ভিড় সামালাতে হিমশিম খেতে হয়। তবে চাঁদাবাজির ঘটনাটি অসত্য।’

নতুন সময়