বালুয়াকান্দি ইউপি নির্বাচনে ওসির দাপটে পাঁচ প্রার্থীই পলাতক

gazaria thanaনির্বাচনের নয়দিন বাকি। এখনও মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বালুয়াকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী সাত প্রার্থীর পাঁচজনই প্রচারে নামতে পারেননি; বরং পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

গজারিয়া থানার ওসি মো. ফেরদৌসের অযাচিত দাপটের কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সংক্ষুদ্ধ প্রার্থীরা ইসিতে গত দুই-একদিনের মধ্যে ওসির প্রত্যাহার চেয়ে অভিযোগ দিয়েছেন। আবেদন করা চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন, মো. বিল্লাল হোসেন, শহিদুজ্জামান জাকারিয়া, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, শাহজাহান মাস্টার ও হুমায়ুন কবির সুমন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, গজারিয়া থানার ওসি মো. ফেরদৌস চেয়ারম্যান প্রার্থী মর্জিনা বেগমের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এ জন্য অন্য প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারে নামতে পারছেন না। এমনকি শহিদুজ্জামান জাকারিয়ার বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটালেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ। মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের বাড়িতে গিয়ে প্রতিদিন সন্ত্রাসীরা হুমকি দিচ্ছে। এসব বিষয়ে মামলা করতে চাইলে উল্টো মোবাইল ফোনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারে চাপ দিচ্ছেন ওই ওসি।

এ অবস্থায় মো. ফেরদৌস ও তার অর্শীবাদপুষ্টরা গজারিয়া থানায় কর্মরত থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না বলে দাবি করা হয় অভিযোগপত্রে। প্রতিদ্বন্দ্বী পাঁচ প্রার্থী অভিযোগে আরও বলেন, ওসির নির্দেশে প্রতিদিন প্রার্থীদের বাড়িতে গিয়ে তাদের গ্রেপ্তারের হুমকি দিচ্ছেন থানার এক এসআই।

পাশপাশি মনোনয়ন প্রত্যাহার করে মর্জিনা বেগমের পক্ষে প্রচারে নামতেও চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে।

প্রার্থীদের অভিযোগ ভিত্তিহীন ও সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করে ওসি মো. ফেরদৌস বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করার জন্য যা যা করা দরকার সবই করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বালুয়াকান্দি ইউপির চেয়ারম্যান মো. শামসুদ্দীন নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত হন। ফলে এ পদটি শূন্য হয়।

দৈনিক বর্তমান