উদ্ধার কাজ স্থগিত ঘোষনা : উদ্ধার জাহাজ মাওয়াতেই থাকবে

pinakfinishদীর্ঘ ৮ দিন ধরে পিনাক-৬ লঞ্চটি খুঁজতে ব্যর্থ হয়ে এবার আনুষ্ঠানিকভাবে এর শনাক্তকরণ তৎপরতা সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুন্সিগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) সাইফুল হাসান বাদল।

সোমবার সকাল ১১টায় মাওয়ায় পদ্মা রেস্টহাউজে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের তিনি একথা জানান।

তিনি বলেন, পিনাক-৬ শনাক্তকরণের চেষ্টা সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। তবে উদ্ধারকারী জাহাজ রুস্তম থাকবে মাওয়াতেই।

তিনি বলেন, পিনাক শনাক্তকরণ শেষ হলেও ভাটি অঞ্চলে মরহেদ উদ্ধার কার্যক্রম চলবে। যদি কোনো মরদেহ ভেসে আসে তবে তার ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসন তৎপর রয়েছে।

তিনি বলেন, এ জন্য পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বরিশাল, মাদারীপুর, ভোলা, চাঁদপুর, শরীয়তপুর ও মুন্সিগঞ্জের পুলিশ ও জেলা প্রশাসন নদী থেকে অজ্ঞাত পরিচয় কোনো মৃতদেহ উদ্ধার করলে তা মাদারীপুরে পাঠানো হবে।
pinakfinish
তিনি বলেন, লঞ্চডুবিতে মৃত্যু একটি দুঃখজনক ঘটনা। তবে আমাদের দেশে এ দুর্ঘটনা প্রায়ই ঘটে। এ জন্য আমাদের লঞ্চ মালিকদের সবার আগে সচেতন হতে হবে।

তিনি বলেন, লঞ্চে কোনোভাবেই যেন অতিরিক্ত যাত্রী না নেওয়া হয় এবং ঝুঁকিপূর্ণভাবে যাত্রী বহন না করা হয় এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে।

তিনি বলেন, সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ৪৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে ২৮ জনের মরদেহ। আর পরিচয় পাওয়া যায়নি ১৮ জনের।

এছাড়াও এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ৬১ জন বলেও জানান তিনি।

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর
=================

পিনাকের উদ্ধারকাজ স্থগিত ঘোষণা!

pinakDমুন্সীগঞ্জের মাওয়া ঘাটের কাছে পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া পিনাক-৬ লঞ্চটির খোঁজ আট দিনেও মিলেনি। লঞ্চটির উদ্ধারকাজ স্থগিত ঘোষণা করেছে প্রশাসন। তবে নিখোঁজ যাত্রীদের অনুসন্ধান অব্যাহত থাকবে।

সোমবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক সাইফুল হাসান বাদল এ কথা জানান।

জেলা প্রশাসক বলেন, মাওয়ায় কান্ডারি-২ এ অবস্থান করা চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চিফ হাইড্রোগ্রাফার মঞ্জুরুল আলম চৌধুরীর সঙ্গে সর্বশেষ আলাপ করে আমরা আশাবাদী হতে পারিনি।

তিনি বলেন, নদীর তীব্র স্রোতের কারণে শনাক্তরণ জাহাজের ক্যামেরা স্ক্যানার সোনারে যে ইমেজ ধরা পড়েছে আসলে সে বিষয়ে আমরা নিশ্চিত হতে পারিনি। আমরা চেষ্টা করেছি, দুর্ভাগ্য লঞ্চটির সঠিক সন্ধান আমরা দিতে পারিনি।

সাইফুল হাসান বলেন, এ অবস্থায় লঞ্চটি শনাক্তকরণ ও উদ্ধার তৎপরতা আমরা স্থগিত ঘোষণা করছি। তবে আমরা লাশের সন্ধানে ভাটি অঞ্চলগুলোতে কোস্টগার্ড ও নৌ-টহল জোরদারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। একটি লাশও যদি পাওয়া যায় অন্তত একটি পরিবারকে সান্ত্বনা তো দেয়া যাবে। তাই পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত লাশের তল্লাশি অব্যাহত থাকার ঘোষণা দেন তিনি।

জেলা প্রশাসক জানান, সবশেষ তথ্য অনুযায়ী মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে ৪৬টি, শনাক্ত করা হয়েছে ২৮টি আর বাকিগুলো শনাক্ত করা যায়নি।

বার্তা২৪