আমার বাবা ও ভাইয়ের লাশটা অন্ততঃ ফিরিয়ে দিন

arminলঞ্চ দূর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়া দু বোনের আকুতি
দুর্ঘটনার ৬ দিন অতিবাহিত হলেও খুঁজে পায়নি বাবা ও ভাইকে। সুস্থ হয়ে ৩দিন ধরে তারা মাওয়া ঘাট ও পাচ্চর স্কুলে প্রিয়জনের খোঁজে ছুটছেন। আবার তারা অসুস্থ হয়ে পরছেন। তাদের চোখে এখন আর পানি নেই, অতি কষ্টে তারা যেন পাথর হয়ে গেছেন। লঞ্চ দূর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়া দু’বোনের একটাই আকুতি, আমার বাবা ও ভাইয়ের লাশটা অন্ততঃ ফিরিয়ে দিন।

একই পরিবারের ৫ জন, বরিশালের উজিরপুর থেকে তারা গাজিপুরে যাচ্ছিলেন ঈদের ছুটি শেষে বাবার কর্মস্থলের বাড়ীতে। কে জানে পদ্মায় তাদের বাবা ও ভাইকে কেরে নিবে। দিশে হারা হয়ে পরবে তাদের পরিবার। দুই মেয়ের সাথে মাও বেঁচে গিয়েছেন। স্বামী ও সন্তান হারিয়ে নির্বাক হয়ে গেছেন তিনি।
armin
যে ভাবে তারা বেঁেচ গিয়েছেন, তারা ৫ জনই পিনাক-৬ লঞ্চের ভিতরে ছিলেন, লঞ্চটি ডুবে যাচ্ছে, মানুষের ভিরে তারা কে কাকে রেখে যাবেন, মায়ার বন্ধনে তারা ৫জন একে অপরকে ধরে লঞ্চের ভিতরেই রয়ে গেলেন, লঞ্চ তলিয়ে গেল। আরমিন (১৮) জানান, পানিতে হাবু-ডুবু খাচ্ছি এরপর আর কিছু মনে নেই। পরে জ্ঞান ফিরলে জানতে পারি লৌহজং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আছি।

স্থাণীয় লোকেরা আমাদের দূর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। নিকট আত্মিয়রা খবর পেয়ে আমাদের খুঁজে এই হাসপাতালে পায় আমি আমার ছোট বোন আরফিন (১৬) ও মা রীনা রহমান (৩৮) তিনজনই এই হাসপাতালে ছিলাম। বাবা মিজানুর রহমান (৪৫) ও ভাই ইমতিয়াজুর রহমান (৯) ৬ দিনেও কোন খোঁজ মিলেনি।

বাংলাপোষ্ট