জীবিত উদ্ধারের ঘটনাটি সাজানো

saroমুন্সীগঞ্জের পদ্মায় পিনাক-৬ লঞ্চডুবির ঘটনায় সারোয়ার রহমান (৩৪) নামে এক ব্যক্তি জীবিত উদ্ধারের ঘটনাটি সাজানো বলে জানিয়েছেন এএসপি মনিরুজ্জামান। ওই ব্যক্তির আসল নাম রাসেল। এ ব্যাপারে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলেও জানান এএসপি মনিরুজ্জামান।

শুক্রবার দুপুরে ওই ব্যক্তিকে মুন্সীগঞ্জের পদ্মার চর থেকে উদ্ধার করা হয় বলে গণমাধ্যমে খবর হয়।

এর কিছুক্ষণ পর সংবাদকর্মীরা তার সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি গুজব বলে জানতে পারেন।
saro
জানা যায়, ওই ব্যক্তি দুপুর আড়াইটার দিকে তার ভাই-ভাবীকে খোঁজ করতে গেলে মাওয়ার কন্ট্রোল রুমে আসে। তখন এই ধরনের গুজব ছড়িয়ে পড়ে।

এদিকে টিভি মিডিয়াসহ গণমাধ্যম গুলোতে ‘জীবিত উদ্ধার’ সংবাদ প্রচার হলে সারাদেশে এ নিয়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

জীবিত উদ্ধারের কথা অস্বীকার করে সারোয়ার রহমান ওরফে রাসেল জানান, গত সোমবার পিনাক-৬ লঞ্চটিতে তিনি ও আমার ভাই-ভাবী ছিলেন। একটি সী-বোর্ড তাকে উদ্ধার করলেও ভাই-ভাবী উদ্ধার হয়নি। সী-বোর্ডটিতাকে (রাসেল) উদ্ধার করে মাদারীপুরের শিবচর এলাকার চরে নামিয়ে দেয়। এরপর তিনি ৩ দিন মাঝিকান্দিসহ আশেপাশের বিভিন্ন চরে, নদীর পাড়ে খোঁজ করেন ভাই-ভাবীকে।

তাদের তিনদিন খোঁজ করে না পেয়ে শুক্রবার দুপুরে পুলিশ কন্ট্রোল রুমে এসে খোঁজ নেন বলে জানান তিনি।

এদিকে এ ঘটনা নেহায়েত গুজব বলে অভিহিত করেছেন মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক সাইফুল হাসান বাদল। তিনি বলেন, কিভাবে এ ঘটনা প্রচার করা হলো তা ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায়, তার প্রকৃত রাসেল।

শীর্ষ নিউজ
========

পদ্মায় জীবিত উদ্ধারের ঘটনাটি সাজানো

পদ্মা নদীতে লঞ্চডুবির পাঁচ দিন পর জীবিত উদ্ধার হওয়ার ঘটনাটি সাজানো। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তি টাকার বিনিময়ে অভিনয় করেছেন বলে জানিয়েছেন শ্রীনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুজিবর রহমান।

তিনি জানান, পাঁচ দিন আগে পদ্মায় ডুবে যাওয়া যাত্রীবাহী লঞ্চ পিনাক-৬ এর এক ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার করা হয় শুক্রবার। কিন্তু ওই ব্যক্তি একজন মাদকাসক্ত। টাকার বিনিময়ে একজন ক্যামেরাম্যানের যোগসাজশে তিনি অভিনয় করেন। মাদকাসক্ত ওই ব্যক্তি নিজের নাম ‘সরোয়ার’ দাবি করলেও আসলে তার নাম রাসেল (২০)। তিনি মাদারীপুরের কুকরাইল এলাকার আলাউদ্দিন সর্দারের ছেলে।

শুক্রবার বিকেলে মাওয়া ঘাটে স্থাপিত পুলিশ কন্ট্রোল রুম থেকে মুজিবর রহমান মাইকে ঘোষণা দিয়ে বিভ্রান্তি দূর করেন।

শ্রীনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুজিবর রহমান আরও জানান, পাঁচ দিন পর জীবিত উদ্ধারের দাবি করার আমাদের সন্দেহ হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে রাসেল সব স্বীকার করে। বর্তমানে সে মাওয়া নৌপুলিশ ফাঁড়িতে রয়েছে।

বার্তা২৪
====

নিখোঁজ ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধারের ঘটনা ‘সাজানো’

পদ্মায় লঞ্চডুবিতে নিখোঁজ সারোয়ার রহমানকে (৩০) জীবিত উদ্ধারের ঘটনা সাজানো বলে দাবি করেছে প্রশাসন। শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে ওই ব্যক্তি তার ভাই-ভাবিকে খোঁজ করতে আসলে তিনি জীবিত উদ্ধার হয়েছেন বলে গুজব ছড়িয়ে পড়ে।

এদিকে বিভিন্ন টিভি মিডিয়াসহ গণমাধ্যমগুলোতে ‘লঞ্চডুবির চারদিন পর নিখোঁজ সারোয়ারকে জীবিত উদ্ধার’ সংবাদ প্রচার হলে সারাদেশে এ নিয়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

জীবিত উদ্ধারের কথা জানিয়ে সারোয়ার রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘সোমবারে পিনিক-৬ লঞ্চটিতে আমি, আমার ভাই ও ভাবি ছিলাম। একটি সি-বোর্ড আমাকে উদ্ধার করলেও আমার ভাই ও ভাবি উদ্ধার হননি। আমাকে উদ্ধার করে মাদারীপুরের শিবচর এলাকার চরে নামিয়ে দেয়। ৩ দিন মাঝিকান্দিসহ আশেপাশের বিভিন্ন চরে, নদীর পাড়ে ভাই-ভাবিকে খোঁজাখুজি করি। এরপর তাদের খোঁজ না পেয়ে শুক্রবার দুপুরে পুলিশ কন্ট্রোল রুমে এসে খোঁজ নেই।’

সারোয়ার রহমান ঢাকার মিরপুরের বাসিন্দা। তার বাবার নাম লুৎফুর রহমান বলেও জানান তিনি।

এদিকে ঘটনাটিকে সাজানো বলে জানিয়েছেন মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক সাইফুল হাসান বাদল। তিনি বলেন, ‘কীভাবে এ ঘটনা প্রচার হলো তা ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

এ বিষয়ে এএসপি মনিরুজ্জামান জানান, সারোয়ারকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। সারোয়ার যা বলেছেন তা সব মিথ্যা। লঞ্চে তিনি এবং তার কোনো আত্মীয় ছিলেন না। তিনি টাকার লোভে এ নাটক সাজিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ছাড়া সারোয়ারকে যারা এ কাজে উৎসাহ দিয়েছেন তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।

দ্য রিপোর্ট