স্ত্রী ও ২ মেয়ের লাশ পেলেই খুশি স্যানেটারি মিস্ত্রি জব্বার!

pinakDযেখানে রাত সেখানেই কাত। রাত-দিন কাটছে প্রিয়জনের অপেক্ষায়। মাঝে মধ্যে লাশ ভেসে উঠার খবর কানে এলে ছুটে যান পদ্মার পাড়ে। লঞ্চ ডুবিতে গত ৪ দিন ধরে এক কাপড়ে মুন্সীগঞ্জের মাওয়ায় পদ্মার পাড়ে নিখোঁজ প্রিয়জনদের খুঁজে বেড়াচ্ছেন তিনি। তার নাম আলী জব্বার (৫৫)।

বাড়ি নারায়নগঞ্জের ফতুল্লার কাশীপুর গ্রামে। প্রিয়জনকে জীবিত পাবেন-এমন আশা নেই। কাঁদতে ভুলে গেছেন। মরা কান্না নয়, স্ত্রী ও ২ মেয়ের লাশ পেলেই বেজায় খুশি হবেন বলে মাওয়ায় পদ্মা পাড়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে সাংবাদিকদের কাছে এ সব জানিয়েছেন স্যানিটারি মিস্ত্রি আলী জব্বার।

গত সোমবার বেলা ১১ টার দিকে মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে এমএল পিনাক-৬ নামে লঞ্চ ডুবিতে আলী জব্বারের স্ত্রী জাহানারা বেগম (৪৬), ২ মেয়ে হালিমা বেগম (২০) ও তানজিলা বেগম (১৮) এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। তবে প্রানে বেঁেঁচ আছেন তিনি ও আনোয়ার হোসেন (২৩)।

ঈদ উৎসবে নারায়নগঞ্জের নিজ বাড়ি থেকে স্বপরিবারে আলী জব্বার শরীয়তপুরের জাজিরায় মামা শ্বশুড়ের বাড়িতে বেগাতে গিয়েছিলেন। ঈদ আনন্দ কাটিয়ে সোমবার নিজ বাড়িতে ফেরার উদ্দেশ্যে কাওড়াকান্দি ঘাট থেকে লঞ্চে চড়েন।

মাওয়ায় আসার পথিমধ্যে মাঝ পদ্মায় প্রচন্ড স্রোত ও ঢেউয়ের তোড়ে লঞ্চটি ডুবে গেছে ছেলেসহ আলী জব্বারকে জীবিত উদ্ধার করে স্থানীয় স্পিডবোট চালকরা। তবে ৪ দিনেও খোঁজ পাওয়া যায়নি স্ত্রী ও ২ মেয়ের।

বিডিলাইভ