পদ্মায় লঞ্চডুবি : মিলেছে ৩০ মৃতদেহ

হস্তান্তর হওয়া ১৬ লাশের পরিচয়
মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ঘাটের কাছে ডুবে যাওয়া লঞ্চ ‘পিনাক-৬’ এর নিখোঁজ ১৪৬ (এ পর্যন্ত দাবিকৃত) জনের মধ্যে ৩০ জনের মৃতদেহ পানির উপরে ভেসে উঠেছে। সরকারি কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়দের তৎপরতায় এ সব মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ১১৬ জন।

৩০টি লাশের মধ্যে ১৬ জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ায় তা স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি ১৪টি লাশ মাদারীপুর জেলার শিবচরের পাঁচ্চর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাখা হয়েছে বলে মাওয়া ঘাটে স্থাপিত মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশের সাব-কন্ট্রোলরুম থেকে জানানো হয়েছে।

মাওয়া ঘাটে পুলিশের স্থাপিত সাব-কন্ট্রোলরুমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী হস্তান্তর হওয়া ১৬টি মৃতদেহের পরিচয় হলো- মাদারীপুর জেলার শিবচরের নূরুল হকের মেয়ে হিরা (২২), জব্বার প্রধানের মেয়ে লাকি (২৫), আলম শেখের স্ত্রী হাসি বেগম (৩৮), নূরুল ইসলাম হাওলাদারের ছেলে মিজানুর (৩৫), হায়দার চৌকিদারের মেয়ে ইমা (১৮), রহিম মাদবরের মেয়ে ইপা আক্তার (১৪), রহিম মাদবরের দেড় বছরের সন্তান ইব্রাহিম (১ বছর ৭ মাস), ফরিদপুরের নগরকান্দার রিয়াজুল, আব্দুল হাই খলিফার মেয়ে রিতা আক্তার (২৫), ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার আজিজ মাদবরের ছেলে আবু ইউসুফ (২২), সদরপুর উপজেলার সাতরশি গ্রামের মো. রুবেলের মেয়ে ফাইজা, মানিকনগর গ্রামের মনির উদ্দিনের ছেলে জামাল (২৭), গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার ইব্রাহিম হোসেনের মেয়ে ইশরাত হোসেন মিম (১৩), বরিশালের বাকেরগঞ্জের শহীদুল ইসলাম জমাদ্দারের ছেলে জাহিদ হোসেন (১৫), হানিফ মাস্টারের ছেলে জাকির হোসেন জুলহাস (৪০) ও ঝালকাঠি জেলার কাঁকড়াদিয়ার লুৎফুর রহমানের ছেলে ফাহাদুল করিম (২৪)।

মুন্সীগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার (শ্রীনগর সার্কেল) মিয়া কুতুবুর রহমান জানান, পরিচয় পাওয়ামাত্র লাশ হস্তান্তর করা হচ্ছে। উদ্ধারকারী জাহাজ ডুবে যাওয়া জাহাজটির অনুসন্ধানে কাজ করছে।

দ্য রিপোর্ট