মাওয়ায় লঞ্চডুবি: ৬ লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর

pinakDমুন্সীগঞ্জের মাওয়ায় পদ্মায় ডুবে যাওয়া পিনাক-৬ লঞ্চের যাত্রীদের লাশ ভেসে ওঠছে ভাটিতে। ভেসে আসা এসব লাশের মধ্যে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর আজ বুধবার আরো চার যাত্রীর লাশ উদ্ধার হওয়া স্থান থেকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত লাশগুলো হলো, ভোলা থেকে উদ্ধার হওয়া ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ার লুৎফর রহমানের পুত্র ফরহাদ (২৪), শরীয়তপুরের নাড়িয়ার সুরেশ্বর থেকে উদ্ধার হওয়া মাদারীপুরের শীবচরের নুরুল ইসলাম হাওলাদারের পুত্র মিজানুর রহমান (৩৫) ও শায়িতপুরের জাজিরার আব্দুর জাব্বারের কন্যা জান্নাতুল মাওনা লাকি (২০) এবং চাঁপুরের হাইমচর থেকে উদ্ধার হওয়া ফরিদপুরের নগরকান্দার আব্দুল হাইয়ের কন্যা রিতা আক্তার (২৫)।

জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল হাসান বাদল এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, এনিয়ে এ পর্যন্ত ছয় লঞ্চ যাত্রীর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হলো। বিভিন্ন স্থানে আরো তিনটি লাশ উদ্ধারের খবর পাওয়া গেছে। সেগুলো যাচাই বাছাই শেষে পরিচয় নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে লঞ্চটি উদ্ধারেও সব রকমের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। নদীর তলদেশের মাটির নিচের অবস্থান জানার ক্ষমতাসম্পন্ন কান্ডারী-২ জাহাজ চট্টগ্রাম থেকে তলব করা হয়েছে। তবে এখনও এটি ঘটনাস্থলে পৌঁছায়নি। এটি পৌঁছালে লঞ্চটি সনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে ধারণা করছে সংশ্লিষ্টরা।

উল্লেখ্য, গত সোমবার সকালে কাওড়াকান্দি থেকে ছেড়ে আসা এমএল পিনাক-৬ মাওয়া লঞ্চ ঘাট থেকে পৌনে ১ কিলোমিটার দূরে লৌহজং চ্যানেলে আড়াইশ যাত্রী নিয়ে প্রায় ৯০ ফুট পানির নিচে তলিয়ে যায়। ১’শ যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা গেছে। এখনও নিখোঁজ শতাধিক।

বাংলাপোষ্ট