পদ্মায় ১০ ঘন্টা লড়াই করে অলৌকিক ভাবে বেঁচে গেল রানা

pinakDসোমবার লৌহজংয়ের মাওয়ার অদুরে পদ্মা নদীতে এমএল পিনাক ৬ লঞ্চডুবির পর প্রায় ২০ মাইল নদীপথে ভাসতে ভাসতে প্রানে বেচেঁ গেছেন সোয়েটার ফ্যাক্টরির শ্রমিক মোঃ রানা (১৯)। নিজের বুদ্বি মত্তায় কারনে প্রানে বেঁচে গেছেন রানা সে তার পড়নের লুঙ্গি দু পায়ের মাঝখানে গিট দিয়ে লুঙ্গিটাকে বেলুনের মতো কওে ফুলিয়ে তিনি ঘন্টার পর ঘন্টা খর¯্রােতা পদ্মার উত্তাল ঢেউয়ের সঙ্গে ১০ ঘন্টা লড়াই কওে বেঁচে থাকেন। আড়াই শতাধিক যাএীবোঝাই লঞ্চটি ¯্রােত আর ঢেউয়ের তোড়ে সোমবার বেলা ১১টার দিকে পদ্মার মাঝ নদীতে ডুবে গেলে শ্রমিক রানার বেঁচে থাকার লড়াই শুরু হয়। লুঙ্গি ফুলিয়ে সে ভাসতে থাকে নদীতে।

এ ভাবে সে প্রায় ১০ ঘন্টা ধওে নদীতে বেসে ছিলেন। ২০ মাইল দুওে নদীতে ভাসতে ভাসতে ভাটি অঞ্চলের দিকে জেলার টঙ্গীবাড়ী উপজেলার দীঘিরপাড় গ্রামের সাথে পদ্মা নদীতে ইলিশ মাছ ধরতে আসা জেলেদের জালে আটকা পড়ে সোমবার রাত ৮টার দিকে। রানাকে জেলেরা উদ্বার করে তাদের বাড়িতে নিয়ে যায়। জেলেরা মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে জানায় তার পরিবারকে রানার বেঁচে থাকার খবর। রানা বেঁচে থাকার খবর পেয়ে আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে পরে তার পরিবার সোমবার রাতেই ছেলেকে ফিরিয়ে আনতে মাওয়া ঘাটে ছুটে আসে অপেক্ষারত রানার বাবা মোঃ তৈয়ব আলী।

তিনি জানান, নিজের বুদ্বি কাজে লাগিয়ে অলৌকিক ভাবে বেঁচে যাওয়া শ্রমিক রানা ৪ ভাই বোনের মধ্যে সবার বড়। গাজীপুরের একটি সোয়েটার ফ্যাক্টরিতে সামান্য বেতনে কাজ করার সুবাধেঁ সেখানেই বসবাস করত রানা। ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার জাদুয়ার চর গ্রামের বাড়িতে আসেন রানা। স্বজনদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ শেষে সোমবার কর্মস্থলের উদ্যেশে কাওড়াকান্দি ঘাট থেকে মাওয়াগামী এমএল পিনাক ৬ লঞ্চে উঠলে দুঃঘটনায় পরেন রানা সহ আড়াই শতাধিক যাএী নিয়ে লঞ্চটি।

বাংলাপোষ্ট