খোঁজ মেলেনি পিনাকের : এগারো লাশ উদ্ধার

pinaklasheমুন্সীগঞ্জের মাওয়ার কাছে পদ্মায় ডুবে যাওয়া লঞ্চের সন্ধান এখনো মিলেনি। যত সময় গড়াচ্ছে ততেই লঞ্চটি উদ্ধারের সম্ভাবনা ক্ষীণ হচ্ছে। এ ঘটনায় বুধবার দুপুর পর্যন্ত মোট ১১টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রশাসনের তালিকা অনুযায়ী নিখোঁজ রয়েছেন ১৩২ জন।

এর মধ্যে সোমবার মাওয়া এলাকায় পদ্মা নদী থেকে দুই নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। এর পর মঙ্গলবার কোনো মরদেহ উদ্ধার হয়নি। তবে বুধবার সকাল থেকে ভোলা, চাঁদপুর ও শরীয়তপুরে নয়টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এসব লাশ লঞ্চ পিনাক-৬-এর যাত্রী বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বুধবার সকালে ভোলা সদর থেকে তিনটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে একজনের নাম ফাহাদ বলে জানা গেছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি (৪০) ও কিশোরীর (১৪) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

অপরদিকে, শরীয়তপুর সদর ও সুরেশ্বর থেকে মোট চারটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর একটি নারীর মরদেহ। এছাড়া চাঁদপুর থেকে উদ্ধার করা হয় আরো দুটি লাশ।
pinaklashe
বুধবার সকালে আবারো শুরু হয়েছে উদ্ধার তৎপরতা। তবে এতে অগ্রগতি না থাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে নিখোঁজ যাত্রীদের স্বজনদের মধ্যে। নারায়ণগঞ্জ থেকে উদ্ধারকারী জাহাজ রুস্তম এবং চট্টগ্রাম থেকে প্রত্যয় দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করলেও এখনো ডুবে যাওয়া লঞ্চটির অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধার কাজে অংশ নেয়ার জন্য চট্টগ্রাম থেকে রওনা দিয়ে অনুসন্ধানকারী জাহাজ জরিপ-১১ বিরূপ আবহাওয়ার কারণে ফিরে গেলেও কাণ্ডারি -২ দুর্ঘটনাস্থলের পথে রয়েছে।

প্রসঙ্গত, সোমবার মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার কাওড়াকান্দি ঘাট থেকে সকাল ৯টা ৩২ মিনিটে দুই শতাধিক যাত্রী নিয়ে এমএল পিনাক-৬ নামের একটি ছোট লঞ্চ মাওয়ার উদ্দেশে ছেড়ে আসে। পথিমধ্যে কাঁঠালবাড়ী ঘাট থেকে ৩০-৩৫ জন যাত্রী ওঠানো হয়। লঞ্চটি মাওয়ার অংশের উত্তাল পদ্মা পাড়ি দেয়ার সময় ঢেউ, দমকা বাতাস ও ঘূর্ণিস্রোতে আক্রান্ত হয়। পরে কাত হয়ে এক মিনিটের মধ্যেই ডুবে যায়।

বার্তা২৪