সাইট স্ক্যানারে কাজ করছে নৌবাহিনী, জরিপ-১১ পৌঁছবে মধ্যরাতে

Pinak skmawaনৌবাহিনীর বিশেষ জাহাজ তাদের সাইট স্ক্যানার ‘সোনার’ ও ‘হাইড্রোগ্রাফিক সার্ভে’র মাধ্যমে লঞ্চ শনাক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান। মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে এ কথা জানান তিনি।

শাজাহান খান বলেন, সেনাবাহিনীর এ বিশেষ স্ক্যানার দিয়ে আশপাশের প্রায় ১৫০ গজ পর্যন্ত জায়গা স্ক্যান করা যায়। এ স্ক্যানার দিয়ে কাজ চলছে। তবে এখনো ডুবে যাওয়া লঞ্চের সন্ধান পাওয়া য়ায়নি।

তিনি আরো বলেন, শরীয়তপুর থেকে চাঁদপুর পর্যন্ত সব জায়গায়ই স্ক্যান করা হবে।

এদিকে জরিপ-১১ চট্টগ্রাম থেকে মধ্যরাতে মাওয়া এসে পৌঁছবে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, এ অত্যাধুনিক জাহাজটি মাটির নিচের জিনিস শনাক্ত করতে পারে। প্রবল স্রোতের কারণে যদি লঞ্চটি মাটির নিচে ডুবে গিয়ে থাকে তবে এ জাহাটি শনাক্ত করতে পারবে।

স্বজনদের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, পদ্মা অনেক বড় নদী। আমরা বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন ভাবে অভিযান চালাচ্ছি।

বিআইডব্লিউটি থেকে নিহতের স্বজনদের মধ্য থেকে ২৫ জনকে ১ লাখ ৫ হাজার টাকা করে পুনর্বাসনের জন্য দেওয়া হবে। এছাড়া জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে প্রতি লাশের সঙ্গে ২০ হাজার করে দেওয়া হচ্ছে।

সোমবার বেলা ১১টায় মাওয়া ঘাটের একশ’ গজ দূরে পদ্মায় প্রায় আড়াইশ যাত্রী নিয়ে তলিয়ে যায় পিনাক-৬ লঞ্চটি। সাঁতরে তীরে উঠে আসেন ৪০-৪৫ জন যাত্রী।
নিখোঁজের তালিকায় জমা পড়েছে আরো ১২৯ জনের নাম।

লঞ্চডুবির পর থেকে সার্বক্ষণিক ভাবেই উদ্ধার অভিযান তদারক করছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী।

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর