মাওয়ায় লঞ্চ ডুবিতে নিখোঁজ দের শতাধিক

mawamঢিলেঢালা উদ্ধার অভিযানে স্বজনদের ক্ষোভ
আরিফ হোসেন: কাওড়াকান্দি থেকে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করে লৌহজংয়ের মাওয়ায় আসার পথে সোমবার বেলা ১১ টার দিকে এমভি পিনাক-৬ নামে একটি যাত্রীবাহী লঞ্চ মাওয়া প্রান্তের পদ্মা নদীতে তীব্র স্রোতের কবলে পড়ে ডুবে যায়। লঞ্চ ডুবির চার ঘন্টা পার হয়ে গেলেও শুধু মাত্র হেলিকপ্টার টহল ও বিআইডব্লিউটির হালকা নৌযানের এদিক ওদিক মহড়া ছাড়া তেমন কোন তৎপরতা না থাকায় নিখোজ স্বজনরা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।

ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিদল ছাড়া উপস্থিত থাকলেও প্রতিকূল আবহাওয়ার দোহাই দিয়ে কেউ উদ্ধার কাজে নামছেনা। নিখোজ স্বজনদের আহাজাড়িতে ভাড়ি হয়ে উঠেছে পদ্মা পারের বাতাস। তাৎক্ষনিকভাবে লঞ্চের প্রায় ১১০ জন যাত্রীকে স্থানীয়রা সিবোটে ও ট্রলারের মাধ্যমে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন। এখনও নিখোঁজ রয়েছে প্রায় দেড় শতাধিক যাত্রী।

এ সংবাদ লেখার সময় বিকাল সাড়ে ৪ টা পর্যন্ত লঞ্চের ২অজ্ঞাতনামা মহিলার মরদেহ উদ্ধার করে মাওয়া প্রান্তে রাখা হয়েছে বলে মাওয়ার নৌ-পুলিশের ইনচার্জ এসআই খন্দকার খালিদ হোসেন জানিয়েছেন। এদিকে, জীবিত উদ্ধার অন্তত ৮০ জনকে স্থানীয় হাসপাতালসহ ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। নিহতদের অধিকাংশের বাড়ি মাদারীপুর ও শরীয়তপুর জেলায়। ঈদ শেষে তারা ঢাকার কর্মস্থলে ফিরছিলেন।

লঞ্চটি মাওয়ার ১ কিলোমিটার অদূরে পানির গভীরে তলিয়ে গেছে। এখনো পর্যন্ত লঞ্চটির নিশানা ঠিক করতে পারেনি উদ্ধার কারীরা। অতিরিক্ত যাত্রী ও পদ্মায় তীব্র স্্েরাতের কারণে লঞ্চটি ডুবে গেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। দুপুর পৌনে ১টার দিকে নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান দুর্ঘটনাস্থলে পৌচেছেন। দুপুর পৌনে ১টার দিকে উদ্ধারকারী জাহাজ রুস্তম নারায়নগঞ্জ থেকে মাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হলেও তা এখনো পর্যন্ত ঘটনাস্থলে এসে পৌছেনি। লঞ্চটিতে তিন শতাধিক যাত্রী ছিলেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

mawaL

mawam