পদ্মায় লঞ্চডুবি: ৫ লাশ উদ্ধার

mawa Lashসোমবার সকাল ১১টার দিকে মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটের মাঝ পদ্মায় উত্তাল ঢেউয়ের তোড়ে পিনাক-৬ নামের লঞ্চটি ডুবে যায়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে প্রায় ১০০ যাত্রীকে। বাকীরা নিখোঁজ রয়েছেন। মাওয়া বন্দর কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন জানান, লঞ্চডুবির ঘটনায় দুপুরে শিবচরের আনোয়ার হোসেন (২৫) ও মাদারীপুরের আবদুল বাতেনের (৪৫) লাশ উদ্ধার করা হয়।

তিনি জানান, এ ঘটনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান হিরা (২০), আতিক (৪৫) ও কমল মণ্ডল (২২)। তাদের বাড়ি ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায়।
mawa Lash
এর আগে বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান ড. শামছুদ্দোহা খন্দকার জানান, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে লঞ্চটি ডুবে যায়। এতে প্রায় আড়াইশ’ যাত্রী ছিল। দুর্ঘটনাকবলিত লঞ্চের প্রায় ১০০ যাত্রীকে ইতিমধ্যে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। বাকীরা এখনও নিখোঁজ রয়েছে।

তার আগে মাওয়া নদী বন্দরের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর জাহাঙ্গীর ভূইয়া জানিয়েছিলেন, লঞ্চটি তিন শতাধিক যাত্রী নিয়ে কাওড়াকান্দি থেকে মাওয়ার দিকে আসছিল। যাত্রীদের বেশির ভাগই ঈদের ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছিলেন। তিনি জানান, দুর্ঘটনার পরপরই আশপাশে থাকা লঞ্চ ও সি বোটের মাধ্যমে ডুবে যাওয়া লঞ্চের যাত্রীদের উদ্ধার করা হচ্ছে।

এদিকে লঞ্চডুবির খবর পেয়ে বেলা পৌনে ১টার দিকে নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান ঘটনাস্থলে গেছেন। তিনি জানান, লঞ্চটিতে ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী ছিল।

এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরো বলেন, ঈদের কারণে বিআইডব্লিউটিএ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রচেষ্টা সত্ত্বেও যাত্রীদের ঠেকানো যায়নি। তারা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে লঞ্চে উঠৈছে। তিনি জানান, দুটি উদ্ধারকারী জাহাজ ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছে। জাহাজ দু’টি এসে পৌঁছলেই ডুবে যাওয়া লঞ্চের উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হবে।

এদিকে নৌবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, নৌবাহিনীর ১২ সদস্যের একটি ডুবুরিদল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।

অন্যদিকে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার মাহমুদ জানান, লঞ্চডুবির ঘটনায় উদ্ধারকারী দলকে সহায়তা করতে সেখানে র‌্যাবের হেলিকপ্টার টহল শুরু হয়েছে।

বার্তা২৪