দুই মেয়েকে নিয়ে বেঁচে এলেন মা: নিখোঁজ স্বামী ও ছেলে

miraztপরিবারের সদস্যদের নিয়ে বরিশালের উলিপুরে গ্রামের বাড়িতে ঈদ করতে গিয়েছিলেন গাজিপুরের একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের গাড়ি চালক মিজানুর রহমান। গ্রামের স্বজন আর পরিবার পরিজনদের সাথের ঈদ কেটেছে আনন্দেই। ঈদ শেষে কর্মস্থলে যোগ দিতে ফিরছিলেন গাজিপুরে। পথিমধ্যে মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌপথের মাওয়ায় পদ্মা নদীতে ঘটে লঞ্চডুবির ঘটনা।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী মিনা বেগম, বড় মেয়ে আরমিন,ছোট মেয়ে আরফিন ও একমাত্র ছেলে ইমতিয়াজ। তাদের বহন করা যাত্রীবাহী এমএল পিনাক-৬ লঞ্চটি প্রচন্ড ¯্রােত ও ঘূর্ণাবর্তের কবলে পড়ে ডুবে গেলে উত্তাল পদ্মার বুকে দীর্ঘ সময় ভেসে ছিলেন মা ও দুই মেয়ে। দূর্ঘটনার প্রায় ২০ মিনিট পরে স্থানীয় স্পীডবোট চালকরা তাদের উদ্ধার করে তীরে মাওয়া ঘাটে নিয়ে আসে। মাকে নিয়ে দুই বোন আরমিন ও আরফিন বেঁচে আসলেও দূর্ঘটনার ৭ ঘন্টা পার হলেও সন্ধান মিলেনি বাবা মিজানুর রহমার ও ছোট ভাই ইমতিয়াজের। বাবা ও ভাইয়ের জন্য তাদের কান্নায় মাওয়ার আকাশ-বাতাস ভাড়ি হয়ে উঠেছে।

তোমাদের বাবা ও ছোট ভাই বেঁচে আছে ভালো আছে-তাদের হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়েছে এ কথা বলে মা মিনা বেগম দুই মেয়েকে শান্তনা দিচ্ছেন।

মাদারীপুরের কাওড়াকান্দি ঘাট থেকে সোমবার সকাল পৌনে ১১ টায় মাওয়া উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা এমএল পিনাক-৬ সকাল ১১টার দিকে মাঝ পদ্মায় মাওয়া ঘাটের অদূওে ডুবে যায়।