পদ্মার চরে দিয়ারা জরিপের খাস জমি বন্দোবস্ত কার্যক্রম স্থগিত

ব.ম শামীম: মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার পদ্মায় জেগে ওঠা খাস জমি বন্দোবস্ত কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। এতে নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হাজার হাজার ভূক্তভোগীদের মাঝে চাপা অসন্তোষ বিরাজ করছে। এ নিয়ে ভূক্তভোগী নদীসিকস্তীরা চরম বিপাকের মধ্যে পড়েছেন।

এর আগে গত রোববার সকালে দিয়ারা জরিপ বাতিলের দাবীতে আধা ঘন্টাব্যাপি লৌহজং-ঘোরদৌড় এলাকায় প্রায় দুই কিলোমিটার সড়কে একটি মানববন্ধনসহ ইউএনও অফিস ঘেরাও করে সহ¯্রাধিক ভূক্তভোগী। এ সময় ভুক্তভোগী ভূমি মালিকেরা দিয়ারা জরিপ বাতিলসহ পুর্নরায় খাজনা চালু করে প্রকৃত মালিককে জমি ফিরিয়ে দেয়ার দাবীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি স্মারক লিপি পেশ করেন। ফলে ঐদিনই নদীভাঙন পরিবারের মধ্যে দিয়ারা জরিপের খাস জমি বন্দোবস্ত প্রদানের আবেদন জমা নেয়ার সকল কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।

উপজেলা ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার (ভূমি)আবুল কালাম স্বাক্ষরিত সরকারী এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ স্থগিতাদেশ সংশিষ্ট সকলকে অবহিত করা হয়। এর আগে উপজেলার ২০টি মৌজার নদীভাঙন পরিবারের অনুকূলে মুন্সীগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের (রাজস্ব) মৌখিক নির্দেশে গত ৮জুন থেকে কৃষি খাস জমি বন্দোবস্ত প্রদানের আবেদন জমা নেয়ার কার্যক্রম চালু করা হয়েছিল।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ খালেকুজ্জামান জানান, আগামী সোমবার স্থানীয় এমপি মহোদয় ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ ভূক্তভোগী সংশিষ্ট সকলের উপস্থিতিতে একটি সভায় এর সমাধান করা হচ্ছে। তবে এ লক্ষ্যে ভুক্তভোগী ভূমি মালিকেরা দিয়ারা জরিপ বাতিলসহ পূর্নরায় খাজনা চালু করে প্রকৃত মালিককে জমি ফিরিয়ে দেয়ার দাবীতে একটি স্মারক লিপি পেশ করেছেন। উপজেলা ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার (ভূমি)আবুল কালাম জানান, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের অধীনে এসব জেগে ওঠা চরের ২৩ টি মৌজার জমিসমূহ খাস করা হয়েছিল। গত রোববার থেকে নদীভাঙন পরিবারের মধ্যে খাস জমি বন্দোবস্ত প্রদানের আবেদন জমা নেয়ার কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।