সরকারের লুটপাটে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের টাকা বেড়েছে

nkনিউ এজ সম্পাদক নুরুল কবির বলেছেন, জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন যখন বিশ্বের কোনো একটি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে তার দেশের নিজস্ব সংকট মোকাবেলার জন্য প্রতিপক্ষের সঙ্গে সংলাপের আহ্বান জানান তখন এ বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যায় যে সেদেশে একটি রাজনৈতিক সংকট রয়েছে।

তিনি বলেন,তার আহ্বান বাংলাদেশ সাড়া দেবে কি দেবে না সেটা ভিন্ন প্রশ্ন। কিন্তু জাতিসংঘের মহাসচিব যখন সংলাপের তাগিদ দেন তার মানে হচ্ছে তাদের কাছে বাংলাদেশ ইস্যুটি একটি আন্তর্জাতিক সমস্যা হিসেবে বিদ্যমান রয়েছে। এর কতগুলো প্রতীকি রাজনৈতিক তাৎপর্য আছে যা বাংলাদেশের জন্য শুভ খবর নয়।

নুরুল কবির বলেন, ৫ জানুয়ারির তথাকথিত নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে যে সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সেই সরকারকে একমাত্র ভারত ছাড়া বিশ্বের কোনো দেশই রাজনৈতিকভাবে ন্যায্য সরকার হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। আর এটি বাংলাদেশের ইমেজকে আন্তর্জাতিকভাবে ক্ষুণ্ন করেছে। একইসাথে আওয়ামী লীগ সরকারকে শুধুমাত্র ক্ষমতালিপ্সু সরকার হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

তিনি বলেন,যারা এ সরকারের বিরোধীতা করছে তাদের দাবির ন্যায্যতা দিয়েছে বান কি মুনের বক্তব্য।

নুরুল কবির বলেন, সুইস ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের টাকার পরিমাণ গত এক বছরে ৬২ শতাংশ বেড়ে থাকলে এটা বুঝতে হবে যে গত সরকারের শাসনামলে বাংলাদেশে যে অর্থনৈতিক লুটপাট হয়েছে তারই চিত্র এটি। গত শাসনামলে কতগুলো ব্যাংক লুট হয়েছে, কতগুলো বড় বড় আর্থিক কেলেঙ্কারী হয়েছে এবং এসব জালিয়াতিতে সরকারি দলের লোকজন জড়িত। সরকারি লোকজন জড়িত না থাকলে পাবলিকের সম্পত্তি এভাবে লুটপাট করা যায় না।

তিনি বলেন, গত পাঁচ বছরে আওয়ামী লীগ যে লুটপাট করেছে সেটার কারণে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থের পরিমাণ ৬২ শতাংশ বেড়েছে। আর সাধারণত লুটপাটকারীরা বেনামে তাদের টাকা সুইস ব্যাংকে রাখে। ফলে আপাতত একথা বলা যায় যে বাংলাদেশের টাকা পাচার হচ্ছে। লুটপাটকারীরা অবৈধভাবে উপার্জন করছে এবং সেই টাকা সুইস ব্যাংকে পাচার করছে।

রেডিও তেহরান