সিরাজদিখানে ডাকাতের হামলায় নিহত ১ : আটক ৩

dakati2মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের শেখেরনগর বাজার এলাকায় ডাকাতদের হামলায় এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ তিন ডাকাতকে আটক করেছে। শেখেরনগরের দক্ষিণহাতি এলাকায় রবিবার রাত ৩টায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম রিংকু (২২)। তার বাড়ি দক্ষিণহাতি এলাকায়।

আটক হওয়া তিন ডাকাত সদস্য হলো- দক্ষিণহাতি এলাকার সাইফুল ইসলাম (২৮), শ্রীনগর উপজেলার ষোলঘরের থান্দু (৩২), শ্রীনগর কামারগাঁও এলাকার মালেক (৩৫)।

সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল বাসার জনান, পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে যুবকের লাশ উদ্ধার করে। এ সময় তিনজনকে আটক করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, শেখেরনগর বাজার সংলগ্ন এলাকার এবিসি রেডিওর স্টাফ রিপোর্টার সৈকত সাদিকের মামা সিরাজুল ইসলামের বাড়ি ও দুইটি হিন্দু বাড়িতে রবিবার মধ্যরাত থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ডাকাতরা হানা দেয়।

মুহূর্তেই ডাকাতির ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পড়ায় গ্রামবাসী ডাকাতদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। যাওয়ার পথে ডাকাতরা রিংকুকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে।

তার লাশ মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানান ওসি।

দ্য রিপোর্ট
=====

ডাকাতের হাতে নিহতের ঘটনায় আটক ৩

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার শেখরনগর দক্ষিণহাটি গ্রামে রবিবার গভীর রাতে ডাকাতের হামলায় রিঙ্কু শিল (১৬) নামে এক গ্রামবাসী নিহত ও গুলিবিদ্ধসহ ১০ ব্যক্তি আহত হয়েছে। আহত গুলিবিদ্ধ পঙ্কজ শীল ও ধরালো অস্ত্রের আঘাতে আহত ড. সজিবসহ (৩২) অন্য আহতদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় পুলিশ সন্দেহজনক ৩ ব্যক্তিকে আটক করেছে। ডাকাতরা আনোয়ার হোসেন, দিলীপ শীল, ভক্ত মল্লিক, সিরাজুল ইসলাম ও সারোয়ার এই ৫ বাড়িতে ডাকাতি করে সর্বস্ব লুট করে নেয়। রাত পৌনে ২টা থেকে সাড়ে তিন টা প্রায় পৌনে ২ ঘন্টা ধরে এই লুটপাট চালায়। এক পর্যায়ে গ্রামবাসী ও পুলিশ ধাওয়া করলে ডাকাতরা শর্টগানের গুলি ছুড়ে। রিঙ্কু শিলের লাশ সিরাজদিখান থানায় রাখা হয়েছে।

মুন্সীগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মো. জাকির হোসেন মজুমদার জানান, রাত পৌনে ২টার দিকে হাফপ্যান্ট ও মুখোশপড়া ২০/২৫ জনের ডাকাত দল তেঘরিয়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের বাড়িতে প্রথম লুটপাট চালায়। এই সময় তার পুত্র ডা. সজিবসহ চারজনকে কুপিয়ে আহত করে। পরে পার্শ্ববর্তী শেখরনগর দক্ষিণহাটি গ্রামে ডাকাতরা হানা দেয়। এক পর্যায়ে গ্রামাবাসী টেটা ও জুইত্যাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ডাকাতদের ধাওয়া করে। পরে পুলিশও গ্রামবাসীদের সাথে ধাওয়া ডাকাতের ধাওয়া করে। এক পর্যায়ে ডাকতরা শর্টগানের গুলি ছুড়লে পঙ্কজ শীল গুলিবিদ্ধ হয়। পরে সে টেটা ফেলে পালিয়ে যায়। এই সময় তার টেটা ছুড়ে মারে গ্রামবাসীর উদ্দেশ্যে। এই টেটা বিদ্ধ রিঙ্কু শীলের পায়ে। সে মাটিতে লুটয়ে পড়লে ডাকাতরা মাথায় কুপিয়ে তাকে হত্যা করে। এক পর্যায়ে খুলি ছুড়তে ছুড়তে আড়িয়াল বিল দিয়ে ডাকাতরা পালিয়ে যায়।

গ্রামবাসীরা জানায়, প্রথমে ডাকাতরা তেঘড়িয়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের(৬০) বাড়িতে ডাকাতি করে। এ সময় আরোয়ারের ছেলে ডা. সজিব ডাকাতদের বাধা দেবার চেষ্টা করলে তাকে বেদন প্রহার করে মারাত্মক আহত করে ডাকাতরা। তার অবস্হা আশঙ্কাজনক। এরপর শেখরনগরে দক্ষিণহাটি গ্রামের ভক্ত মল্লিক(৫৫), শেখরনগর রায় বাহাদুর ইনিষ্টিটিউটের সাবেক প্রধান শিক্ষক ও এবিসি রেডিওর স্টাফ রিপোর্টার সৈকত সাদিকের মামা সিরাজুল ইসলামের (৭০) বাড়িতে, মো. সারোয়ারের বাড়িতে এবং সবশেষে ডাকাতদল দিলীপ শীলের (৪০) বাড়িতে ডাকাতি করে।

স্বদেশ