বাসায় পৌঁছালেন খালেদা

kzখালেদার গাড়িবহর থেকে: মুন্সীগঞ্জের লক্ষ্মীগঞ্জ লঞ্চঘাট ময়দানে জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় যোগদান শেষে বাসায় পৌঁছেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বুধবার রাত সোয়া ১০টার দিকে রাজধানীর গুলশানের বাসায় পৌঁছেন তিনি।

এর আগে, রাত সোয়া ৮টার দিকে মুন্সীগঞ্জ জেলা সার্কিট হাউস থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা হন খালেদা জিয়া। বিকেল পৌনে ৬টা থেকে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী বক্তব্য রাখেন খালেদা জিয়া। বক্তব্যের পর মুন্সীগঞ্জ জেলা সার্কিট হাউসে পৌঁছে কিছু সময় বিশ্রাম নেন, এরপর ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা হন তিনি।

এর আগে, সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে সরকারের বিদায় ও ৠাবের বিলুপ্তি দাবি করেন খালেদা জিয়া। একইসঙ্গে হত্যা-গুম-অপহরণের বিচার করা হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে বিদায় নিতে হবে, শেখ হাসিনাকে বিদায় নিতে হবে। জাতীয় নির্বাচনের জন্য আবার নিরপেক্ষ সরকার নিয়ে আসতে হবে। এই দাবিতে জনগণকে আন্দোলনে নামতে হবে।

খালেদা বলেন, যেহেতু আওয়ামী লীগ নির্বাচনকে ভয় পায়, তাই তারা সকলের অংশগ্রহণে নির্বাচন চায় না। তারা শুধু তাদের অনুগতদের নিয়ে নির্বাচন করতে চায়। তারা জনাতঙ্কে ভুগছে।

গুম-অপহরণে অভিযুক্ত ৠাব-১১ এর গ্রেফতার কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে এবং ৠাবের বিলুপ্তি দাবি করে তিনি বলেন, ৠাব গঠন করা হয়েছিল জঙ্গী ও সন্ত্রাস দমন করতে, কিন্তু ৠাব এখন রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। অপহরণের পর গুম, খুনের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। ৠাবকে নষ্ট করে ফেলেছে। তারা টাকার বিনিময়ে মানুষ খুন করেছে, পেশাদারী খুনি হয়ে গেছে। ৠাব এখন গ্যাং রিং ক্যান্সার হয়ে গেছে। এদের সংস্কার করলেও ভালো হবে না। তাই এদের বিলুপ্ত করতে হবে।

বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, আওয়ামী লীগ মোদী (ভারতের নয়া প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী) সাহেবের কাছে চিঠি দিয়েছে। সেখানে লিখেছে, ‘আপনিও দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, আমিও দুই তৃতীয়াংশ ভোটে নির্বাচিত হয়েছি।’ আরে, মোদী সাহেব জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন, কিন্তু আওয়ামী লীগ দুই তৃতীয়াংশ তো দূরের কথা, কোনো ভোটেই নির্বাচিত হয়নি। আওয়ামী লীগের এই মিথ্যাচার বন্ধ করতে হবে। আমরা আর মায়ের চোখে কান্না দেখতে চাই না। হত্যা-গুম বন্ধ করে আওয়ামী লীগ বিদায় করতে হবে।

বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, জনগণের ওপর অনেক অত্যাচার নির্যাতন করেছেন। জনগণ অনেক কেঁদেছে, এবার আর জনগণ নয়, আওয়ামী লীগকেই কাঁদতে হবে, অনেক বেশি কাঁদতে হবে। জনগণের পা ধরে তাদের ক্ষমা চাইতে হবে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ যার সঙ্গে আঁতাত করেছে, সেই এরশাদও একজন খুনি। তিনি দেশের মানুষ হত্যা করেছেন। তারও বিচার হবে।

তিনি আরও বলেন, জনগণ বলেছিল, সকল দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন হলেই তারা ভোট দেবে, কিন্তু আওয়ামী লীগ জোর করে নির্বাচন করেছে। জনগণ তাতে ভোট দেয়নি। ভোটকেন্দ্রে কুকুর পাহারায় ছিল। ১৫৪ আসনে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতায়ই হয়নি। বাকিরাও ভোটে নির্বাচিত হয়নি।

খালেদা বলেন, যেহেতু তারা কোনো ভোট পায়নি, ভোটে নির্বাচিত নয়, সেহেতু ‘এ সংসদ অবৈধ, এ সরকার অবৈধ’।

তিনি অভিযোগ করেন, পবিত্র সংসদ চলে জনগণের। কিন্তু বর্তমান অবৈধ সরকারের নেতৃত্বাধীন সংসদে মিথ্যাচার, গালাগালি চলছে।

তিনি বলেন, দেশে এখন কেবল ছাত্রলীগ-যুবলীগের সন্ত্রাস, টেন্ডারবাজি চলেছ। ফ্রি স্টাইলে দেশ চলছে। যার যা খুশি তাই করছে। চলছে দুর্নীতির মহোৎসব। দুর্নীতিবাজ সরকার কাউকে বিচারের মুখোমুখি করতে পারছে না। কারণ, কেঁচো খুড়লে সাপ বেরিয়ে আসবে। সরকার নিজেই দুর্নীতি-হত্যা-গুমে জড়িত।

বিএনপি চেয়ারপারসন অভিযোগ করেন, সরকারের বিরুদ্ধে জোরালো বক্তব্য দেওয়ার কারণে সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি ইলিয়াস আলীকে গুম করা হয়েছে। তাকে গুমের ঘটনা যে দেখেছে তাকেও গুম করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ইলিয়াস আলীসহ ৩১০ জন বিএনপি নেতাকর্মীকে হত্যা ও ৬৫ জনকে গুম করেছে আওয়ামী লীগ।

নারায়ণগঞ্জে সাত খুনের নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, প্যানেল মেয়র ও তার সহযোগীদের অপহরণ দেখেছিলেন আইনজীবী চন্দন সরকার। ৠাব তাকেও গুম করে হত্যা করেছে।

না’গঞ্জে সাতখুনসহ মোট ১১টি খুন ছয় কোটি টাকার বিনিময়ে হয়েছিল বলে দাবি করেন খালেদা।

এসব খুন-গুম অপহরণের ঘটনার উন্মোচন করার জন্য সংবাদ মাধ্যমকে ধন্যবাদ জানান বিএনপি চেয়ারপারসন।

তবে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মূল হোতাদের দেশ থেকে নিরাপদে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। যারা অপরাধী তাদের বিচার হচ্ছে না, কারণ বিচার হতে গেলে আসল অপরাধীদের মুখোশ খসে পড়বে। খুনিরা খুন করেছে এ কথা সবাই বললেও তাদের (অভিযুক্ত ৠাব কর্মকর্তাত্রয়) সন্দেহভাজন (৫৪ ধারা) হিসেবে মামলার আসামি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সেনা আইন অনুযায়ী অভিযুক্ত ৠাব সদস্যদের কোর্ট মার্শাল করা হলো না, তড়িঘড়ি করে তাদের ফোর্স রিটায়ার্ডমেন্ট করা হলো। এই সব লোককে কোনো প্রকার বেনিফিট দেওয়া যাবে না। বিএনপি এলে কার জামাই কার আত্মীয় বিচার না করে সবার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলেও জানান তিনি।

খালেদা জিয়া বলেন, রানা প্লাজার ঘটনায় অনেক সাহায্য ওঠানো হয়েছে। কিন্তু অনেক ক্ষতিগ্রস্তই সাহায্য পায়নি। তাদের পুনর্বাসন করা হয়নি। শ্রমিক নেতা আমিনুল ইসলামকেও ৠাব গুম করেছিলো। জঙ্গী দমনে ৠাব গঠন করেছিলাম। তাই বলে রাতের বেলায় ৠাব পাঠাইনি। তারা জঙ্গি ধরেছে। আওয়ামী লীগ নেতা মির্জা আজমের দুলাই ভাই জঙ্গি নেতা শায়খ আব্দুর রহমানকে গুলি করিনি। জীবিত ধরেছি। ৠাব যেই উদ্দেশে গঠন করা হয়েছিলো তখন ঠিক ছিলো। কিন্তু বর্তমান সরকার ৠাবকে পঁচিয়ে ফেলেছে। ৠাব টাকা নেয়। আর যারা টাকা নেয় তারা পেশাদার খুনি হয়ে যায়।

তিনি বলেন, সংস্কার টংস্কার দিয়ে হবে না, মাথা-পায়ে ব্যাথা হলে অ্যান্টিবায়েটিক দিলে ঠিক হয়ে যায়। কিন্তু ৠাব গ্যাং রিং ও ক্যান্সার হয়ে গেছে। সংস্কার করলে এদের পরিবর্তন হবে না। এরা যেহেতু সশস্ত্র বাহিনী থেকে আসে। সশস্ত্র বাহিনীর ভাবমূর্তি নষ্ট হয়ে গেছে। লক্ষ্মীপুর-ফেনীর ঘটনায় ৠাব জড়িত। আমাদের সুধী সমাজের কেউ বোঝেন, তাই বলেন ৠাব থাকলে ভালো হবে। না ৠাবের বদলে সবার সঙ্গে আলোচনা করে অন্য কিছু গঠন করা হবে। ৠাব রাত্রে আর কোনো বাড়িতে যেতে পারবে না। ৠাব কারও বাড়িতে গেলে ঘেরাও দেবেন। শুধু ৠাব নয়, ডিবি-পুলিশ যেই হোক রাতে কারও বাড়িতে যেতে দেওয়া হবে না। কাউকে ধরতে হলে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে লিখিত দিয়ে ধরতে হবে।

তিনি আরও বলেন, নারায়ণগঞ্জের ঘটনার সময় শেখ হাসিনা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন। তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। নৌ-বাহিনীর হোক আর যেখানের হোক ৠাবে আসলে তারা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতায় চলে আসে।

তিনি অভিযোগ করেন, শুধু নারায়ণগঞ্জ নয়, সাতক্ষীরা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর এমনকি মুন্সীগঞ্জেও খুন-অপহরণের ঘটনা ঘটছে।

খালেদা জিয়া অভিযোগ করেন, দেশে কেউ নিরাপদ নয়, আমি নিজেও বলতে পারি না, আমি নিরাপদ, এখানে যারা বসে আছেন কেউ বলতে পারবে না, কেউ নিরাপদ। আওয়ামী লীগ যতদিন ক্ষমতায় থাকবে, ততদিন কেউ নিরাপদ নয়। আমরা নিরাপদ বাংলাদেশ চাই। আজ সবকিছু বন্ধ, শুধু মিথ্যাচার আর অত্যাচারের ওপর ভর করে কোনো রকম টিকে আছে। কিন্তু এটা বেশিদিন চলতে পারে না। মা-বোনরা আওয়ামী লীগের হাতে নিরাপদ নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়েদের নির্যাতন করে সেঞ্চুরি পালন করে আওয়ামী লীগ। তাদের নেত্রী একজন নারী হয়েও তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয় না।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির ঘটনায় কাউকে ধরা হয়নি। তারা নিজের দলের লোককে অন্যায় কাজে ব্যবহার করছে। সকল প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করছে। তারা বিদেশি সাহায্যের ওপর বেঁচে থাকতে চায়। দেশকে অকার্যকর করার পরিকল্পনায় এগোচ্ছে। সিভিল প্রশাসন ধ্বংস করে দিয়েছে। আমাদের সময়ে আওয়ামী লীগ বিএনপি বাছ-বিচার করিনি। যে ভালো অফিসার তাকে প্রমোশন দিয়েছি। পুলিশের সবাই খারাপ তা বলবো না। এখানে বিশেষ জেলার মানুষকে ঢুকিয়ে পুলিশকে কাজ করতে দিচ্ছে না।

তিনি বলেন, সব চোরদের এমপি বানিয়ে রেখেছে। মন্ত্রীরা চুরি করছে। দুর্নীতি দমন কমিশন এবং নির্বাচন কমিশনও বলছে তারপরও তাদের ধরা হচ্ছে না। সব খাই-খাই।

খালেদা আরও অভিযোগ করেন, বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। অথচ লোডশেডিংয়ের জন্য প্রতিনিয়ত কাজ বন্ধ রয়েছে। গ্যাসের দাম বারবার বাড়িয়েও গ্যাস দিতে পারছে না। বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামে গ্যাস, পানি নেই। গার্মেন্ট নষ্ট করেছে। এদের এক মন্ত্রী ছিলেন সব পাটকল বেঁচে দিয়েছে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে এবার একদম ঝেটিয়ে বিদায় করতে হবে। আগে ২১ বছরের জন্য তাদের ক্ষমতার বাইরে রাখা হয়েছিল, এবার ৪২ বছরের জন্য বিদায় করে দিন।

খালেদা অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ নিজেদের ধর্মনিরপেক্ষ দাবি করে, আসলে তারা কোনো ধর্মেই শ্রদ্ধাশীল নয়। তারা শুধু শাপলা চত্বরে আলেম-ওলামাদের হত্যায়ই করেনি, হিন্দুদের বাড়ি-ঘরে হামলা চালিয়েছে। গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় খ্রিস্টানদের ওপর হামলা চালিয়ে ২০ জনকে হত্যা করেছে। রামুর বৌদ্ধ মন্দিরে হামলা চালিয়েছে। সংবাদ মাধ্যম সবার কাছে প্রমাণ উপস্থাপন করেছে, এসবের সঙ্গে কারা জড়িত মানুষ জেনেছে।

তিনি বলেন, আমাদের শক্তি হলো জনগণ, আর আপনাদের আতঙ্ক হলো জনগণ। আওয়ামী লীগ দাবি করে তারা স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি। অথচ তারা স্বাধীনতার ঘোষণা পর্যন্ত দেয়নি। বরং স্বাধীনতা আন্দোলনে অবদান রাখা নেতাদের স্মৃতি মুছে দিতে চায়, ভাসানীর (মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী) ‍নাম মুছে দেওয়া হয়েছে। ভাসানী নভোথিয়েটারের নাম পাল্টে দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ কোনো সম্মানিত ব্যক্তিকে সম্মান দিতে জানে না। দেশের একমাত্র নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মতো লোককে অসম্মান করেছে আওয়ামী লীগ। আমরা সরকারে এলে তার গ্রামীণ ব্যাংক তাকে ফিরিয়ে দেবো। দেশের উন্নয়নে তার কাছ থেকে পরামর্শ নেবো।

শেখ হাসিনার উদেশে খালেদা জিয়া বলেন, সময় নষ্ট না করে, দেরি না করে, অবিলম্বে নিরপেক্ষ সরকারের কাছে ক্ষমতা দিন। এমন সময় আসবে আপনার চ্যালাদের আর পাশে পাবেন না। আমরা আপনাকে সম্মান দেবো। আমরা আপনার পাশে থাকবো।

বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, মুন্সীগঞ্জ বিএনপির ঘাঁটি। এখানকার জনগণ চেনে শুধু ধানের শীষ। তাই এখানকার একটি আসন কেটে নেওয়া হয়েছে। এখান থেকে বিএনপির কোনো নেতা কখনও ফেল করতো না। আওয়ামী লীগের কারসাজিতে সবাই ফেল করেছে। এবারো ডেকেছিলো কয়েকটি আসন দেওয়ার জন্য। কিন্তু আমরা ভাগ-বাটোয়ারার রাজনীতি করি না। আমরা বলেছি জনগণকে নিয়ে রাজনীতি করবো। তারা সেই রাজনীতি করে না।

এর আগে, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী আব্দুল হাইয়ের সভাপতিত্বে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয়। কোরআন তেলাওয়াতের পর স্থানীয় বিএনপি নেতারা বক্তব্য রাখেন।

জনসভা মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মিজানুর রহমান সিনহা, যুগ্ম-মহাসিচব আমানউল্লাহ আমান প্রমুখ।

সকাল থেকেই সভাস্থলে অবস্থান নেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাই, সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর রিপন মল্লিক, সদর উপজেলা বিএনপি সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ, শহর বিএনপির সভাপতি ও পৌর মেয়র একেএম ইরাদত মানু, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, জেলা জাসাস সাধারণ সম্পাদক মঈনউদ্দিন সুমনসহ হাজারো নেতাকর্মী।

দেশব্যাপী গুম, খুন, অপহরণ ও দুর্নীতির প্রতিবাদে বিএনপি এ জনসভার আয়োজন করে।

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর