মুন্সীগঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষকদের ডিপিএড প্রশিক্ষণে অনিয়ম!

oniomমুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার ১১২ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ডিপিএড (ডিপ্লোমা ইন প্রাইমারি এডুকেশন) প্রশিক্ষণার্থীদের ভাতা ও খাবারের অর্থ নিয়ে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। মুন্সীগঞ্জ শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত প্রাইমারি ট্রেনিং ইনিস্টিটিউশনে (পিটিআই) চলছে প্রাইমারি স্কুল শিক্ষকদের এ প্রশিক্ষণ। ৩ মে থেকে শুরু হওয়া এ প্রশিক্ষণ চলবে ২৯ মে পর্যন্ত।

প্রশিক্ষণ নিতে আসা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষকরা অভিযোগ করে বলেন, পূর্বে এ ট্রেনিং শেষে প্রত্যেক শিক্ষককে সরকারিভাবে ১২ হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়া হলেও কর্তৃপক্ষ বর্তমানে ৮ হাজার ১৩০ টাকা করে দিচ্ছে।

এছাড়া প্রত্যেকের মাথপিছু খাবার বাবদ বরাদ্দ রাখা আছে ৩৩০ টাকা, কিন্তু নিম্নমানের পঁচা-বাসি খাবার খাইয়ে পিটিআই সুপারের যোগসাজশে একটি চক্র টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

পিটিআই সূত্রে জানা গেছে, ডিপিএড ট্রেনিংয়ের প্রতিটি সেশনে ২০টি বিদ্যালয়ের ২ জন করে মোট ৪০ জন শিক্ষককে ডিপিএড ও আইসিটি এই দুইভাগে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

পিটিআই সুপার রকিকুল ইসলাম তালুকদার এটিএন টাইমসকে জানান, জেলায় প্রায় ৫ শতাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। পর্যাক্রমে প্রতিটি স্কুলের ২ জন শিক্ষককে এ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

তিনি জানান, এবার ডিপিএড প্রশিক্ষণার্থীরা যাতায়াত ভাড়া, দুপুরের খাবার ও ভাতাসহ ৮ হাজার ১৩০ টাকা করে পাবেন। তার মধ্যে ২৮০ টাকা খাওয়া বাবদ ও ৫০ টাকা ভ্যাট কাটা যাবে। প্রশিক্ষণ শেষে প্রশিক্ষণার্থীরা প্রত্যেকে ৭ হাজার ৮০০ টাকা করে পাবেন। আর আইটিসির প্রশিক্ষণার্থীরা ৬ হাজার টাকা করে পাবেন বলে জানান তিনি।

নিম্নমানের খাবার পরিবেশনের বিষয়ে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা শিক্ষকদের সুবিধার জন্য খাবারের ব্যবস্থা করেছি। যদি তারা খেতে না চান, তাহলে তাদের খাবার বাবদ বরাদ্দকৃত টাকা দিয়ে দেওয়া হবে।’

নিম্নমানের খাবার পরিবেশনের কথা এড়িয়ে গেলেও তিনি আরো বলেন, ‘আমি ছুটিতে আছি, এসে ব্যবস্থা নেবো।’

এটিএন টাইমস