বালিগাঁও কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ!

oniom3মোঃ সুজন: মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার বালিগাঁও আমজাদ আলী মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মোঃ আক্তার হোসেন ও সমাজকল্যান বিভাগের প্রভাষক মোঃ হারুন অর রশীদ এর বিরুদ্বে অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

জানা যায়, বালিগাঁও আমজাদ আলী মহা বিদ্যালয়ের অডিটের কথা বলে প্রভাষক ও কর্মচারীদের কাছ থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অধ্যক্ষ আক্তার হোসেন ও প্রভাষক হারুন অর রশীদ ১লাখ ৭০ হাজার পাচঁশ ” টাকা হাতিয়ে নেন। বিষয়টি প্রকাশ হয়ে গেলে অধ্যক্ষ আক্তার হোসেন কলেজের প্রয়োজনীয় কাগজ পএ ও চাবি নিয়ে প্রায় এক বছর যাবত পালিয়ে রয়েছে। এতে করে কলেজের কাজকর্ম ব্যহত হচ্ছে।

অন্যদিকে টাকা আত্মসাৎ এর ঘটনা ফাঁস হয়ে যাওয়ায় আক্তার হোসেন ও হারুন অর রশীদ দুজনে মিলে শিক্ষক, কর্মচারী ও মামলার বাদি সুলতান খাঁনকে নানা ভাবে হুমকি দমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে। অর্থ আত্মসাৎ এর বিষয়ে কলেজের গর্ভনিং বডির সদস্য মোঃ সুলতান খাঁন বাদী হয়ে অধ্যক্ষ আক্তার হোসেন ও প্রভাষক হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে টঙ্গীবাড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং ০৭।

জানা যায়, হারুন অর রশীদ এর আগেও অর্থ কেলেংকারির ঘটনা ঘটিয়েছে দুইবার, গত ২০০৩ সালে সোনালী ব্যাংক শাহজালাল শাখা সিলেট থেকে অর্থ আত্মসাৎ এর ঘটনায় তাকে চাকুরীচ্যুত করে সোনালী ব্যাংক। বিষয়টি গোপন রেখে বালিগাঁ কলেজে চাকুরী নেন তিনি ।

কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ থাকা কালীন অবস্থায় সে শিক্ষকদের এমপিও ভুক্তির কথা বলে প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০হাজার টাকা করে ঘুষ দাবি করলে শিক্ষকরা বিষয়টি লিখিত ভাবে সভাপতিকে জানালে কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষর পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়।

এছারাও হারুন অর রশীদ নিজ এলাকা আউটশাহী ইউনিয়নের ডোরাপতি গ্রামে স্কুল নির্মানের নামে রড, সিমেন্ট কিনার কথা বলে অর্থ আত্মসাৎ করায় তাকে দু, দফায় কলেজ ক্যাম্পাসে লাঞ্চিত করে এলাকা বাসি। এছাড়া ও মাল্টি পারপাস এজিওর কথা বলে এলাকাবাসির কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে একটি চেক জালিয়াতির মামলা ও রয়েছে বলে জানা যায়।

এছাড়া ও একাধিক বিয়ে করার অভিযোগ পাওয়া গেছে এই লম্পট প্রভাষক হারুন অর রশীদ এর বিরুদ্ধে। তার দ্বিতীয় স্ত্রী নাজনিন বেগম এখন একটি প্রাইমারী স্কুলে সহকারী শিক্ষক হিসেবে চাকুরী করছেন, এই সংসারে তার দুটি সন্তান ও রয়েছে। হারুন ও তার ভাই হলুদ সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত ও সন্ত্রাসী আবু বকরকে নিয়ে মামলাটি তুলে নেয়ার জন্য প্রতিনিয়ত মামলার বাদীকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এদিকে তার ভাই ভুয়া সাংবাদিক হিসেবে খ্যাত আবু বকর নিজেকে কখনো ভোরের ডাক পএিকার রিপোটার কখনো মানব জমিন কখনো ডেসটিনি পএিকার রিপোটার হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রতিনিয়ত টঙ্গীবাড়ি, বালিঁগাও, আড়িয়ল, খলাগাও, পাঁচগাও, বেতকা, আব্দুল্লাপুর এলাকায় চাঁদাবাজি, মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ব্লাকমেল করে আসছে র্দীঘদিন যাবত।

মানব জমিনের মুন্সিগঞ্জের স্টাফ রিপোটার জানান, আবু বকর নামে কোন সাংবাদিক আমাদের কাগজে নেই। সাংবাদিক পরিচয় দেয়া এই প্রতারক আবু বকর কিছুদিন আগে প্রতারণার দায়ে জেল খেটেছে, এছাড়া স্থানীয় এক সাংবাদিকের মোবাইল চুরি করার অপরাধে সে দ্বিতীয় বারের মতো জেল খেটে বের হয়েও তার প্রতারনা থেমে নেই।

বিভিন্ন লোককে ভুয়া চিঠি দিয়ে সম্মানের ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে অর্থ আদায় করা হচ্ছে আবু বকরের কাজ। এই প্রতারণার জন্য তাকে বেশ কয়েক যায়গায় উত্তম মাদ্যম ও খেতে হয়েছে। বর্তমানে বেশ কয়েকটি পএিকার নাম ভাঙ্গিয়ে ভুয়া আইডি কার্ড নিয়ে প্রতারনা করে চলেছে আবু বকর। এলাকায় জমি, ঘর ও গরুর দালাল হিসেবে পরিচিত আবু বকর এখন সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিয়ে মানুষকে প্রতারণা করে চলেছে।

বার্তা২৪