৫ দিনেও সন্ধান মিলেনি রাজদিয়ার গৃহবধূ খাদিজার

khadijaমুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলার পূর্ব-রাজদিয়া এলাকার বাসা থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি মোসাম্মৎ খাদিজা আক্তার (১৮) নামের এক গৃহবধূ। গত রবিবার সকালে বাসা থেকে বের হন তিনি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর সন্ধান না পেয়ে পাঁচ দিন পর বুধবার সকালে গৃহবধু খাদিজার স্বামী মোঃ রাজন মল্লিক সিরাজদিখান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

খাদিজার বাবা মোঃ বাবুল হোসেন বলেন, আমি সকল আত্মীয় ও যাওয়ার সম্ভাব্য জায়গায় আমার মেয়ে খাদিজার খোঁজ করেছি। খাদিজা আক্তার দুই বছর আগে বাড়ি থেকে পালিয়ে এসে রাজন মল্লিককে বিয়ে করে। প্রেম ও বিয়ের সকল কাজে রাজনের দুই বন্ধু সৈকত ও হোসেন সহযোগিতা করেন। আমার মেয়ে জামাই রাজন মল্লিকের সাথে অন্য এক মেয়ের সম্পর্ক আছে । সেই সুযোগে তার দুই বন্ধু হোসেন ও সৈকত আমার মেয়েকে জোর করে অন্য কোথাও আটকিয়ে রাখতে পারে। বিয়ের পর থেকেই নাকি ওর দুই বন্ধুর খারাপ দৃষ্টি পরে খাদিজার ওপর। খাদিজা এসব কথা ওর স্বামী রাজন ও বাড়ির অনেককে জানিয়েছে। কিন্তু তার পরেও রাজনের বন্ধু হোসেন ও সৈকত জোর করে ওদের বাসায় যেতো। আমার মেয়ে রবিবার থেকে নিখোঁজ। হোসেন, সৈকত ও রাজনই বলতে পারবে খাদিজা কোথায় আছে।
khadija
নিখোঁজ খাদিজার স্বামী রাজন মল্লিক বলেন, খাদিজা হোসেনের দোকানে জামাকাপড় বানাতে গেলে বিভিন্ন সময়ে একা পেয়ে হোসেন ওকে খারাপ কথা বলতো। খাদিজা আমাকে জানালে আমি বন্ধু ঠাট্টা করে বলেছে মনে করতাম। সৈকতও আমার সামনেই বলতো দোস্ত একটা সুন্দরী বউ পাইছছ তুই। বউটা আমাগো দিয়া দে। এসব কথায় আমি কখনও কিছু মনে করতাম না। আমি সকল আত্মীয়ের বাড়িতে খোঁজ নিয়ে পাঁচ দিনে কোথাও খাদিজার সন্ধান পাইনি। সৈকত ও হোসেন এলাকায় থাকলেও খাদিজা নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে ওদের চলাচলে অনেক অস্বাভাবিক আচরন লক্ষ করা যাচ্ছে। আমি কিছুই বলতে পারছি না।

সিরাজদিখান থানার ওসি মোঃ আবুল বাসার জানান, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা হাসপাতাল, বাস স্টেশনসহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ-খবর নিয়েছি। কিন্তু এখনও তার খোঁজ মিলেনি। খোঁজাখুঁজি চলছে। এ ব্যাপারে হোসেন ও সৈকতের সাথে যোগাগের চেষ্টা করেও তাদের সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

স্বদেশ