বিক্রমপুর আমার গর্ব – রাহমান মনি

বিক্রমপুরে জন্ম নিয়ে ধন্য হলাম ভাই,
কেন হলাম ধন্য, সেটার বর্ণনা জানাই।
মেঘনা-ধলেশ্বরী ঘেরা ব-দ্বীপের এই জেলা,
প্রকৃতির এক অনিন্দ্য সাজ, নেই জুড়ি তার মেলা।

জগৎ খ্যাত গুণীজনের এটাই জন্মভূমি,
ব্রজেন, অতীশ, জগদীশের নাম শুনেছো তুমি?
জগা বাবুর তত্ত্ব হলো গাছের আছে প্রাণ,
বাড়লো তাতে জগদীশ আর বাংলা মায়ের মান।
ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে সাড়া জাগান যিনি,
বিক্রমপুরে জন্ম যে তার ব্রজেন নামের তিনি।
অতীশ ছাড়া ভারত যেতো ডুবে অন্ধকারে,
তাই পৃথিবীর তাবৎ লোকে ছালাম জানায় তারে।
হাস্যরসে মনের খোরাক জুগিয়ে গেছেন যিনি,
গর্ব করে জানান দিতেন, ঢাকার ভানু তিনি।
নদী-নালা, ফল ফলাদি শস্যের এক ভান্ডার,
মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর তাই বাংলাদেশের কান্ডার।
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষ নেই ভেদাভেদ কোন,
বিক্রমপুরের খ্যাতির কথা তোমরা সবাই শোন।
বাবা আদম মসজিদ আর ইদ্রাকপুরের কেল্লা,
বারাউলিয়ার মাজার জুড়ে বেজায় রকম জেল্লা।
পাল ঘাটা ব্রীজ, শ্যামসিদ্ধির মঠ দেখবে কতো আর?
রামপালের এক দিঘী আছে বল্লাল সেন রাজার।
শিক্ষা আর সংস্কৃতিতে যাদের অবদান,
তাদের জোটে বিশ্বব্যাপি সব রকম সম্মান।
সব কিছুতে যশ ও খ্যাতি আসলো যাদের ছোঁয়ায়,
বিক্রমপুরের মাটি তাদের সামনে মাথা নোয়ায়।

টোকিও