গজারিয়ায় বন্দুকযুদ্ধে পুলিশ হত্যা মামলায় তদন্তের অগ্রগতি নেই

cons malekগত ৪ ফেব্রুয়ারি মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার মেঘনা সেতু এলাকায় ডাকাত দলের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে পুলিশ কনস্টেবল আব্দুল মালেক নিহত ও এক সহকারী উপ-পরিদর্শ (এএসআই) সহ চারজন আহত হন। মেঘনা নদীতে টহলরত পুলিশ মেঘনা সেতুর নিচে একটি রড ভর্তি ট্রলার দেখে সন্দেহ হলে রাত সাড়ে ৩ টার সময় তা থামানোর চেষ্টা করে ওই পুলিশ কর্মকর্তারা।

এ সময় ট্রলার থেকে একদল ডাকাত পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। ওই সময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এতে তিন পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধ হয় এবং এক পুলিশ কনস্টেবল নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়।

ওই হত্যা মামলায় মো. শিপু মিয়া, মো. শাহজালাল ও ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী সাহাবুদ্দিনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত নামা ৪/৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। অস্ত্র আইনের মামলায় মো. শিপু মিয়া ও মো. শাহজালালের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত নামা ৪/৫ জনকে আসামি করা হয়। পরবর্তিতে অভিযান চালিয়ে মো. শাহজালাল এবং তার দেওয়া গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ উপজেলার ঝাঁউচর গ্রাম থেকে মো. সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
cons malek
এর পর তাদেরকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে পুলিশ হত্যার ঘটনায় জড়িত ছিলেন স্বীকার করে ১৬১ ধারায় জবানবন্দী দিয়েছেন। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জড়িত থাকা অন্য আসামীরা অধরাই থেকে যাচ্ছে এবং থেমে গেছে তদন্তের কাজ।

ইতিমধ্যে নিহত পুলিশ কনস্টেবল আব্দুল মালেকের পরিবারকে মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা সাহায্য দেয়। কিন্তু নিহত কনস্টেবল আব্দুল মালেকের পরিবার সঠিক তদন্তের মাধ্যমে বিচার চায়। এদিকে, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নিজ নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থতা তাদের অযোগ্যতাকে জানান দিচ্ছে। নাকি রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় ওই ঘটনাকে আড়াল করে দিচ্ছে এমনটাই এখন নিহত কনস্টেবল আব্দুল মালেকের পরিবার ও জনগণের প্রশ্ন।

এবিনিউজ