সাত খুনে জড়িতদের কঠোর শান্তি দিন: বি. চৌধুরী

bcনারায়ণগঞ্জের চাঞ্চল্যকর সাত খুনের ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচার আইনে কঠোর শাস্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক এ.কিউ.এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী।

শুক্রবার বিকালে দলের কুড়িল বিশ্বরোডের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিকল্প স্বেচ্ছাসেবক ধারার ঢাকা মহানগর কমিটি অনুমোদন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ দাবি করেন।

বি. চৌধুরী বলেন, ‘একজন মন্ত্রীর ছেলে ও মেয়ের জামাই ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ থাকলেও ওই মন্ত্রী এখনও পদত্যাগ করেননি। তার বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থাও নেয়নি।’

নারায়ণগঞ্জের হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সঙ্গে সরকারি কর্মচারী জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেন তিনি।

বি. চৌধুরী বলেন, অ্যাসিড সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে বিচারের পর দেশে অ্যাসিড সন্ত্রাস কমে গিয়েছিল।

সাবেক এ রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘অপরাধী যেই হোক তার উচ্চতম শাস্তির সঙ্গে সঙ্গে সমস্ত ধন-সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে হবে এবং এধরনের শাস্তির শ্বেতপত্র প্রতি তিন মাস পর পর জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে।’

বি. চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীকে ওয়াদাভঙ্গকারী উল্লেখ করে বলেন, ‘দশম সংসদ নির্বাচনের আগে অনেক মন্ত্রী বলেছিলেন সংবিধান রক্ষার জন্য নির্বাচন করতে হচ্ছে এবং কয়েকমাসের মধ্যে সব দলের অংশ গ্রহণের মাধ্যমে একাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। মাত্র ১০ শতাংশ ভোট নিয়ে গণতন্ত্রকে হত্যা করে তারা এখন রক্তপাতের রাজনীতি শুরু করেছে।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন না। এ পর্যন্ত একজন পুর্ণাঙ্গ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও তিনি নিয়োগ দিতে পারলেন না।’

বিকল্প স্বেচ্ছাসেবক ধারার সভাপতি বিএম নিজামুদ্দিনের সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন দলের মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নান, যুগ্ম মহাসচিব আবদুর রউফ মান্নান, ইঞ্জিনিয়ার মো. ইফসুফ, আজিজ আখন্দ, যুবধারার সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাচ্চু, আবুল বাশার, মিজানুর রহমান রিটু, মো. আলামিন প্রমুখ।

এর আগে মো. মিজানুর রহমান রিটুকে সভাপতি ও মো. আলামিনকে সাধারণ সম্পাদক করে বিকল্প স্বেচ্ছাসেবক ধারার ঢাকা মহানগরীর ৭১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

রাইজিংবিডি